টিচার তপাদা ও এক ঐতিহাসিক ভ্রমণ!!!
টিচার তপাদা ও এক ঐতিহাসিক ভ্রমণ!!!
আমাদের স্কুলের ক্লাস ৯ এর ছেলে মেয়েদের ইতিহাস পঠন পাঠনের অংশ হিসাবে একটা tour এ নিয়ে যাওয়া হবে ঠিক হল। মে মাসের ২৯ তারিখ স্কুল ছুটির পরে বাসে করে রওনা দেওয়া হবে আমাদের দক্ষিন ২৪ পরগনা জেলার স্কুল থেকে। সারারাত বাস করে পৌছান হবে উত্তর বঙ্গে। পরের দিন ভোর থেকে বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থান ঘুরে একরাত হোটেলে থেকে পরদিন ভোরে রওনা দিয়ে সন্ধ্যায় আবার ফিরে আসা হবে। রাতটা কোন হোটেলে থাকবে সবাই।
একটা বাসে সিট ৫০ টা। প্রথমে কম স্টুডেন্ট যেতে চাওয়ায় একটাই বাস বুক করা হল। হঠাত ২৮ এ মে আমার বোনের মেয়ে রিয়া সহ ওর ৩ জন বান্ধবী ও একজন ক্লাস মনিটর ছেলে শতানিক যেতে রাজি হয়ে গেলে মোট স্টুডেন্ট দাঁড়াল ৫৩ জন আর সাথে আমি একজন টিচার। মোট ৫৪ জন তো বাসে ধরবে না।
আমি ক্লাসে প্রস্তাব দিলাম আমার সিটে শতানিক বসে যাক বাসে। আমি রিয়া আর ওর দুই বান্ধবী আমার গাড়ি করে চলে যাব ওদের পিছু পিছু।
আমাকে অবাক করে দিয়ে শতানিক বলল " তাতে tour এর মজাটাই মাটি হয়ে যাবে তমাদা। তার চেয়ে রিয়া, ইশা আর টিনা কারো কোলে বসে যাক। আমাদের তিন মনিটরের কোলে বসেও যেতে পারে। আমাদের কোন অসুবিধা হবে না।"
বাকি ২ মনিটরও তাতে সায় দিল। সাথে রিয়া, টিনা আর ইশাও!
ক্লাসের সবার সামনে ৩ জন মেয়েকে কোলে বসিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দিচ্ছে ৩ জন ছেলে। যে সে ছেলে নয়, ক্লাসের সবচেয়ে সুন্দর দেখতে ফর্শা ডমিনেটিং ৩ জন মনিটর। আমার সাবমিসিভ কাকোল্ড মন আনন্দে নেচে উঠল। আমি বললাম " তোমাদের কোন অসুবিধা নাহলে কোন সমস্যা নেই। তবে অন্য কোন ছেলে হলে মেয়েদের সারারাত কোলে করে নিয়ে যাওয়া ভাল দেখায় না। তোমরা মনিটর, তোমরা কোলে নিলে কোন সমস্যা নেই। আর কোন মেয়ে অন্য কোন মেয়েকে কোলে নিয়ে সারারাত যেতে গেলে ক্লান্ত হয়ে পরবে। তোমরা শিওর তো তোমাদের কোন অসুবিধা হবে না?"
বাকি ২ মনিটর প্রান্তিক আর অনির্বান একসাথে বলল, " না স্যার। ক্লাসের মেয়েদের জন্য এটুকু কষ্ট তো করতেই হয়।"
তখনই পিছন থেকে ক্লাসের ফেল্টু ছেলে রতন বলে উঠল স্যার তাহলেও তো একটা সিট কম পরে যাবে। আগেই আপনাকে নিয়ে পুরো ৫০ জন ছিল। এখন ৪ জন এক্সট্রা। আরেক জন কোথায় বসবে?"
আমি বলে দিলাম "সে দরকার হলে আমি ম্যানেজ করে নেব আমারটা।"
সেদিন ছুটির পরে ৩ মনিটরকে নিয়ে বাস দেখতে গেলাম। ঠিক ৫০ টাই সিট। কোন এক্সট্রা সিট তো দূর, বসার অন্য কোন জায়গাই সম্ভব না।
আমি বললাম "দেখ, অন্য কোথাও বসার জায়গা তো হবে না। সারারাত নিচে বসে যাওয়াও সম্ভব না। তবে বাসের সামনের সিটের ঠিক সামনে যেটুকু যায়গা আছে তাতে আমি শুয়ে পরতে পারব। এই বলে আমি সেখানে শুতে দেখি তাতেও সামনে যারা বসবে তাদের পা রাখার জায়গা কম পরবে।
তাতে আমার মাথায় একটা বুদ্ধি খুলে গেল। আমি ৩ মনিটরকে সামনের সিটে বসতে বললাম। আমি শুলে ওদের কম্ফর্টেবলি পা রাখার জায়গা কম মনে হল।
আমি উঠে বসে বললাম মূলত ২ টো অসুবিধা হবে এভাবে গেলে। এক, আমি নিচে শুলে তোমাদের পা রাখার জায়গা কম পরবে। আর ২, বাস খুব জোরে চলতে চলতে হঠাত ব্রেক টিপলে তোমাদের কোলে বসা মেয়েদের উলটে পরার চান্স অনেক।"
"কোনভাবে ঠিক ম্যানেজ হয়ে যাবে তমাদা। রিয়ারা গাড়িতে করে গেলে মজাটাই হবে না। আমরা ওদের শক্ত করে চেপে রাখব কোলে। ওরা পরবে না। আর পা আমরা ঠিক প্লেস করে রাখব। আর যদি বাইচান্স তোমার গায়ে একটু পা লেগেই যায় তুমি কি খুব মাইন্ড করবে তমাদা? তুমি ক্যারাটে শেখানোর সময়ে কিক মারা প্রাক্টিশ করার সময়ে তো আমাদের লাথিও লেগেছে তোমার গায়ে!"
আমার চেয়ে প্রায় ২২ বছরের ছোট ১৪ বছরের এক ছেলের আমার গায়ের উপরে পা তুলে আমার বোনঝিকে কোলে বসিয়ে বেড়াতে যাওয়ার প্রস্তাব আমার সাবমিসিভ কাকোল্ড মনে ঝড় তুলল!
" একদমই কিছু মনে করব না। বরং খারাপ লাগবে তোমরা যদি আমার কথা ভেবে পা গুটিয়ে বস। যদি নির্দিধায় জুতো পরা পা আমার গায়ের উপরে তুলে দাও তোমরা তাহলে আমার কোন সমস্যাই নেই।"
" ঠিক আছে। তাই করব তমাদা। শুধু আমাদের সবাই এক বাসে মজা করতে করতে গেলেই হল।" অনির্বান বলল।
তবে তোমাদের ব্যালেন্স আর নিরাপত্তার দিকটা আজকেই নিশ্চিত হয়ে নিতে হবে। তোমরা তিন জন যদি নির্দিধায় জুতো পরা পা আমার গায়ের উপরে তুলে দিয়ে বস, তাহলে ব্রেকে তোমাদের উলটে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না। কিন্তু আমার সন্দেহ হচ্ছে তোমাদের কোলে বসা মেয়েরা হঠাত ব্রেক কষলে উলটে যেতে পারে। তাই ঠিক কিভাবে ওরা বসলে সেই ভয় থাকবে না সেটা আজ পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিই আজ। তোমরা তিন জন বস। আর ৩ জন মেয়ে তোমাদের কোলে বসুক।"
তাই হল। তিন ক্লাস মনিটর ছেলের কোলে ৩ জন মেয়ে বসল। ৩ জন মেয়েকে কোলে বসিয়ে ৩ মনিটর ওদের পেটটা দুই হাতে চেপে ধরে বসল। ওদের পুরুষাঙ্গ মেয়েদের পাছার খাঁজে ঘসা খাচ্ছে ভেবে আমার এক বিকৃত আনন্দ হতে লাগল।
জানালার ধারের সিটে রিয়াকে কোলে নিয়ে বসেছে শতানিক। আমি উঠে ওর কাছে দাঁড়িয়ে একটু দেখে বললাম " দেখ, এখন যদি ব্রেক কসে তাহলে রিয়ার মাথা কাঁধ সহ upper body সামনের দিকে খুব দ্রুত হেলে যাবে। যেহেতু ও সিটে না বসে তোমার কোলে বসে তাই ওর উলটে পরার সম্ভাবনা প্রবল হবে। তোমার হাত যেহেতু অনেক নিচে ওর পেটের কাছে তাই তুমি জোরে চেপেও এটা ঠেকাতে পারবে না যদি তুমি ওর দেহের উপর দিকটা চেপে না থাক।"
শতানিক ওর কাঁধ দুটো ধরে বলল " কিন্তু এভাবে কাঁধ ধরে থাকলে তো হাত ব্যাথা হয়ে যাবে।"
" হ্যাঁ। সেটা করা যাবে না। তুমি ওর পেটের বদলে বরং বুকের কাছে হাত রাখ। তাহলে হাতও ব্যাথা হবে না। আবার ব্রেক কষলে তুমি ওর upper body কে পিছনেও ঠেলতে পারবে।"
আমার কথা শুনে মুচকি হেসে শতানিক ওর হাত দুটো তুলে আমার বোনঝি রিয়ার জামার উপর দিয়ে ওর দুই ব্রেস্টের উপরে রেখে বলল " ঠিক বলেছ তমাদা। এই ব্রেস্টের কাছে হাত রাখলেই সব দিক দিয়ে সুবিধা। তাছাড়া ব্রেস্ট গ্রিপ করতে সুবিধা বলে আরো সহজে ওকে চেপে ধরতে পারব।" এই বলে ও আমার সামনেই আমার বোনঝির ব্রেস্ট পরপর বেশ কয়েকবার পকপক করে টিপে দিল। ওর দেখা দেখি ওর পাশে বসা প্রান্তিক আর অনির্বানও ওদের কোলে বসা টিনা আর ইশার উপরে একই বিদ্যা প্রয়োগ করল।
আমার নুনু এই দৃশ্য দেখে উঠে দাঁড়িয়ে প্রায় স্যালুট করতে লাগল আমার ৩ ছাত্রকে!
আমি বললাম " গ্রিপ আরো ভাল হবে যদি তোমরা তোমাদের হাত ওদের জামার মধ্যে দিয়ে ঢুকিয়ে সরাসরি ওদের ব্রেস্টে রাখ। ব্রেস্ট হাত দিয়ে ধরে রাখবে। ইচ্ছা হলে টিপবে ইচ্ছা মত। তোমরা ক্লাস মনিটর। তোমরা ক্লাসের মেয়েদের ব্রেস্ট টিপতেই পার। এতে খারাপ কিছু নেই। ব্রেক করলে মেয়েদের ব্রেস্ট ধরেই নিজের দেহের দিকে অল্প ঠেললেই ওদের আর পরে যাওয়ার ভয় থাকবে না।"
আমি কথা শেষ হওয়ার আগেই দেখি ৩ মনিটরের হাত ৩ মেয়ের জামার ভিতরে ঢুকে গেছে। আমার চোখের সামনেই পকাপক করে নগ্ন স্তন টিপছে ওরা মেয়েদের।
এই দৃশ্য দেখে আমার নুনু পুরো খাঁড়া হয়ে প্যান্টের মধ্যে থেকেই ওদের স্যালুট করতে লাগল। আমি নিচে শুয়ে পরে বললাম কালকের tour এর একটা মিনি mock হয়ে যাক। মেয়েরা তোমরা সামনে হেলে পর হঠাত আর মনিটরেরা তোমাদের ব্রেস্ট ধরে চেপে তোমাদের ব্যালেন্স রাখুক।"
আমার কথায় ৩ জন মেয়েই তাই করল। আর মনিটরেরা ওদের ব্রেস্ট ধরে টেনে ওদের কোলের উপরে শক্ত করে বসিয়ে রাখল।
আমি বললাম এবার তোমাদের পায়ের দিকে নজর দেওয়া যাক। এখন তোমরা যেভাবে নিচে পা রেখেছ তাতে তোমাদের ব্যালেন্সের প্রব্লেম হবে। তোমরা স্বচ্ছন্দে আমার গায়ের উপরে পা তুলে দাও।"
আমি বলতেই প্রান্তিক আমার পেটে আর অনির্বান আমার বুকে ওদের জুতো পরা পা তুলে দিল। আর শতানিক আমার বোনঝি রিয়ার ব্রেস্ট টিপতে টিপতে নির্দিধায় ওর কালো চামড়ার বুট পরা পা আমার মুখের উপরে তুলে দিল। আমি দুই হাতে ওদের সবার দুই পা মিনিট খানেক করে টিপে দিলাম। আর ওরা টিপে চলল ওদের কোলে বসা মেয়েদের স্তন!
আমি আমার মুখের উপরে থাকা শতানিকের দুই কালো বুটের তলাতেই এরপরে বেশ কয়েকটা গাঢ় চুম্বন করলাম। এই কয়েক মিনিটেই ওর বুট পরা পা দুটো ভারি হয়ে আসছে আমার মুখের উপরে। কাল সারারাত কি করে সামলাব ভেবে এক সাথে ভয় আর উত্তেজনাকর এক ভাল লাগা কাজ করতে লাগল।
আমার নুনু এখন জাঙিয়া ভেদ করে সটান উঠে দাঁড়িয়ে স্যালুট করছে আমার ৩ ভগবান তুল্য ছাত্রকে! ৩৫ বছর বয়সী ভার্জিন অবিবাহিত আমাকে কোন মেয়ের সাথে সেক্স করতে দিলেও আমি এর অর্ধেকও উত্তেজিত হতাম না!
আমার খাঁড়া হয়ে ওঠা নুনুর উপরে প্রান্তিক ওর জুতো পরা একটা পা তুলে দিল। ওর জুতোর তলা দিয়ে আমার পেনিস চেপে ধরে ও ইশার ব্রেস্ট টিপতে লাগল। আর আমি শতানিকের বুট পরা ডান পায়ের তলায় একের পর এক চুম্বন করতে লাগলাম। শতানিক তখন ওর বুট পরা বাঁ পায়ের তলা ক্যাজুয়ালি আমার কপালে মুছছে। ব্যাপারটা যে এতদূর গড়াতে পারে তা আমার কল্পনারও বাইরে ছিল। আমার সারা জীবনের সব ফ্যান্টাসি আজ সত্যি হচ্ছে যেন!
প্রান্তিকের জুতোর তলায় আমার নুনু কাঁপতে লাগল। কিন্তু না। সুখ তো আমার মত সাবমিসিভের প্রাপ্য নয়। অন্তত প্রভুদের সুখ পাওয়ার আগে তো কিছুতেই নয়। প্রভুদের পেনিসের সুখ পাওয়ার ব্যাবস্থা আগে করা দরকার, নিজের পেনিসে সুখ নেওয়ার আগে। সেটাই প্রকৃত সাবমিসিভনেস আর কাকোল্ড!
আমি নিজে হাত দিয়ে প্রথমে প্রান্তিকের পা আমার নুনুর উপর থেকে সরালাম। তারপরে সবার পাই যত্ন সহকারে সরিয়ে বললাম কাল তোমরা সবার সামনে ক্যাজুয়ালি এইভাবে আমার গায়ের উপরে পা তুলে দিয়ে যেও। আমার শরীরের যেখানে খুশি বুট পরা পা রাখতে পার তোমরা। ইচ্ছা হলে লাথি মারতে পার বা পাপোষের মত আমার গায়ে জুতোর তলাও মুছতে পার। কোন সমস্যা নেই। তবে মেয়েদের ব্যালেন্সের ব্যাপারে এখনও আমার একটা খটকা আছে।"
অনির্বান বলল " হাত দিয়ে ব্রেস্ট ধরে টিপতে টিপতে গেলে তো সমস্যা হওয়ার কোন চান্স দেখছি না। ওদের upper body পুরোই আমাদের হাতের নিয়ন্ত্রনে থাকবে। ব্রেক টিপলেই আমরা দুই হাতে ওদের ব্রেস্ট ধরে আমাদের গায়ের সাথে চেপে ধরব ওদের। ওরা এক ইঞ্চিও সামনে যাবে না।"
" তা ঠিক। কিন্তু হাত শুধু ব্রেস্টে থাকলে lower body এর balance এ সামান্য সমস্যা হতে পারে। খুব ভাল হয় যদি ওখানে অল্প হলেও একটা ব্যালেন্সের ব্যাবস্থা করা যায়।"
" তা যায়ই তো। তোর যেটা আমার বুটের তলায় খাঁড়া হয়ে গিয়েছিল আমাদের সেটা মেয়েদের ওইখানে ঢুকিয়ে দিলেই তো নিচেও ব্যালেন্স হয়ে যাবে!" ইশার ব্রেস্ট টিপতে টিপতে প্রান্তিক কথাটা বলেই প্যান্টের চেন খুলে নিজের পেনিস বার করল।"
" হ্যাঁ। একদম ঠিক বলেছ। আর মেয়েদের ব্রেস্ট যেমন তোমরা ইচ্ছামত টিপতে পার তেমনই মেয়েদের যোনিতেও তোমরা ইচ্ছামত শিশ্ন চালাতে পার। তোমরা ক্লাস মনিটর। এতে খারাপ কিছু তো নেইই বরং এটা তোমাদের অধিকার। কি মেয়েরা, তোমাদের ভ্যাজাইনাতে ওরা পেনিস ঢোকালে বা তোমাদের সাথে ইচ্ছামত সেক্স করলে তোমাদের কোন আপত্তি নেই তো?"
৩ ক্লাস মনিটরের পেনিস নিজেদের হাতে নিজেদের যোনিতে ঢোকাতে ঢোকাতে ৩ জন মেয়েই একসাথে বলে উঠল " না আপত্তি কেন থাকবে? বরং খুব ভাল লাগবে আমাদের!"
আমি বললাম " কোন চিন্তা নেই তোমাদের। ইচ্ছা মত সেক্স কর। মেয়েদের যোনির ভিতরে সিমেন ফেল ইচ্ছা হলে। ওদের পিল কিনে খাওয়ানোর দায়িত্ব আমার।" এই বলে আমি এবার মেঝেতে উপুড় হয়ে শুয়ে পরলাম। ৩ জন মনিটরের জুতোয় পালা করে চুম্বন করতে করতে নিজের পেনিস বাসের মেঝেতে ঘসতে লাগলাম।
উফ, কাল বাসে আমার সব ছাত্রের চোখের সামনে আমার ৩ জন ক্লাস মনিটর ছাত্র আমার গায়ের উপরে জুতো পরা পা রেখে বসে সেক্স করবে ওদের ক্লাস মেট মেয়েদের সাথে! ভাবতে ভাবতে উত্তেজনায় আমার পেনিস কাঁপতে কাঁপতে বীর্য ঢেলে দিল অনির্বানের জুতো জোড়ায় একের পর এক চুম্বন করতে করতে।
বীর্য ফেলে আমি আবার সোজা হয়ে শুলাম। ওরা আবার আমার গায়ের উপরে বুট পরা পা তুলে দিল মেয়েদের যোনি শিশ্ন দিয়ে ভোগ করতে করতে। আমি আমার মুখের উপরে রাখা শতানিকের জুতো পরা পা দুটো টিপতে টিপতে ওর বুটের তলা চাটতে লাগলাম পাগলের মত। আর আমার প্রভু ছাত্র শতানিক আমার মুখে বুটের তলা ঘসতে ঘসতে আমার বোনঝি রিয়াকে প্রানভরে যৌনভাবে ভোগ করতে লাগল ওর যোনিতে শিশ্ন ঢুকিয়ে!
এই তো সবে শুরু! কাল সারা ক্লাসের সামনে আমি এইভাবে আমার প্রভুদের সেবা করব। এই ভাবতে ভাবতে আমি পাগলের মত চাটতে লাগলাম আমার চেয়ে ২২ বছরের ছোট প্রভু ছাত্রের বুটের তলা!
Comments
Post a Comment