কালু, তার মা-বোন আর ৩ প্রভু
আমার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন কিছু ঘটনা ও চরিত্রর উপরে ভিত্তি করে লেখা একটি গল্প :-
তখন আমাদের মাধ্যমিক পরীক্ষার পরে ছুটি চলছে। আমার তিন ফর্শা, অসাধারন সুন্দর চেহারার প্রভু ক্লাস মনিটর আমাদের বাড়িতে এসেছে। সময়টা সন্ধ্যাবেলা। আমি, আমার মা আর ছোট বোন তিন্নি আর আমার তিন প্রভু অভিজিত, শতানিক আর শিলাদিত্য একই ঘরে তখন।
তিন প্রভু অবশ্যই জুতো পরেই ঘরে ঢুকেছে। অভিজিত ঘরের ডবল বেডে আরাম করে শুয়ে আছে। তার কোলে মাথা রেখে শুয়ে আমার বোন। অভিজিত আমার বোন তিন্নির চুলের মুঠি ধরে ঝাঁকাচ্ছে আর দুই গালে থাপ্পর মারছে মাঝে মাঝে। অভিজিতের ফর্শা সুন্দর পেনিসটা প্যান্টের চেন খুলে বাইরে বার করা। প্রভু অভিজিত যতবার আমার বোনের গালে থাপ্পর মারছে আমার বোন ততবার ওর পেনিস কিস করে ওকে ধন্যবাদ দিচ্ছে।
বড় ঘরের মাঝ খানে রাখা খাটটা। এর দুই পাশে দুটো সোফা সেট। শিলাদিত্য আর শতানিক সেই দুটোতে বসে আছে। আমার মা প্রভু শতানিকের পায়ের কাছে বসে ওর পা টিপে সেবা করছে। আর আমি প্রভু শিলাদিত্যের পায়ের তলায় শুয়ে আছি। প্রভুর পায়ে এক জোড়া কালো চামড়ার বুট জুতো। সেই বুটের তলা প্রভু আমার সারা মুখে ঘসছে আর মাঝে মাঝেই বুট পরা পা তুলে আমার মুখে গায়ের জোরে লাথি মারছে। আমি ভক্তিভরে প্রভুর পা টিপতে টিপতে তার দুই বুটের তলায় চুম্বন করতে করতে তার কাছে কাতর কন্ঠে অনুরোধ করে চলেছি আমার বোনের দেহ ভোগ করার জন্য। আমার বোনের যোনিকে বীর্য ফেলার ডাস্টবিন হিসাবে ইউজ করার জন্য। সেই সাথে মাঝে মাঝেই পরম ভক্তিতে প্রভুর বুটের তলা জিভ দিয়ে চেটে পরিস্কার করে দিচ্ছি।
আমার কাতর অনুরোধে প্রভু শেষে রাজি হল। আমার বোনের দেহটাকে টেনে খাটের কোনায় ওর যোনিটাকে সেট করল। এখনো বোন অভিজিতের কোলে মাথা রেখে শুয়ে। সেই অবস্থায় শিলাদিত্য উপুড় হয়ে শুয়ে থাকা বোনের যোনিতে নিজের লিঙ্গ ঢুকিয়ে দিল। তারপর দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় আমার বোনের যোনিতে নিজের লিঙ্গ ঢোকাতে আর বার করতে লাগল। দুই হাতে আমার বোনের কোমড় জড়িয়ে ধরে প্রভু শিলাদিত্য প্রবল বেগে নিজের লিঙ্গ আগু পিছু করতে করতে ভোগ করতে লাগল আমার বোনের যোনিকে।
প্রভু অভিজিত আমার বোনের গালে বেশ জোরে একটা থাপ্পর মেরে আমার বোনকে বলল " এই মাগি, ঠাপ খেতে খেতে আমার বাঁড়াটা চুষে দে।"
আমার বোন প্রবল ভক্তিভরে তার প্রভু অভিজিতের লিঙ্গ মুখে পুরে চুষে তাকে যৌন সেবা দিতে লাগল। পাশে তাকিয়ে দেখি মা দুই হাত দিয়ে পালা করে এখনো শতানিকের পা দুটো টিপে দিচ্ছে। কিন্তু এখন শতানিকের লিঙ্গ মায়ের মুখের ভিতরে! মা প্রভুকে একইসাথে পা টিপে আর লিঙ্গ চুষে সেবা করছে!
আমি উঠে অভিজিতের পায়ের কাছে মেঝেতে বসলাম। খাটের ধারে থাকা প্রভু অভিজিতের সাদা স্নিকার পরা পা দুটো রাখা। আমি সেই দুটো দুই হাতে ধরে তার তলায় নিজের মুখটা ঘসতে লাগলাম। প্রভুর জুতোর তলার ময়লা আমার সারা মুখে লেগে যেতে লাগল। সেই সাথে আমি জিভ বার করে চাটতে লাগলাম প্রভুর জুতোর তলা। আমার বোন আর মা মেয়ে হওয়ায় কি সুন্দর প্রভুদের যৌন সেবা দিতে পারে। আমি ছেলে হয়ে জন্মানোতে সেই সুখ থেকে বঞ্চিত। এর বেশি আর কিই বা সেবা করতে পারি আমি?
প্রভু শিলাদিত্য তার পেনিস দিয়ে একটানা আমার বোনের যোনি ভোগ করে যাচ্ছে। প্রভু অভিজিত আমার বোনকে দিয়ে পেনিস চোষাতে চোষাতে আমার মুখে জুতো পরা ডান পায়ে বেশ জোরে একটা লাথি মেরে বলল, " তোর বোন শিলার ঠাপ খাচ্ছে আর আমার পেনিস চুষছে। তোর রেন্ডি মাগি মাও শতার বাঁড়া চুষছে। আর তুই আমার পায়ের তলায় বসে আমার জুতোর তলা চাটছিস। তোদের ফ্যামিলির কারো কোন লজ্জা বোধ নেই নাকি কুত্তা?"
আমি মুখে প্রভু অভিজিতের জুতো পরা পায়ের লাথি খেয়ে তার জুতোর তলায় গাঢ় চুম্বন করে তাকে ধন্যবাদ দিয়ে বললাম " কিসের লজ্জা প্রভু? তোমরা আমাদের প্রভু, আমাদের মালিক। আমরা তো তোমাদের সম্পত্তি মাত্র। তোমাদের খুশি করার উদ্দেশ্যেই আমরা জন্মেছি। তোমাদের সেবা করে খুশি করতে পারছি এ তো আমাদের পরম সৌভাগ্য প্রভু।"
অভিজিত আমার ভক্তিভরা উত্তর শুনে খুশিই হল। তবু আবার আমার মুখে লাথি মেরে বলল " স্কুলে প্রতিদিন সবার সামনে আমাদের লাথি খাস তুই, আমাদের জুতো চাটিস। লাস্ট তিন বছরে বোধহয় বেঞ্চে বসে একটাও ক্লাস করিস নি তুই। সব সময় সব পিরিয়ডে স্যার আর ক্লাস শুদ্ধু ছেলেদের সামনে তুই আমাদের পায়ের নিচে শুয়ে থাকিস। আমাদের জুতো পরা পা থাকে তোর মুখের উপরে। আমরা তোর মুখে ইচ্ছা মত লাথি মারি। আর তুই আমাদের জুতোর তলা চাটতে চাটতে আমাদের পা টিপে সেবা করিস। সারা ক্লাস দেখে আর হাসে। তোর এতেও কোন লজ্জা হয় না?"
প্রভুর মুখে এইসব কথা শুনতে আমার খুব ভাল লাগছিল। আমি জিভ বার করে প্রভুর জুতোর তলা চাটতে চাটতেই বলি " না প্রভু। এ তো আমার পরম সৌভাগ্য যে আমি তোমাদের সেবা করার সুযোগ পাচ্ছি।"
প্রভু আমার মুখে পরপর ৩-৪ টে লাথি মেরে বলে " তুই জানিস তুই আসলে চুরি করিস নি। আমি মজা নেবার জন্য সেটা জেনেই ইচ্ছা করে তোর উপরে চুরির অভিযোগ এনেছিলাম। এটা জেনেও তোর রাগ হয় না? তুই উলটে আমার স্লেভ হয়ে নিজেদের টাকা সম্পত্তি মা বোন সব আমাদের জুতোর তলায় সমর্পন করে দিলি?"
আমি প্রভু অভিজিতের জুতোর তলায় চুম্বন করতে করতে বলি " আমি জিনিস নিয়েছি কিনা তাতে কিছু আসে যায় না প্রভু। তোমরা তিন প্রভু আমার ভগবান। তোমরা আমাকে চোর বলেছ যখন তখন সেটাই সত্যি। আমি জিনিস নিলেও আমি চোর, না নিলেও চোর। তোমাদের সম্পুর্ন অধিকার আছে সারা ক্লাসের সামনে আমার মুখে লাথি মেরে আমাকে দিয়ে জুতো চাটিয়ে আমার মা বোনের দেহ যেমন ইচ্ছা ভোগ করে সেই অপরাধের শাস্তি দেওয়ার।"
প্রভু অভিজিত আমার উত্তর শুনে হেসে ফেলে। তারপর আমার মুখে পরপর আরো কয়েকটা লাথি মেরে বলে "আমার জুতোর তলায় মুখ ঘসতে ঘসতে ভাল করে আমার পা টিপে দে কুত্তা।" তারপর আমার বোনের গালে থাপ্পর মেরে বলে " শুধু শিলার কাছে ঠাপ খাওয়ায় মন দিলে চলবে না রে রেন্ডি মাগি। ভাল করে আমার বাঁড়াটা চুষে দে।"
আমার বোন সরি বলে খুব মন দিয়ে প্রভু অভিজিতের পেনিস টা চুষে দিতে থাকে। পেনিসের গোড়াটা ডান হাতে ধরে আমার বোন তিন্নি ঠিক লালিপপের মত করে চুষে দিতে থাকে প্রভু অভিজিতের লিঙ্গ। প্রভু অভিজিত ডান হাত দিয়ে আমার বোনের চুলের মুঠি ধরে ওকে দিয়ে নিজের লিঙ্গ চোষাতে থাকে বেশ ভায়োলেন্টলি। সাথে বাঁ হাত দিয়ে আমার বোনের স্তন জোড়া ইচ্ছামত টিপে খেলতে থাকে প্রভু।
শিলাদিত্য তখনো এক নাগাড়ে ঠাপিয়ে চলেছে আমার বোনকে। ওর লিঙ্গ আমার বোনের যোনিতে ক্রমাগত ঢুকছে আর বেরোচ্ছে। প্রভুর মুখ দেখেই বোঝা যাচ্ছে এইভাবে ইচ্ছা মত আমার বোনকে ঠাপিয়ে সে কত সুখ পাচ্ছে। যে বয়সে ছেলেরা চটি বই পড়তে পেলেই খুশি হয় সেই বয়সে সে একটা মেয়েকে তার মা আর দাদার চোখের সামনে নিজের পোষা দাসী বা স্লেভের মত ভোগ করছে। যখন খুশি ইচ্ছা হলেই তার প্যান্টি খুলে তার যোনিতে পেনিস ভরে দিয়ে ঠাপাতে শুরু করলেই হল! বরং তিন্নির মা আর দাদা তার জুতোয় চুমু খেয়ে তাকে অনুরোধ করে তিন্নির যোনিটা বীর্য ফেলার ডাস্টবিন হিসাবে ইউজ করার জন্য! আর এই সুপিরিওরিটি আর পাওয়ারই প্রভুদের যৌনতা আরো বাড়িয়ে দেয়। তাই প্রভু শিলাদিত্য প্রায় ১৫ মিনিট ধরে এইভাবে অবিরাম ঠাপিয়ে চলতে পারছে আমার বোনের যোনি!
আমি প্রভু শিলার আমার বোনের যোনিতে সঙ্গম করা দেখতে দেখতে প্রভু অভিজিতের জুতোর তলায় মুখ ঘসতে ঘসতে তার পা টিপে চলি। প্রভু শতানিক ততক্ষনে তার কালো স্নিকার পরা ডান পা আমার মাথার উপরে তুলে দিয়েছে। আমার মা প্রভু শতানিকের বাঁ পা টিপতে টিপতে পরম ভক্তিভরে তার পেনিস চুষে তার সেবা করছে। তবে প্রভুদের সবচেয়ে বেশি সেবা করে তাদের সবচেয়ে বেশি আনন্দ নিঃসন্দেহে দিচ্ছে আমার বোন তিন্নি। একদিকে তার যোনিকে বীর্য ফেলার ডাস্টবিন ভেবে যেমন খুশি ভোগ করছে প্রভু শিলাদিত্য। আর সেই অবস্থায় বোন প্রভু অভিজিতের পেনিস মুখে নিয়ে পরম ভক্তি ভরে চুষে দিচ্ছে। আর তার স্তনও প্রভু অভিজিতের হাতে কচলা খেয়ে প্রভুকে চরম সুখ দিচ্ছে। সত্যি, বোনের কত সৌভাগ্য যে দুই প্রভুকে একই সময়ে এই পরিমান যৌন সুখ দিয়ে সেবা করতে পারছে সে।
হায়! আমি তো ছেলে হতে জন্মেছি। আমার আরাধ্য তিন দেবতা, আমার তিন প্রভুর তেমন বেশি সেবা করে এত সুখ দেওয়ার সামর্থ্য তো আমার নেই। যেটুকু আমি করতে পারি তাতেই মন দিই। প্রভু শতানিক আমার মাথাটাকে ফুট রেস্ট হিসাবে ব্যাবহার করতে থাকে। আর আমি প্রভু অভিজিতের জুতোর তলা চেটে পরিস্কার করতে করতে ভক্তি ভরে তার পা টিপে দিয়ে তাকে সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করতে থাকি।
Comments
Post a Comment