mini stories 3 & 4
স্টোরি ৩... ( FM/m, কুকোল্ড)...
আমার শোয়ার ঘরের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ, কিন্তু কি হোলে চোখ রেখে ভিতরের দৃশ্য ভালই দেখতে পাচ্ছিলাম। আমার ১৮ বছর বয়সী স্ত্রী প্রিয়ার ঠোঁটে ঠোঁট রেখে পাগলের মত ওকে চুম্বন করে চলেছে শতানিক। ওর হাত দুটো ব্লাউজের উপর দিয়ে আমার স্ত্রীর স্তন দুটি মর্দন করে চলেছে। আমার স্ত্রী প্রবল শারীরিক সুখে শিতকার করছে।
একটু পরে শতানিক আমার স্ত্রীর হাত ধরে খাটে টেনে নিয়ে গেল। কি হোলে চোখ রেখে একটু অস্পস্টভাবে চোখে পরল ওরা সংগমে মত্ত হয়েছে। প্রবল সুখে দুজনের মুখ থেকেই শিতকার বেরোচ্ছে।
আশ্চর্যের ব্যাপার হল রাগের বদলে প্রবল যৌন উত্তেজনায় আমার লিঙ্গ শক্ত হয়ে উঠেছে। আমি চাদরের আড়ালে ওদের সংগমরত অবস্থায় দেখতে দেখতে প্রবল উত্তেজনা সহ্য করতে না পেরে নিজের দৃঢ় যৌনাঙ্গ হাতে নিয়ে নাড়তে লাগলাম!
এ কি করছি আমি? শতানিকের বয়স ১৪, ক্লাস ৯ এর স্টুডেন্ট। আর আমি ওদেরই স্কুলের টিচার বয়স ২৬। আর আমারই ছাত্র, আমার থেকে এত ছোট, সে আমার বউকে এইভাবে আমারই সামনে ভোগ করছে তাতে এত যৌনভাবে উত্তেজিত হচ্ছি কেন আমি? শতানিক আর প্রিয়া দুজনেই ফরশা, আর সুন্দর চেহারার বলে? প্রিয়া আমার বউ হলেও কুশ্রী চেহারার আমার কোন অধিকার নেই ওর দেহর দিকে নজর দেওয়ার এটা সত্যিই কি আমি বিশ্বাস করি তাহলে? এখন থেকে রোজ আমার চোখের সামনে সুন্দর চেহারার শতানিক আমার বউয়ের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করবে আর আমি তা দেখে হস্তমৈথুন করতে পারব ভাবতেই এক অদ্ভুত বিকৃত আনন্দের ঢেউ উঠল সারা শরীরে। বেশ করবে ওরা। শারীরিক সুখ পাওয়ার অধিকার শুধু ফরশা, সুন্দর চেহারার মানুষদের। কালো কুশ্রী চেহারার আমি ওদের মিলিত হতে দেখে হস্তমৈথুন করার সুখের বেশি আর কি আডা করতে পারি?
নিজেকে যত তুচ্ছ ভাবতে লাগলাম তত যৌন উত্তেজনা বাড়তে লাগল আমার। পুরুষাঙ্গ দিয়ে বীর্য বের হয়ে মেঝে ভাসিয়ে দিতে বেশি সময় লাগল না। আমি মেঝে মুছে রান্নাঘরে গিয়ে টিফিন বানাতে লাগলাম। আমার বউকে শারীরিকভাবে ভোগ করে আমার ১৪ বছর বয়সী সুন্দর চেহারার ছাত্র শতানিক ক্লান্ত হয়ে পরতে পারে। তার আর আমার স্ত্রীয়ের জন্য টিফিন বানাতে বানাতে স্বপ্ন দেখতে লাগলাম টিফিন খেতে খেতে আমাকে দিয়ে হাত পা টেপাচ্ছে প্রিয়া আর শতানিক!
স্টোরি ৪.... ( FM/fm, inter-racial)...
অজিতের মাধ্যমিক শেষ হওয়ার পর ওর বাবা প্রথম যখন বলেছিল ওরা কোলকাতা ছেড়ে উত্তরবাংলার এক গ্রামে চলে যাচ্ছে বাবার পোস্টিং এর জন্য তখন ওর খুব খারাপ লেগেছিল। কিন্তু এই একমাসে ওর জীবন পুরো বদলে গেছে। এই সুখ ছেড়ে সে ভুলেও একদিনের জন্য কোলকাতাতে ফিরতে চায় না, পুরনো প্রেমিকা প্রাচির জন্যও না।
সত্যি, এরকম সুখের যে জীবন হতে পারে সেটা ভাবতে এখনো তার কষ্ট হয়। প্রথমে তো খালি মনে হত এটা সত্যি না, সে স্বপ্ন দেখছে! এই গ্রামের নাম কুমোরগ্রাম, এখানে সব লোকই নিচু জাতের, আর তারা ব্রাহ্মণ। এখানকার প্রতিটা লোক মন থেকে বিশ্বাস করে সৃস্টিকর্তার মাথা থেকে সৃস্টি হয়েছে ব্রাহ্মনেরা, আর ব্রাহ্মণদের পা থেকে বাকি নিচু জাতেরা। তারা বিশ্বাস করে যেকোন ব্রাহ্মনের পুর্ন অধিকার আছে যেকোন নিচু জাতের মানুষের উপরে যেকোন অত্যাচার করার, তাতে বাধা দেওয়ার কোন অধিকার নেই নিচু জাতের মানুষদের!
প্রথম দুই দিন এই সুখ বিশ্বাস করতেই কেটে গেল অজিত আর ওর দুই বছরের ছোট বোন ঐষীর। দ্বিতীয় দিন বিকালে সে বাড়ির চাকর অম্বুকে ধরে গাছের সাথে বেঁধে বেল্ট দিয়ে ভয়ানক মারল। বাঁধন খুলতেই অম্বু উলটে তার জুতো পরা পায়ে চুম্বন করতে করতে তাকে ধন্যবাদ দিতে লাগল!
সে জবাবে জুতো পরা পায়ে অম্বুর মুখে লাথি মারতে লাগল। সে যত মারে অম্বু তত খুশি হয়ে তার জুতোয় আরো ভক্তিভরে চুম্বন করে। কারন তার চোখে ব্রাহ্মন মানে ভগবান, ভগবান তো তার সৃস্টিকে অত্যাচার করতেই পারে!
ঐশীও তার সাথে কিছুটা অত্যাচার করল অম্বুর উপরে। এই প্রবল ক্ষমতার স্বাদ অজিতকে প্রবল যৌনভাবে উত্তেজিত করে তুলছিল। সে একটু পরে বেশ কিছুক্ষন ছোট বোন ঐশীকে জড়িয়ে ধরে তার ঠোঁটে ঠোঁট ডুবিয়ে চুম্বন করল। তারপর বিছানায় শুয়ে পাশ বালিশে ঘসে বীর্য ক্ষরন করে কিছুটা শান্ত হল।
ক্ষমতা ও সুখের পুরো স্বাদ সে পেল পরদিন স্কুলে গিয়ে। সিনিয়ার জুনিয়ার সব ছেলে ব্রাহ্মন দেখতে পেয়ে তার আশির্বাদ নেওয়ার জন্য তার পায়ের তলায় শুয়ে পরল। কয়েকশো ছাত্রর মুখ জুতোর তলায় মাড়িয়ে সে স্কুলে ঢুকল। ক্ষমতার আনন্দে তার মাথা ঝিম ঝিম করছে তখন। চামড়ার চাবুক দিয়ে যার খুশি পিঠে মারছে সে, জবাবে যে মার খাচ্ছে সে তার জুতোর উপরে চুম্বন করে ধন্যবাদ দিচ্ছে তাকে। ছাত্র তো বটেই, যে কোন টিচারকেও ইচ্ছা মত যত খুশি চড় মারতে পারছে গালে, জুতো পরা পায়ে লাথি মারতে পারছে মুখে। তার জুতোর তলা জিভ দিয়ে চেটে পরিস্কার করে দেওয়ার সৌভাগ্য পাওয়ার জন্য নতুন স্কুলের স্যারেরা তার জুতোর উপর চুম্বন করতে করতে ভিক্ষা করছে তার কাছে। আর সে তখন স্কুলের সবচেয়ে সুন্দরী মেয়েদের পাশে বসিয়ে তাদের দেহ ভোগ করতে শুরু করেছে। কোন মেয়ের ঠোঁটে সে ঠোঁট ডুবিয়ে দিচ্ছে তো দুই হাত দিয়ে আরেক মেয়ের স্তন মর্দন করছে সে। তার উত্থিত লিঙ্গ তখন আবার অন্য এক মেয়ের মুখে। সেই মেয়ে পরম ভক্তিতে চুষছে 'পৃথিবীর বুকের ভগবান' এক ব্রাহ্মনের যৌনাঙ্গ! সত্যি, কি পরম সৌভাগ্যের ব্যাপার তার কাছে এটা!
আর অজিত? দুই স্যারের মুখে জুতো পরা দুই পা রেখে বসে এক সুন্দরী জুনিয়ার মেয়েকে দিয়ে নুনু চোষাতে চোষাতে সে ভাবছে আজ রাতে কোন কোন মেয়েকে সে শয্যাসঙ্গী করবে।! আর তার আগে আর কি কি অত্যাচার সে করতে পারে স্কুলের নিচু জাতের স্টুডেন্ট ও ছাত্রদের উপরে? কেমন হয় ওদের গাড়ির পিছনে বেঁধে জোরে গাড়ি ছোটালে? কিম্বা জুতো পরা পায়ের তলায় একজন স্যারের নাক আর গলা চেপে ধরে দম বন্ধ করে পিষে মারলে? কিম্বা স্রেফ মুখে লাথি মারতে মারতে কোন ছেলেকে প্রানে মেরে ফেললে? উফ, ভাবতেই কি সুখ! এই ভাবনাই তার লিঙ্গকে আরো উত্তেজিত করে তুলল, প্রবল উত্তেজনায় সে বারবার নুনু ঠেসে ধরতে লাগল তার নুনু চুষতে থাকা সুন্দরী মেয়েটির মুখে। অবশেষে সুখ ঘিরে ধরল তাকে, প্রবল আনন্দে কাঁপতে কাঁপতে তার নুনু বীর্যপাত করে দিল সুন্দরী জুনিয়ার মেয়েটির মুখে।
Comments
Post a Comment