লুজারের জীবন দর্শন ৫.....

 লোকে বিডিএসএম বা স্লেভারিকে এখন একটা সেক্সুয়াল ফ্যান্টাসি হিসাবে দেখে। আমার সেরকম মনে হয় না। আমার মনে হয় একটা অসাম্যপূর্ন সমাজকে তবেই সবাই খুশি মনে মেনে নিতে পারবে যখন তাতে অত্যন্ত স্পষ্ট ভাবে মানুষকে সুপিরিওর ও ইনফিরিওর হিসাবে ভাগ করা হবে।

আজকের যুগে আমরা মানুষের মনস্তত্বর জ্ঞান থেকে খুব সহজেই এই কাজটা করতে পারি।

 আমার ধারনা টপ ৫% পুরুষকে টপ গডের পজিশান দেওয়া উচিত। এরপরের ৭০% পুরুষ সাধারন ও শেষ ২৫% পুরুষ টপেদের স্লেভ ও প্রপার্টি।

মেয়েদের মধ্যেও উঁচু নিচু থাকলেও তা প্রাকৃতিক নিয়মে ছেলেদের মত স্পষ্ট হবে না। যেকোন মেয়েকে যেকোন ভাবে যেকোন স্থানে ভোগ করার অধিকার থাকা উচিত এই টপ ৫% ছেলের।

ছোট থেকেই মেয়েদের তাই শেখানো উচিত এই টপেদের অধিকার আছে তাদের শরীর যেভাবে খুশি ভোগ করার। আর সমাজে টপ মোস্ট পজিশানে থাকা পুরুষের সাথে সেক্স করা বায়োলজিকাল কারনেই সব মেয়ে চায়। তাদের ব্রেইন ভাবে এতে তাদের পরবর্তী প্রজন্ম অনেক উন্নত ও সমাজে প্রতিষ্ঠিত হবে। আর মাত্র ৫% পুরুষের যাবতীয় যৌন চাহিদা সম্পুর্ন পুরন করতে সব মেয়েদের কোন অসুবিধাও হবে না।

তবে খুব কম বয়স থেকে স্কুল, পরিবার ও সমাজে এই শিক্ষা দিতে হবে। স্কুলে ক্লাস রুমেই যদি এই টপ ছেলেদের কেউ কোন মেয়েকে বাকি সবার সামনে যৌনভাবে ভোগ করতে শুরু করে তাহলে তাকে অবশ্যই এনকারেজ করা উচিত। স্যারের পরানোর সময়েও ইচ্ছা হলেই টপ ছেলে ক্লাসের কোন মেয়েকে ক্লাসরুমের মধ্যেই ফাক করতে শুরু করতে পারে।

মাঝের ৭০% ছেলে এখনকার সাথে তুলনীয় সাধারন জীবন যাপন করবে। তারা একটা করে বিয়ে করতে পারবে,,বিবাহ বহির্ভুত কিছু না। তবে তার বউকে যখন খুশি তার সামনেই ভোগ করার সম্পুর্ন অধিকার থাকবে এই টপেদের। টপেদের চাহিদা সবার উপরে। এই ঘটনা কাকোল্ড পাথওয়ে এক্টিভেট করবে সাধারন ছেলেদের। আর স্পার্ম কম্পিটিশানের কারনে তাদের সেক্স চাহিদাও বাড়বে ও যৌন জীবন উপভোগ্য হবে।

টপ ছেলেরা কোন কাজ করবে না জীবনকে সব ভাবে উপভোগ করা ছাড়া । সমাজের সব কিছুর মূল মালিক তারা হবে। যেকোন মেয়েকে যেভাবে খুশি ভোগ করার অধিকার তাদের থাকবে। সাধারনদের যেমন সেক্স করতে হবে শুধু নিজের বউয়ের সাথে বেডরুমে, সেরকম কোন নিয়ম টপেদের ক্ষেত্রে থাকবে না। তারা প্রকাশ্যে স্কুলে কলেজে ট্রেনে বাসে গাড়িতে পার্কে যেকোন মেয়েকে যখন খুশি ভোগ করতে পারবে।

বটম ২৫% ছেলে হবে টপেদের সম্পত্তি, স্লেভ। টপেরা তাদের গলায় ডগ বেল্ট পরিয়ে রাখবে। নিজেদের জুতো চাটিয়ে পরিস্কার করাবে। কথায় কথায় লাথি ঘুসি আর চাবুক মারবে। আর প্রতিটা মার খেয়ে বটমদের কাজ হবে টপেদের জুতোয় চুম্বন করে ধন্যবাদ দেওয়া। তাদের চোখের সামনে ছোট থেকে টপেরা মেয়েদের ভোগ করবে। আর তারা সারাজীবন ভার্জিন থেকে যাবে।

ছোট থেকেই তাদের স্থান হবে টপেদের জুতোর তলায়। স্কুলে ক্লাস চলার সময় টপেদের জুতো পরা পা থাকবে বটমদের মুখের উপরে। তারা প্রভুদের জুতোর তলা চাটতে চাটতে পা টিপে দেবে। আর প্রভুরা তাদের মুখে যত খুশি লাথি মারবে।

স্কুলে,  বাড়িতে,  সমাজে খুব কম বয়স থেকে তাদের এইভাবে বড় করলে তাদের মাথার সাবমিসিভ পাথওয়ে এক্টিভেট হবে। যতবার প্রভুরা তাদের অপমান করবে লাথি মারবে আর তারা প্রভুদের জুতোয় চুম্বন করে ক্ষমা চাইতে পারবে ততবার তারা এক্সট্রিম সেফ ফিল করবে, সাবমিসিভ মেন্টালিটির কারনে সেক্সুয়াল পাথওয়ে এক্টিভেট হয়ে তাদের এই লাইফ এঞ্জয় করা শেখাবে। তাদের কাছে আনন্দ মানেই হবে টপ ৫% জীবন ভোগ করতে দেখা আর তাদের সেবা করা।

এই জীবনে সবার অবস্থান পরিস্কার হওয়ায় কোন স্ট্রেস থাকবে না সমাজে। সবাই স্ট্রেস ফ্রি সুস্থ জীবন যাপন করতে পারবে। যারা তলায় আছে তাদের আপোয়ার্ড মুভ করার চান্স দেওয়ার নামে জীবনকে যন্ত্রনা ও স্ট্রেসফুল করে তোলার যে ভয়ানক কার্যক্রম চলছে তা বন্ধ হবে। সবার জীবনেই স্ট্রেস কমে যাবে uncertainty না থাকায়। হার্ট এটাক সহ বেশিরভাগ রোগের মুল কারন এক্সট্রিম স্ট্রেস। ফলে হার্ট এটাক সহ যাবতীয় রোগের পরিমান ভীষণ কমে যাবে।

 অবশ্য টপেদের অধিকার থাকবে ইচ্ছা হলেই মারতে মারতে যে কোন বটমকে মেরে ফেলার। বটমের মুখে বুট পরা পায়ে লাথি মারতে মারতে মেরে ফেললে সেই টপকে পুরষ্কারও দেওয়া হবে। তাই সব বটম সারাদিন নিজেকে টপেদের কাছে এক্সট্রিম ইউজফুল প্রমান করার চেষ্টা করবে যাতে টপেরা তাদের এখনই মেরে না ফেলে।

তাদের বয়স যখন ৭০+ হবে,  কাজ করতে পারবে না, তখন ১০-১৫-২০-২৫ এর ইয়ং টপেরা যেন তাদের লাথি মারতে মারতে মেরে ফেলে তাদের প্রভুদের জুতোর তলায় জীবন শেষ করার সৌভাগ্য দেয়।

এটাই হবে আদর্শ সমাজ। টপ ছেলেদের জন্য পুরোই হেভেন। সাধারন ছেলেরাও পাবে টপেদের হাতে তাদের বউকে ভোগ হতে দেখার আনন্দ।

 বটমেরা পাবে টপেদের প্রপার্টি হয়ে তাদের স্লেভ হয়ে সেবা করার মহা সুখ। আর প্রতিটা মেয়ে পাবে সমাজের টপ ৫% ছেলের সাথে প্রকাশ্যে সেক্স করার আনন্দ।

ছেলেদের টপ,  সাধারন,  বটম কিভাবে ঠিক হবে? অবশ্যই বাচ্চা বয়সেই লুক আর ডমিনেটিং- সাবমিসিভ এটিচিউড দেখে।

এই সমাজে কাউকে ব্রেইন ওয়াশ করে অসাম্য জাস্টিফাই করতে হবে না। বটমেরা বটমে থাকার আর টপেদের সেবা করার প্লেজারের জন্যই সেই পজিশানে থাকবে। যেমন স্কুল জীবনে আমি থাকতাম।

Comments

Popular posts from this blog

কালু, তার মা-বোন আর ৩ প্রভু

mini stories 3 & 4