mini story 6

 next M/m story plot...


স্বপনের ডাকনাম বুড়ো, কিন্তু কালো গায়ের রঙের জন্য ছোট থেকেই বন্ধুরা ওকে কালু বলে ডাকত। কোন ফর্শা, সুন্দর ছেলে ওকে কালু বলে ডেকে অপমান করলে ওর চিরদিনই খুব ভাল লাগত।
ও যখন ক্লাস ৯ এ পড়ে তখন শতানিকরা ওদের বাড়িতে ভাড়া আসবে। শতানিক তখন ক্লাস ৫ এ পড়ে,  স্বপনের চেয়ে ৪ বছরের ছোট। ওর বাবা প্রাইমারি স্কুল টিচার, মা হাউস ওয়াইফ। স্বপনের ব্যবসায়ী পরিবারের তুলনায় ওদের আর্থিক অবস্থা অনেক সাধারন। কিন্তু চেহারা? স্বপনের বাড়ির সবার গায়ের রঙ প্রায় কাকের মত কালো। সেখানে শতানিকের পরিবারের ৩ জনই ফর্শা সুন্দর চেহারার মালিক। বিশেষ করে ১০ বছর বয়সী বাচ্চা শতানিককে দেখে স্বপনের ওকে রাজপুত্র বলে মনে হল।
*
*
শতানিক প্রথম থেকেই নিজের ঘরের সাথে স্বপনদের ঘরেও জুতো পরে ঘুরতে শুরু করবে। এটা নাকি ওর ছোটবেলার হ্যাবিট। ও যখন স্বপনের ঘরে ঢুকে স্বপনের ঘরের মেঝে, খাট সব জুতো পরা পায়ের তলায় মাড়াতে থাকবে তখন স্বপনের দারুন ভাল লাগবে। একদিন স্বপন নিজের ঘরের মেঝেতে শুয়ে আছে। শতানিক ঢুকে স্বাভাবিকভাবে স্বপনের বুক চটি পরা পায়ের তলায় মাড়িয়ে চলে যাবে। সেই থেকে শতানিক আসছে বুঝতে পারলেই স্বপন নিজের ঘরের মেঝেতে শুয়ে পরতে শুরু করবে। আর শতানিক ক্রমে স্বপনের বুকের সাথে ওর মুখও নিজের জুতো পরা পায়ের তলায় মাড়িয়ে চলে যেতে শুরু করবে। তারপর স্বপনের মুখের উপরে চটি  বা জুতো পরা পা রেখে চেয়ারে বসে টিভি দেখাও শতানিক অভ্যাসে পরিনত করবে। স্বপন  ভক্তিভরে ফর্শা সুন্দর চেহারার শতানিকের পা টিপে দেবে ওর পায়ের তলায় শুয়ে।
*
শতানিকের মা যখন ওদের এই সম্পর্ক চোখে দেখবে তখন সে এমনভাব করবে যেন এটা খুবই স্বাভাবিক। শতানিক নিজের মায়ের সামনেই স্বপনের মুখের উপরে জুতো পরা পা রেখে বসে স্বপনকে দিয়ে পা টেপাবে, নিজের জুতোর তলা স্বপনের জিভের উপরে ঘসে পরিস্কার করবে। ১০ বছর বয়সী শতানিককে এইভাবে ওর মায়ের সামনে সেবা করতে পেরে ১৪ বছর বয়সী কালো কুশ্রী স্বপনের মন খুশিতে ভরে উঠবে।
ক্রমে শতানিকের মায়ের কথায় স্বপন শতানিককে পড়াতে শুরু করবে
 কিন্তু সেই পড়ানোর শর্ত আলাদা। সেখানে শিক্ষক স্বপনের কর্তব্য ছাত্র শতানিকের প্রতি ভক্তি দেখানো। স্বপন  পড়ানো শুরু করার আগে শতানিকের চটি পরা পায়ে মাথা রেখে ওকে শাষ্টাঙ্গে প্রনাম করত। তারপর ওর পায়ের কাছে বসে ওর পা টিপতে টিপতে ওকে পড়াত। আর পড়া বুঝতে না পারলে শতানিক স্যারের মুখে চটি পরা পায়ে সপাটে লাথি মারত। সেই সাথে তুচ্ছ অজুহাতে চড় মারা তো ছিলই। ওর মা দেখে হাসত।
*
হঠাত একদিন শতানিকের বাবা ওদের এই অবস্থায় দেখে অবাক হয়ে ওরা কি করছে জানতে চাইলে শতানিকের মা-ই ওর বাবাকে বুঝিয়ে বলবে ওরা ব্রাহ্মন হওয়ায়  অব্রাহ্মন  স্বপন ওইভাবে শতানিকের পায়ে মাথা রেখে ওকে প্রনাম করে, ওর পদসেবা করে। জাতপাত মানা শতানিকের ব্রাহ্মন বাবা তাই শুনে খুব খুশি হবে। তখনো স্বপনের বাড়ির লোকেরা ওদের এই কথা জানতে পারে নি।

*
ক্রমে বাড়ির বাইরেও শতানিক স্বপনকে ডমিনেট করতে শুরু করবে। প্রথমে পাড়ায় ফুটবল খেলার আগে স্ট্রেচিং করার সময়ে শতানিক স্বপনকে নিজের পায়ের সামনে হাঁটুগেড়ে বসিয়ে ওর কাধে জুতো পরা পা তুলে স্ট্রেচ করবে। এরপর কাঁধে পা তুলতে গিয়ে ইচ্ছা করে ওর মুখে বুট পরা পায়ে লাথি মারা শুরু করবে। ফুটবল খেলার সময়ে সাধারনত স্বপন গোলকিপার হত আর শতানিক বিপক্ষের স্ট্রাইকার। সামান্য সুযোগ পেলেই স্বপন বল ধরতে মাটিতে ঝাঁপিয়ে শুয়ে পরত আর সেই সুযোগে শতানিক ফুটবল বুট পরা পায়ে স্বপনের মুখে লাথি মারত বা জুতো পরা পায়ে ওর মুখের উপরে উঠে দাঁড়িয়ে পরত সবার সামনে। ক্রমে স্কুলেও শতানিক সবার সামনে ৪ বছরের বড় স্বপনকে চাকরের মত ব্যবহার করতে শুরু করবে। সবার সামনে স্বপনকে অর্ডার করার সাথে সাথে চড়, লাথি মারতে থাকবে। টিফিনের সময়ে রোজ স্বপন  ক্লাস ৫ এর ক্লাসরুমে আসতে থাকবে। আর ক্লাসমেটদের সামনেই নিজের স্নিকার পরা পা স্বপনের মুখের উপরে রেখে বসে টিফিন করবে শতানিক। বড়লোকের ছেলে স্বপন সেই সাথে রোজ বহু টাকা খরচ করতে থাকবে তার প্রভু শতানিককে খুশি করার জন্য।
*
*
শতানিক যখন ক্লাস ৬ এ পড়ে তখন একদিন ঘরে শতানিকের চটি পরা পা কোলে নিয়ে টেপার সময়ে শতানিক নিজে থেকে নিজের চটি পরা পা স্বপনের খাঁড়া নুনুর উপরে তুলে ওর নুনু নিজের চটির তলায় ঘসতে থাকবে। স্বপনের বড্ড ভাল লাগবে এই অনুভুতি। এরপর একা থাকলেই শতানিক এইভাবে ওর নুনুতে পা দিতে থাকবে। স্বপন কিছুদিন পর থেকে শতানিক ওর নুনুতে চটি পরা পা রাখলেই নিজের নুনু প্যান্টের চেন খুলে বের করে দেবে। শতানিক নিজের চটির তলা ঘসবে ওর নুনুর উপরে।প্রবল উত্তেজনায় রোজই শতানিকের চটির তলায় বীর্যপাত করতে থাকবে স্বপন। আর সেই বীর্য রোজই শতানিক স্বপনের মাথায় চুলের উপরে মুছে পরিস্কার করবে।

শতানিক ক্লাস ৭ এ উঠলে এই সময়ে শতানিকও নিজের নুনু প্যান্টের বাইরে বের করে দেবে একদিন। চাকরের মত যেইভাবে স্বপন  শতানিকের পা টিপত এতদিন,  ঠিক সেইভাবে একই ভক্তি নিয়ে ওর নুনু টিপে দিতে থাকবে স্বপন। শতানিক তার প্রভু,  তাকে খুশি করার জন্য সে সব করতে পারে। কদিন পর শতানিকের আদেশে সে মুখে নিয়ে চুষে দিতে শুরু করবে ওর নুনু। তখন শতানিকের মাত্র ১২ বছর বয়স। শতানিক নুনু দিয়ে জলের মত বীর্য বের করে ভাসিয়ে দেবে স্বপনের মুখ। আর ওর চটির তলার ঘসা খেয়ে ওর ক্রীতদাস স্বপনের নুনু ওর চটির তলায় বীর্য ঢেলে দেবে। এরপর স্বপনের মাথায় সেই বীর্য মুছে স্বপনের মুখের ভিতরে মুত্র ত্যাগ করবে শতানিক। সেটাও পরম ভক্তিতে গিলে খাবে স্বপন।
ক্রমে ওদের সম্পর্কই হয়ে যাবে এরকম, প্রভু আর ভক্তের মত। স্বপনকে যখন তখন জুতো পরা পায়ে মুখে লাথি মারবে শতানিক, ওকে দিয়ে জুতোর তলা চাটাবে, পা টেপাবে। ইচ্ছা হলেই ওর মুখে,  এমনকি মুখগহ্বরেও প্রস্রাব করবে শতানিক। রোজ রাতে শতানিকের ঘরে স্বপন মেঝেতে শুতে শুরু করবে যাতে শতানিকের পেচ্ছাপ পেলে সে বাথরুমে যাওয়ার বদলে স্বপনের মুখের ভিতরে নুনু ঢুকিয়ে মুতে দিতে পারে! শতানিকের যখনই ইচ্ছা হত, প্রভুভক্ত স্বপন তখনই ভক্তিভরে ওর নুনু টিপে দিত, মুখে ঢুকিয়ে কামড়ে কামড়ে চুষে দিয়ে শতানিকের সব বীর্য গিলে খেয়ে নিত সে। শতানিকও অবশ্য নিজের চটি বা জুতো পরা পা স্বপনের নুনুর উপরে রাখত। আর প্রভুর জুতোর তলায় বীর্য ঢেলে এক দারুন সুখ পেত স্বপন।
*
প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পরে স্বপন বুঝতে পারবে শতানিক আসলে বাই সেক্সুয়াল। সুন্দর চেহারার শতানিক বাইরে একাধিক মেয়ের সাথে সম্পর্ক গড়বে। তারা হবে ওর অপোজিট সেক্স পার্টনার। আর ঘরের মধ্যে সে শতানিকের সেম সেক্স পার্টনার। স্বপন স্ট্রেট হওয়া সত্ত্বেও শতানিকের দাসত্ব করার সুখ ছেড়ে কোন রিলেশান করার কথা সে ভাবতেও পারবে না।
পরে অবশ্য শতানিকের কথাতে সে বিয়ে করবে। এবং অবশ্যই সেই বউয়ের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করার অধিকার স্বপনের না, শতানিকেরই থাকবে। নিজের বউয়ের সাথে নিজের প্রভুকে সম্পর্ক গড়ে তুলতে দেখে দারুন সুখী হবে স্বপন। নিজের বউয়ের সামনেই সে শতানিকের গোলামী করতে শুরু করবে।
তার বাবা মায়ের মৃত্যুর পরে নিজের বিশাল পারিবারিক সম্পত্তি বিনা দ্বিধায় প্রভু শতানিকের হাতে তুলে দেবে স্বপন, যেভাবে নিজের বউকেও তার হাতে তুলে দিয়েছিল। নিজের আর স্বপনের বউ, আর সেই সাথে স্বপনের বিশাল সম্পত্তি নিয়ে বিনা পরিশ্রমে আয়েশ করে দিন কাটাতে থাকবে ফর্শা,  সুন্দর চেহারার শতানিক। আর তাকে প্রভুজ্ঞানে একইভাবে তার সেবা চালিয়ে যাবে কুশ্রী, কালো স্বপন।

Comments

Popular posts from this blog

কালু, তার মা-বোন আর ৩ প্রভু

লুজারের জীবন দর্শন ৫.....

mini stories 3 & 4