mini story 5
স্লেভারি...স্টোরি প্লট ৫... ( অল্টারনেটিভ ভার্শন... MF/mf, inter-racial)
অ্যান্ডির ক্লাস ১০ এর এক্সাম শেষ হওয়ার পর ওর বাবা প্রথম যখন বলেছিল ওরা লন্ডন ছেড়ে কেনিয়ার এক গ্রামে চলে যাচ্ছে বাবার পোস্টিং এর জন্য তখন ওর খুব খারাপ লেগেছিল। কিন্তু এই একমাসে ওর জীবন পুরো বদলে গেছে। এই সুখ ছেড়ে সে ভুলেও একদিনের জন্য ব্রিটেনে ফিরতে চায় না, পুরনো প্রেমিকা কেটির জন্যও না।
সত্যি, এরকম সুখের যে জীবন হতে পারে সেটা ভাবতে এখনো তার কষ্ট হয়। প্রথমে তো খালি মনে হত এটা সত্যি না, সে স্বপ্ন দেখছে! এই গ্রামের নাম কুয়োংটা, এখানে সব লোকই স্বাভাবিকভাবে নিগ্রো, আর তারা শ্বেতাঙ্গ । এখানকার প্রতিটা লোক মন থেকে বিশ্বাস করে সৃস্টিকর্তা কালো মানুষদের সৃষ্টি করেছে সাদাদের সেবা করার জন্য। কয়েকশো বছর আগে ইউরোপিয়রা এখানে এসে এই গ্রামের লোকেদের ধরে স্লেভ হিসাবে নিয়ে যেত আমেরিকায়, আর নিজেদের লাভের জন্য তাদের স্লেভ হিসাবে রেখে অকথ্য অত্যাচার করত। অথচ, এই গ্রামের নিগ্রো লোকেদের কাছে শ্বেতাঙ্গদের কাছে অত্যাচারিত হতে পারা হল পরম আশীর্বাদ। তারা অপেক্ষা করে থাকত কবে শ্বেতাঙ্গ প্রভুরা এসে তাদের স্লেভ করে ধরে নিয়ে যাবে। কিন্তু স্লেভারি ক্রমে নিশিদ্ধ হওয়ায় তাদের সেই সুখের দিন বা সুখের আশাও দুইশো বছর আগেই শেষ হয়ে গিয়েছে!
তারা এখনো বিশ্বাস করে যে ইশ্বর নিগ্রোদের সৃষ্টি করেছে একমাত্র সাদা মানুষদের সেবা করার জন্য। শ্বেতাঙ্গদের পুর্ন অধিকার আছে যেকোন কালো মানুষের উপরে যেকোন অত্যাচার করার, তাতে বাধা দেওয়ার কোন অধিকার নেই নিগ্রো মানুষদের! তারা এখনো আশা নিয়ে বসে আছে একদিন আবার কোন সাদা মানুষ তাদের গ্রামে আসবে, তাদের স্লেভ বানিয়ে অত্যাচার করে আশির্বাদ করবে!
তাদের গ্রামে ঢুকতে দেখেই শয়ে শয়ে কালো মানুষ যখন তাদের ঘিরে ধরল তখন প্রথমে ওদের একটু ভয় লেগেছিল। কিন্তু তার পরই ওরা দেখল নিগ্রো গ্রামবাসী ওদের দুই ভাই বোন, আর বাবা-মা, মোট ৪ জন শ্বেতাঙ্গর জুতোর উপরে চুম্বন করতে করতে বারবার বলছে, " গড, প্লিজ মেক আস ইওর স্লেভ এন্ড ব্লেস আস।"!
প্রথম দুই দিন এই সুখ বিশ্বাস করতেই কেটে গেল অ্যান্ডি আর ওর দুই বছরের ছোট বোন অলিভিয়ার। দ্বিতীয় দিন বিকালে সে বাড়ির চাকর অম্বুকে ধরে গাছের সাথে বেঁধে বেল্ট দিয়ে ভয়ানক মারল। বাঁধন খুলতেই অম্বু উলটে তার জুতো পরা পায়ে চুম্বন করতে করতে তাকে ধন্যবাদ দিতে লাগল!
সে জবাবে জুতো পরা পায়ে অম্বুর মুখে লাথি মারতে লাগল। সে যত মারে অম্বু তত খুশি হয়ে তার জুতোয় আরো ভক্তিভরে চুম্বন করে। কারন তার চোখে শ্বেতাঙ্গ মানে প্রায় ভগবান! মুখে শ্বেতাঙ্গদের বুট জুতো পরা পায়ের লাথি খাওয়ার মত সৌভাগ্য আর কি হতে পারে কোন নিগ্রোর কাছে?
অলিভিয়াও তার সাথে কিছুটা অত্যাচার করল অম্বুর উপরে। এই প্রবল ক্ষমতার স্বাদ অ্যান্ডিকে প্রবল যৌনভাবে উত্তেজিত করে তুলছিল। সে একটু পরে বেশ কিছুক্ষন ছোট বোনঅলিভিয়াকে জড়িয়ে ধরে তার ঠোঁটে ঠোঁট ডুবিয়ে চুম্বন করল। তারপর বিছানায় শুয়ে পাশ বালিশে ঘসে বীর্য ক্ষরন করে কিছুটা শান্ত হল।
ক্ষমতা ও সুখের পুরো স্বাদ সে পেল পরদিন স্কুলে গিয়ে। সিনিয়ার জুনিয়ার সব নিগ্রো ছেলে শ্বেতাঙ্গ ছেলে দেখতে পেয়ে তার আশির্বাদ নেওয়ার জন্য তার পায়ের তলায় শুয়ে পরল। কয়েকশো কালো ছাত্রর মুখ তার জুতো পরা সাদা পায়ের তলায় মাড়িয়ে সে স্কুলে ঢুকল। ক্ষমতার আনন্দে তার মাথা ঝিম ঝিম করছে তখন। চামড়ার চাবুক দিয়ে যার খুশি কালো পিঠে মারছে সে, জবাবে যে মার খাচ্ছে সেই নিগ্রোই তার জুতোর উপরে চুম্বন করে ধন্যবাদ দিচ্ছে তাকে। ছাত্র তো বটেই, যে কোন নিগ্রো টিচারকেও ইচ্ছা মত যত খুশি চড় মারতে পারছে গালে, জুতো পরা পায়ে লাথি মারতে পারছে মুখে। তার জুতোর তলা জিভ দিয়ে চেটে পরিস্কার করে দেওয়ার সৌভাগ্য পাওয়ার জন্য নতুন স্কুলের নিগ্রো স্যারেরা তার জুতোর উপর চুম্বন করতে করতে ভিক্ষা করছে তার কাছে। আর সে তখন নিগ্রোদের মধ্যে স্কুলের সবচেয়ে সুন্দরী মেয়েদের পাশে বসিয়ে তাদের দেহ ভোগ করতে শুরু করেছে। কোন মেয়ের ঠোঁটে সে ঠোঁট ডুবিয়ে দিচ্ছে তো দুই হাত দিয়ে আরেক মেয়ের স্তন মর্দন করছে সে। তার উত্থিত লিঙ্গ তখন আবার অন্য এক মেয়ের মুখে। সেই নিগ্রো মেয়ে পরম ভক্তিতে চুষছে 'পৃথিবীর বুকের ভগবান' এক শ্বেতাঙ্গর যৌনাঙ্গ! সত্যি, কি পরম সৌভাগ্যের ব্যাপার নিগ্রো মেয়েদের কাছে এটা!
আর অ্যান্ডি? দুই স্যারের মুখে জুতো পরা দুই পা রেখে বসে এক মোটামুটি সুন্দরী নিগ্রো জুনিয়ার মেয়েকে দিয়ে নুনু চোষাতে চোষাতে সে ভাবছে আজ রাতে কোন কোন মেয়েকে সে শয্যাসঙ্গী করবে।! আর তার আগে আর কি কি অত্যাচার সে করতে পারে স্কুলের নিগ্রো স্টুডেন্ট ও স্যারদের উপরে? কেমন হয় ওদের গাড়ির পিছনে বেঁধে জোরে গাড়ি ছোটালে? কিম্বা তার জুতো পরা সাদা পায়ের তলায় একজন নিগ্রো স্যারের নাক আর গলা চেপে ধরে দম বন্ধ করে পিষে মারলে? কিম্বা স্রেফ মুখে লাথি মারতে মারতে কোন কালো ছেলেকে প্রানে মেরে ফেললে? উফ, ভাবতেই কি সুখ! এই ভাবনাই তার লিঙ্গকে আরো উত্তেজিত করে তুলল, প্রবল উত্তেজনায় সে বারবার নুনু ঠেসে ধরতে লাগল তার নুনু চুষতে থাকা সুন্দরী নিগ্রো মেয়েটির মুখে। অবশেষে সুখ ঘিরে ধরল তাকে, প্রবল আনন্দে কাঁপতে কাঁপতে তার নুনু বীর্যপাত করে দিল সুন্দরী জুনিয়ার মেয়েটির মুখে। প্রবল সুখের মধ্যে তার মধ্যে শুধু একটাই আফশোষ রইল। কেন যে গোটা পৃথিবীতে বর্নবিদ্বেষ আর স্লেভারি নিষিদ্ধ হল? শ্বেতাঙ্গরা যে স্লেভারি সমর্থন করে তা তো বটেই, এখন তো সে দেখতেই পাচ্ছে নিগ্রোরা তার চেয়েও বেশি করে চায় সাদাদের স্লেভ হতে। তা হলে গোটা দুনিয়াই কেনিয়ার কুয়োংটা গ্রামের মত স্বর্গ হত সবার কাছে!!
Comments
Post a Comment