mini stories 1& 2

 স্টোরি ১....( M+/m, inter-racial)... কালো ও কুশ্রী আকাশ ছোট থেকেই জানত তার মত কুশ্রী ছেলের নিজের মত স্বাধীনভাবে বাঁচার কোন অধিকার নেই, থাকা উচিত নয়। তার জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য ফরশা, সুন্দর ছেলেদের ক্রীতদাস হয়ে সেবা করা। এটা সে জানত, ভেবে আনন্দও পেত। অবশেষে ক্লাস ৭ এ পড়ার সময়ে তার স্বপ্ন সত্যি হল। তাদের ক্লাসের সবচেয়ে সুন্দর ৩ টি ছেলে অভিযোগ করল সে তাদের ঘড়ি চুড়ি করেছে। গোটা ক্লাসরুমের সামনে তাকে ভয়ানক অপমানিত করে চড়, লাথি মারল, জুতো চাটাল ওরা। ঘড়ির দামের ১০ গুন আদায় করেও ওরা অত্যাচার চালিয়ে গেল , কারন চোরেদের নাকি এটাই প্রাপ্য! আকাশ কোন আপত্তি ছাড়াই সব অত্যাচার খুশি মনে মেনে নিল। কারন সে চোর না হলেও সে জানত তার মত কুশ্রী ছেলের এটাই প্রাপ্য!
শেষে যখন জানা গেল যে ঘড়ি আসলে কেউই চুরি করেনি, তখনো ওরা ৩ জন অত্যাচার করা থামাল না। মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে আকাশ সারাজীবনের জন্য অভিজিত আর তার দুই বন্ধুর ক্রীতদাস হয়ে গেল!


( গল্পটি ইতিমধ্যেই প্রকাশিত বিডিএসএম বাংলা পেজও ব্লগ এ).


স্টোরি ২ ( F+/f, inter- racial)..


তখন বিমলার ক্লাস ৮, সে হোস্টেলে থাকে। পুরনো রুমমেট চলে গেলে নতুন রুমমেট আসার কথা। তার বান্ধবী রিয়ার আসার কথা যেদিন হঠাত তার ৮-১০ দিন আগে হৃত্বিকা ঘর দেখতে এল। হৃত্বিকা ওর চেয়ে একবছরের জুনিয়ার ক্লাস ৭ এ পড়ে। দেখতে অসাধারন সুন্দরী, কিন্তু অত্যন্ত সেল্ফিশ স্বভাবের। সে ঘর দেখতে এসে এক বছরের সিনিয়ার বিমলার সাথে বেশ খারাপ ব্যবহার করল, ঘুরিয়ে একবার বিমলার কালো, খারাপ চেহারা নিয়ে মজাও করল। ফরশা, সুন্দরী হৃত্বিকার কাছে সব অপমান কেন জানি ভিশন ভাল লাগতে শুরু করল বিমলার। তার প্রতি কথায় ফুটে উঠতে লাগল হৃত্বিকার চেয়ে সে কত তুচ্ছ। আর এই চিন্তা তাকে অদ্ভুত এক সুখ দিতে লাগল। আর হৃত্বিকার মুখেও ফুটে উঠল এক দারুন হাসি।
কয়েকদিনের মধ্যেই হৃত্বিকার সিনিয়ার দিদি থেকে তার ভৃত্য হয়ে উঠল বিমলা। বিমলার টাকায় সে ইচ্ছামত ফুর্তি করতে লাগল, বিমলার সব দামী জিনিস নিজে নিয়ে সে বিমলাকে বাধ্য করল চাকরের মত ঘরের এক কোনে মেঝেতে শুয়ে রাত কাটাতে।
বিমলা চাকরের মত হৃত্বিকার সেবা করতে এতই ব্যস্ত ছিল সে রিয়াকে এই খবরটা দিতেও ভুলে গেল যে তার রুম অন্য একজন দখল করে নিয়েছে। ফলে দিন দশেক পরে একদিন রিয়া নিজের জিনিস নিয়ে হোস্টেলে বিমলার ঘরে ঢুকতে গেল। ঘরের দরজা খুলে অবাক হয়ে সে দেখল তার বান্ধবী ঠান্ডা মেঝেতে শুয়ে আছে, ওর মুখের উপরে জুতো পরা পা রেখে বসে আছে ওদের স্কুলের জুনিয়ার হৃত্ব্বিকা। ঠিক চাকরের মত হৃত্বিকার পা টিপে দিচ্ছে বিমলা ওই অবস্থায়, আর তার বার করা জিভে জুতোর তলা মুচ্ছে হৃত্বিকা! বিমলার দামী ল্যাপটপে মুভি দেখতে দেখতে বিমলারই টাকায় কেনা জিনিস দিয়ে বিমলারই বানিয়ে দেওয়া ব্রেকফাস্ট খাচ্ছিল হৃত্বিকা। রিয়াকে ঢুকতে দেখে সে একবার বিমলার দিকে তাকাল। রিয়াকে দেখেও সে তার প্রভু হৃত্বিকার সেবা করা থামায়নি। সেটা দেখে হৃত্বিকা খুশি হল। সে যা চায় এবার সে সেটাও শুরু করতে পারে তাহলে। গোটা স্কুলের সামনেও সে যদি বিমলাকে চাকরের মত ব্যবহার করে তাও যে সে বাধা দেবে না সেটা এখন হৃত্বিকার কাছে স্পষ্ট!

Comments

Popular posts from this blog

কালু, তার মা-বোন আর ৩ প্রভু

লুজারের জীবন দর্শন ৫.....

mini stories 3 & 4