লুজারের জীবন দর্শন ৪....
এই পেজটা আপাতত আমি গল্প লেখার পাশাপাশি ডমিনেশান সাবমিশান সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর খোঁজার জন্য ব্যাবহার করছি।
বিডি এসএম ভাল লাগা অনেকেরই হয়ত একটা বিষয় চোখে পড়েছে যে বিভিন্ন সাইটে ক্লাসমেট মেয়ের হাতে আরেকটি মেয়ের ডমিনেটেড হওয়ার গল্প প্রচুর আছে। যেখানে যে ডমিনেট করছে সে প্রায় সব দিকে social circle e উপরে অবস্থান করে। সে বড়লোকের social, good looking, extrovert, cruel স্বভাবের মেয়ে। আর সে যাকে ডমিনেট করছে সে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এর সম্পুর্ন উলটো। এখন এরকম গল্প লেখকদের ৯৫%+ যেখানে ছেলে সেখানে এরকম গল্প এত বেশি আসে কেন? মূল চরিত্র দুটোই যদি মেয়ে হয় তাহলে লেখক কার সাথে নিজেকে রিলেট করে আর কিভাবে?
আমি কোন গল্প পরে কৌতুহল জাগলে সেই কৌতুহল বশত বিভিন্ন লেখককে মেসেজ করেছি বহুবার। এই থিমের উপরে লেখা দুজন গল্প লেখক আমাকে কনফার্ম করেছিল তারা পুরুষ। তাদের এই ফ্যান্টাসির উতপত্তি নিয়ে এদের একজনের সাথে আমার বেশ কথা হয়। সে জানায় সে ছেলে, ও হাই স্কুলের শুরুতে ক্লাস মেট খুব সুন্দর চেহারার ও হায়ার শোসাল পজিশনের দুই জন ছেলে তাকে ভিশন ফিজিকাল ও মেন্টাল ডমিনেট করত। তার লজ্জা ও খারাপ লাগত আবার ভালোও লাগত। এবং যতদিন যাচ্ছিল খারাপ ফিলিং কমে শুধু ভাল ফিলিং অবশিস্ট থাকছিল। কিন্তু স্কুল জীবনের পরে এডাল্ট লাইফে এসে সেই ছেলে দুটি অন্য শহরে চলে যায় আর সে আরেক অন্য শহরে। ওই সিভিয়ার হিউমিলিএশানের পরে সে নিজেকে কোন মেয়ের ইকুয়াল ভেবে রিলেশানের কথা ভাবতেও পারত না। আবার প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার পরে কোন প্রাপ্ত বয়স্ক ছেলের প্রতি তার সাবমিশানও আসে না। অবশ্য সে কনফার্ম করে যে ১০-১৫ বয়সী চরিত্র নিয়ে গল্প লেখা এলাউ হলে সে কিন্তু ছেলে ছেলে ডমিনেশান নিয়েই লিখত। কিন্তু যেহেতু আইন রক্ষা করতে তাকে চরিত্রের বয়স ১৮ করতে হবে আর প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার পরে তার কোন ছেলের প্রতি সাবমিসিভনেস আসে না তাই গল্পে ২ টো চরিত্রই মেয়ে হয়ে গেল। কারন ছেলে- ছেলে ও মেয়ে - মেয়ে ডমিনেশানের পাওয়ার ডাইমেনশান তুলনীয়।
আসলে তার স্বাভাবিক যে প্রবৃত্তি সেটা হল মেয়েদের প্রতি আকর্ষন। কিন্তু ছোটবেলার অভিজ্ঞতা তাকে শিখিয়েছে সে লুজার ও সে এসব পাওয়ার যোগ্য নয়। কোন মেয়েকে নিজের ভাবতে গেলে তার আনন্দের চেয়ে স্ট্রেস বেশি হয় এই কারনে। এটাই ছোটবেলার সাবমিসিভমেসের শিক্ষা যে আমি লুজার। আমি কোন মেয়ের কাছে যেতে গেলে আলফা মেলেরা আমাকে পেটাবে। মেয়েরা শুধু আলফা মেলেদের জন্য। এই ভয় থেকেই স্ট্রেস হয় যা বিটা মেলদের স্বাভাবিক ফিমেলের প্রতি আকর্ষন পরিবর্তন করে দেয়।
মুশকিল হল, এই যে সাবমিসিভমেস বা আমি লুজার এই শিক্ষা প্রতিটা লুজার ছেলে ১৮ এর আগেই পায়। কোন গল্প ১৮ থেকে শুরু করতে হলে ব্যাপারটা দাঁড়ায় ১৮ অবধি তার জীবন ঠিক ছিল। যেটা অবাস্তব।
নর্মালি স্ট্রেট সাবমিসিভ বিটা মেলকে আলফা মেল ছোট বয়স থেকে ডমিনেট করা শুরু করলে সে সারাজীবন আলফা মেলের প্রতি সাবমিসিভ থাকবে। কিন্তু এডাল্ট লাইফের শুরুর আগে এই কানেকশান কেটে গেলে তার এই সাবমিসিভ শিক্ষা ও নর্মাল মেয়েদের প্রতি আকর্ষনের মধ্যে এক রকম কন্ট্রাডিকশান হয়। নতুন অপরিচিত কোন ছেলের প্রতি সে এডাল্ট লাইফে এসে নিজে থেকে সাবমিসিভ ফিল করতে পারে না। তখন তার মেয়েদের প্রতি আকর্ষন ও সাবমিশান এক হয়ে যায় এক রকম। ফলে মেয়েদের প্রতি সাবমিসিভ থট আসে। মেয়েদের ক্লোজ থাকার যে স্বাভাবিক জৈবিক আনন্দ সেটা তার সেবা করা বা পায়ে চুমু খেয়েও আসে। কিন্তু মেয়েটিকে রোমান্টিকালি বা ফিজিকালি কাছে পাওয়ার চেষ্টা করলে তার যে স্ট্রেস তৈরি হত সেটাও হয় না এর ফলে। এই জন্যই বহু পুরুষ ফিজিকালি মেয়েদের ক্লোজ হওয়ার চেয়েও সাবমিসিভ হয়ে আনন্দ বেশি পায়।
এখন, এই F/f গল্পে দুই চরিত্রের লিঙ্গ এক হওয়ায় গল্পের পাওয়ার ডাইনামিক্স M/m এর মতই হয়। আর ১৮+ বয়সে এসে নতুন পরিচিত পুরুষ চরিত্রর প্রতি সাবমিসিভ হওয়ার যে অস্বস্তি সেটাও থাকে না। গল্পে লেখকের লিঙ্গের চেয়ে তাকে ডমিনেট করা ব্যাক্তির লিঙ্গ বেশি গুরুত্বপুর্ন। যেহেতু ১৮+ অপরিচিত মেয়ের জুতোয় চুমু খাওয়া ১৮+ ছেলের জুতোয় চুমু খাওয়ার চেয়ে সহজ, তাই গল্প ওইদিকেই মোড় নেয়। আমার ধারনা যে কোন বয়সী চরিত্র নিয়ে গল্প লেখা এলাউ হলে আর তাকে স্বাভাবিক ভাবে নিলে অনেক গল্পই M/m হত। কারন গল্পের উতপত্তি ওইখানেই। ১০-১৩ এই বয়সে M/m ঘটনার ভিত্তিতে।
আমি নিজেও এমন এক চরিত্র যে নর্মাল স্ট্রেট বিটা মেল। আমি খুব ছোটবেলায় এক্সট্রিম ট্রমাতে ভুগেছি। ছোট বাচ্চার যে খুব বেসিক নিড গুলো থাকে, আমার বাবা মা আমার সেই খুব বেসিক নিড পুরন করেনি। এরপরে স্কুলে ক্লাসমেট ৩ সুন্দর চেহারার আলফা মেল মনিটরের হাতে এক্সট্রিম হিউমিলিএট হওয়া ও বিটা মেল হিসাবে প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় সেগুলো এঞ্জয় করতে শেখা। এরপরে বাবার হস্তক্ষেপে এই ঘটনার সমাপ্তি।
এখন প্রাপ্ত বয়স্ক হিসাবে আমার মাথায় মেয়েদের প্রতি স্বাভাবিক আকর্ষন ও সাবমিসিভ শিক্ষা দুটোই বিদ্যমান। আমি আমার মোবাইলে নায়িকা সহ বহু সুন্দরী মেয়ের ছবি ডাউনলোড করে রাখি। আমার ছোটবেলার প্রভু আলফা মেলদের অভাবে মেয়েদের মুখের দিকে তাকিয়ে তাদের জুতোয় চুমু খাই, আমার সাবমিসিভ নিড স্যাটিস্ফাই হয়। আমার ব্রেইন আমাকে বোঝায় যতক্ষন আমি বিদ্রোহ না করে এক্সট্রিম সাবমিসিভ থাকব ততক্ষন আমার প্রভু আলফা মেলেরা আমাকে মেরে ফেলবে না। এটাই প্রকৃতিতে সাবমিসিভ লুজার বিটা মেলদের এডাপটেশান স্ট্রাটেজি।
বাংলায় একটাই বড় সাবমিসিভ গল্পের ব্লগ চোখে পরেছে আমার। সেখানে কোন যৌনতার উল্লেখও থাকে না। মেয়েদের প্রতি ছেলেদের সাবমিশান নিয়ে গল্প থাকে। বেশিরভাগ গল্পে দাদা চাকরের মত সেবা করছে তার ছোট বোনকে। আমার ব্যাপারটা immature childhood fantasy type লাগে।
ultimately teen age e এসেই মানুষের জীবনে যৌনতা ইত্যাদি বড় এফেক্ট ফেলতে শুরু করে। সে বিষয়ে লেখকের ধারনা কি? ছোট বোন যখন সেক্স করবে তখন তার কেমন লাগবে? তার নিজের যখন সেক্স করতে ইচ্ছা হবে তখন কোন চিন্তা সেটাকে আটকাবে?
আসলে প্রকৃতির এই গল্পে ছেলে আর মেয়েরা দুটো আলাদা টিম। আলাদা প্রতিযোগিতা। তাই কোন মেয়ে তোমার চেয়ে এগিয়ে বা পিছিয়ে কিনা এই প্রশ্নটাই ইনভ্যালিড। আমরা যারা লুজার ছেলে তারা লুজার হয়েছি কার কাছে হেরে? আলফা মেলদের কাছে। তারা আমাদের জীবনে মেয়েদের কাছে ঘেঁসতেই দেবে না। এটা মেনে নিয়ে আমাদের প্রকৃতিতে টিকিয়ে রাখতে প্রকৃতিই সাবমিশান সৃষ্টি করেছে।
ধরা যাক ১০০ জন মেয়ে আর ১০০ জন পুরুষ আছে। প্রতিটি মেয়ের সেক্স পার্টনার গড়ে ৩ জন। অর্থাৎ সেক্স পার্টনার পোস্টের সংখ্যা মোট ৩০০। হয়ত কোন মেয়ের সেক্স পার্টনার ৫ জন, কোন মেয়ের ১ জন। মেয়েদের মধ্যে সেক্সুয়াল হায়ারার্কি এই টুকুর মধ্যে সীমাবদ্ধ। কিন্তু ছেলেদের তাই নয়।
প্রাকৃতিক নিয়মে প্রথম ৫ জন ছেলের হয়ত গড়ে ২০ জন সেক্স পার্টনার হবে। পরের ২৫ জনের ৫ জন করে। পরের ২৫ জনের ২ জন করে আর তারপরের ২৫ জনের ১ জন করে। শেষ ২০ জনের নারী সঙ্গ লাভের কোন সুযোগ হবে না। ছেলেদের মধ্যে সেক্সুয়াল হায়ারার্কি এতটাই বেশি যে কেউ ২০ জনের সাথে সেক্স করবে তো কারো জুটবে না। অথচ যেই ২০ জনের সেক্স জুটবে না এদেরও সেক্স ড্রাইভ আছে। প্রকৃতি এটা নিয়ন্ত্রন করে তাদের বাঁচিয়ে রাখতেই সাবমিসিভ মেন্টালিটি তৈরি করেছে।
যেখানে আলফা মেল ১০ জন মেয়েকে ভোগ করার পরে তার পায়ে মাথা ঘসেই সে আনন্দ পাবে। শুধু সেক্সুয়াল ইনিকুয়ালিটি নয়, খাদ্য সহ যাবতীয় ভোগ্য দ্রব্যের আনিকুয়াল ডিস্ট্রিবিউশান সাবমিসিভ মেন্টালিটির কারনে উপভোগ্য হয়ে ওঠে। আমরা এমন এক সমাজে বাস করি যেখানে ইনিকুয়ালিটি পশু বা আদিম সমাজের চেয়েও বেশি। এবং বিজ্ঞান দিয়ে আমরা এই সাবমিসিভ মেন্টালিটি কিভাবে তৈরি হয় তা পুরো বুঝি। অথচ আমরা সেটাকে ইউজ করে লুজার বা সর্বহারাদের নিজেদের হেরে যাওয়াটা উপভোগ করতে দিতে রাজি না। হেরে যাওয়া, জীবনে কিছু না পাওয়া মানুষকে প্রকৃতি নিজের হার উপভোগ করার যে ক্ষমতা দিয়েছে সেটাকে আইনের বেড়ি পরিয়ে ঠেকানো হচ্ছে। একই সাথে সমাজে সব দিক থেকে ইনিকুয়ালিটি বাড়ছে। অথচ সেটাকে না দেখিয়ে সবাই সমান বলে হেরে যাওয়া মানুষ গুলোকে নিজের হার উপভোগ করতে না দিয়ে এক অসম্ভব লড়াইয়ে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে যা তাদের স্ট্রেস ও কষ্ট ছাড়া কিছু দেয় না।
ধরুন একটা কম্পানি। যেখানে ৯০% শ্রমিক মাসে এত কম টাকায় কাজ করে যে তাদের কোন রকমে শুধু পেট চলে। লাভ পুরোটাই টপ ১% পায়। এখন স্লেভারি সিস্টেমেও ব্যাপার তাই ছিল। স্লেভেরা খাটত, আর প্রভু তাদের মুখে লাথি মেরে লাভ পুরোটা ভোগ করত তাদের শুধু সামান্য খেতে দিয়ে।
পার্থক্যটা হল সেম জিনিসের এপ্রোচে। তখন সমাজ প্রকাশ্যে বলত সাদা প্রভুরা ভগবানের সমান। কালোদের উচিত শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে তাদের সেবা করা। এই শিক্ষার শেষে কষ্ট সত্যেও দিন শেষে সাদা প্রভুর বুটে কিস করে কালো স্লেভ এক সাবমিসিভ সুখ পেত।
কিন্তু এখন, যে খাবার টুকু ছাড়া কিছুই সামান্য মাইনে দিয়ে কিনতে পারে না তাকেও বিলিওনিয়ার মালিক বন্ধু বলে সম্বোধন করে কম্পানিতে। ব্যাপারটা এই কর্মচারির মনে কনফিউশান ছাড়া কিছুই তৈরি করতে পারে না। সে যদি বন্ধুই হবে তবে কম্পানির লাভ এত আনিকুয়ালি ডিস্ট্রিবিউট হয় কেন? আর সে স্লেভ হলে এই বন্ধুত্বের নাটক করে তার সাবমিসিভ হওয়ার যে প্রাকৃতিক সুখ, সেটা কেড়ে নেওয়ার কি মানে?
লেখাটা খুব ফালতু মনে হতে পারে, কিন্তু নিজে যতটুকু বুঝি তাতে আমাদের যন্ত্রনার বড় কারন এ যুগের এই মিথ্যাচার। আসলে এক, অথচ প্রচার করা হয় এক। স্লেভারির যুগে তারা যা বিশ্বাস করত তাই করত। সাম্যবাদীরাও সবাই সমান এতে বিশ্বাস করে আর তাই সমাজে জোর করে আনতে চায়। কিন্তু এ যুগে এর কোনটাই হয় না। শুধু মিথ্যাচার ছাড়া।
যেমন, আগের যুগে বড়লোকেরা ১০ টা বিয়ে করত। গরীব তলার ২০ জন বিয়েই করত না। এ যুগে একাধিক বিয়ে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এত গরীব যাদের পেট চলেনা, তারাও বিয়ে করছে। বাচ্চা হচ্ছে। খেতে পাচ্ছে না। বউ গাল দিচ্ছে লোকটাকে। এসবই এই মিথ্যা সবাই সমান দেখানোর ফল। এর চেয়ে এই বউটা বড়লোকের ৫ নম্বর বউ হলে তাদের বাচ্চা খেয়ে পরে থাকত। আর এ যুগের বউয়ের গরীব স্বামী, সেও সাবমিসিভ ভাবে বড়লোক মালিকের সেবা করে আজকের চেয়ে অনেক ভাল থাকত।
নিজের জীবনের অনেক দুঃখ থেকে হয়ত বেশিই বলে ফেললাম। যাই হোক, সামনের সপ্তাহে নতুন গল্প নিয়ে আসব ভাবছি। মে- জুন রেগুলার পোস্ট করব ইচ্ছা আছে। তারপর বিদায় নেব। কেউ কোন ইন্টারেস্টিং প্লট দিলে সেটা নিয়ে গল্প লেখার চেষ্টা করতে পারি।
Comments
Post a Comment