বিভু ২..

 বিভুকে নিয়ে লেখা এটা আমার ২য় গল্প/ ঘটনা। ফর্শা, রোগা, মাঝারী লম্বা বিভুকে দেখলেই যে কারো ওকে স্বয়ং ভগবানের অবতার বলে ভাবতে ইচ্ছা করবে, এতটাই অসাধারন সুন্দর দেখতে ওকে। আর স্বভাবও সেই রকম ডমিনেটিং যার ফলে ওর প্রতি ভক্তি খুব সহজেই ভিশন বেড়ে যায়।

২০১২ সালে,  বিভুর যখন ১১ বছর বয়স তখন বিভু প্রথমবার ওর থেকে দুই বছরের ছোট  কাজিন বোন মিলির সাথে আমাদের বাড়িতে আসে। আর প্রথম দিনেই আমাকে ভিশন ডমিনেট করে আর নিজের কাজিন বোনের  শরীর  ২ ঘন্টার বেশি সময় ধরে প্রানভরে ভোগ করে।  প্রভু বিভুর সাথে সেই অভিজ্ঞতা অন্য গল্প/ঘটনায় লিখেছি।

বিভু আর মিলির বাড়ির দূরত্ব ১০ কিমি মত। ফলে প্রতি সপ্তাহেই হয় বিভু মিলিদের বাড়িতে আসত। নাহয় মিলিরা যেত ওদের বাড়িতে। আর মিলির বাড়িতে এলে বিভু প্রায় প্রতিবারই মিলিদের দূর সম্পর্কের আত্মীয় ও প্রতিবেশি আমাদের বাড়িতে আসত ওর বোনের সাথে। কারন আমাদের বাড়িতে এলে আমার সামনেই দিব্বি নিশ্চিন্তে ও বোনের শরীর যেভাবে ইচ্ছা ভোগ করতে পারত। আর  আমাকেও যেরকম খুশি ডমিনেট করা ও খুব এঞ্জয় করত। এসবের শুরু সেই ২০১২ সালে যখন মিলির বয়স ৯,  বিভুর বয়স ১১ আর আমার বয়স ২২। ফর্শা বিভু ওর ঠিক ডবল বয়সী  কালো কুচকুচে আমাকে স্লেভের মতই ট্রিট করেছিল সেদিন। আর তারপর থেকে সেটাই আমাদের সম্পর্ক হয়ে দাঁড়ায়। প্রতি মাসে গড়ে ২ বার প্রভু বিভু মিলি আর জুলির সাথে আমাদের বাড়িতে আসত এরপর থেকে। এই ঘটনাটা ২০১৫ সালের মে মাসের। তখন বিভুর বয়স ১৪, মিলির ১২, জুলির ১০ আর আমার ২৫।

বিভু আসবে বলে মিলি আগের দিন থেকেই খুব এক্সাইটেড ছিল। সাধারনত বিভু এলে সকালে ১২ টার আগেই আমাদের বাড়ি চলে আসে। সেদিন দুপুর ২ টো অবধি ওয়েট করার পরেও যখন প্রভু এল না তখন আমিই মিলিদের বাড়িতে গেলাম ও আসছে না কেন দেখতে।

আমি ওদের বাড়ি যেতে মিলির বাবা, আমার বাবার খুড়তুতো ভাই,   বলল ওরা দুতলায় আছে। আমি দুতলায় গিয়ে দেখি ডাইনিং রুমের সোফায় বিভু বসে আছে। ওর পরনে একটা লাল টি শার্ট,  একটা চেন দেওয়া ছাই বারমুডা। আর প্রভুর পায়ে একজোড়া লাল চটি। সোফাতে ওর পাশেই বসে আছে মিলি । মিলির মা ( বিভুর পিসি)  পাশেই কিছু ঘরের টুকটাক কাজ করতে করতে বিভুর সাথে কথা বলছে। আর বিভুর কোলে বসে আছে মিলির ১০  বছর বয়সী ছোট ফর্শা মিষ্টি বোন জুলি।  বিভু ওকে জড়িয়ে ধরে আদর করতে করতে নিজের পিসির সাথে কথা বলছে। দুই হাতে জুলির শরীরটা আঁকড়ে ধরে জুলির সারা শরীরে হাত বোলাচ্ছে বিভু। কখনো জামার উপর দিয়ে তো কখনো জামার ভিতরে হাত ঢুকিয়ে জুলির সদ্য গজাতে শুরু করা ব্রেস্ট টিপছে বিভু।   মিলিও ওর গা ঘেঁসেই বসে আছে।

আমি উপরে উঠেই  বিভুর পায়ের কাছে হাঁটুগেড়ে বসে ওর চটি পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করলাম মিলি আর ওর মায়ের সামনেই। ততদিনে মিলির মা অনু কাকিমার কাছে এটা একদম নর্মাল ব্যাপার হয়ে গিয়েছে। সেটা কি করে হল সেটা বলতে হলে ২০১২ থেকে ২০১৫ এর মাঝের গল্প বলতে হয়। সেটা পরে অন্য গল্পে বলা যাবে।

আমি বিভুর চটি পরা দুই পায়ের উপরে মাথা রেখে ১ মিনিট মত পরে রইলাম। তারপরে বিভু আমার মাথার উপরে চটি পরা পা রেখে আমাকে আশির্বাদ করতে আমি মাথা তুলে বিভুর পায়ের কাছে বসলাম। তারপরে ওর চটি পরা পা দুটো কোলে তুলে নিয়ে ওর পা টিপে দিতে লাগলাম। আর বিভু আমার সেবা নিতে নিতে মিলি আর ওর মায়ের সাথে কথা  বলতে লাগল।

হঠাত বিভু চটি পরা ডান পা তুলে আমার মুখের উপরে বেশ জোরে একটা লাথি মেরে বলল " তোর মন কোথায় থাকে রে কুত্তা? ভাল করে পা টিপতেও পারিস না?"

অনু কাকিমার সামনে বিভু আমাকে এইভাবে মুখে লাথি মারবে আমি একদমই এক্সপেক্ট করিনি। আমি সরি বলে ওর চটি পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ক্ষমা চাইলাম। তারপরে এবারে বিভুর পায়ের তলায় শুয়ে পরে প্রভু বিভুর চটি পরা পা দুটো বুকের উপরে তুলে নিয়ে ওর পা টিপে দিতে লাগলাম।

অনু কাকিমা হেসে বলল " রবি, বিভু তোর সাথে এরকম ব্যাবহার করলে তোর খারাপ লাগে না?"

আমি উত্তর দিতে মুখ খুলতে যাওয়ার আগেই বিভু ওর চটি পরা বাঁ পা দিয়ে আমার ঠোঁট চেপে ধরে আমার ঠোঁটের উপর চটির তলা ঘসতে শুরু করল। ফলে আমি আর উত্তর দিতে পারলাম না।

কাকিমা প্রশ্নটা করেছিল অন্যদিকে তাকিয়ে একটা কাজ করতে করতে। কিছুক্ষন পরেও আমাকে উত্তর দিতে না শুনে একটু অসন্তুষ্ট হয়ে বলল " কি রে রবি , তোকে একটা প্রশ্ন করলাম না?"

এই বলে কাকিমা আমার দিকে ফিরেই দেখতে পেল যে আমার ঠোঁট দুটো বিভুর চটি পরা বাঁ পায়ের তলায়। ফলে উত্তর দেওয়ার প্রশ্নই নেই। কাকিমা দেখে হাসতে হাসতে বলল " সত্যি, বিভু আর তুই ভাল জুটি হয়েছিস বটে। বিভু যতটা ডমিনেটিং তুই ততটাই সাবমিসিভ। তোর অর্ধেক বয়সী বিভু তোর মুখে জুতো পরা পায়ে লাথি মারলেও তোর খারাপ লাগে না।"

বিভু ওর চটি পরা বাঁ পা টা তুলে আমার কপালে রাখল। আর চটি পরা  ডান পায়ে আমার নাকের উপরে লাথি মেরে বলল " পিসি, আমি যে রবির মুখে লাথি মারি সেটা ওর সৌভাগ্য।"

অনু কাকিমা হাসতে হাসতে বলল " হ্যাঁ। ওকে দেখে সেরকমই মনে হয়।  তুই ওকে ডমিনেট করতে যতটা এঞ্জয় করিস ও ঠিক ততটাই এঞ্জয় করে এই হিউমিলিএশান। তাই তোর যা ইচ্ছা তুই করতে পারিস ওর সাথে। আমাদের দেখতেও ভাল লাগে। মিলি, তুই ওদের এই পোজে একটা ফটো তুলে বিভুর মায়ের কাছে পাঠিয়ে দিস তো।"

বিভুর চটি পরা ডান পা টা তখন আমার ঠোঁটের উপরে রাখা। আর বাঁ পা টা কপালে। প্রভু দুই হাত দিয়ে ওর চার বছরের ছোট বোন জুলির ব্রেস্ট টিপছে আর  আমি প্রভুর   পা দুটো ভক্তিভরে টিপতে টিপতে ওর পা টিপে সেবা করে  চলেছি।
 মিলি উঠে ওর মোবাইল দিয়ে এই ঘটনার পর পর কয়েকটা ছবি তুলল। শেষ ছবিটা তোলার সময়ে বিভু জুলিকে নিজের কোল থেকে নামিয়ে নিজের পাশে বসাল।

ছবি তুলে মিলি এবারে ওর দাদা বিভুর কোলে এসে বসল।  বিভু মিলিকে জড়িয়ে ধরে আদর করতে লাগল। কখনও মিলির ঠোঁটে ঠোঁট লাগিয়ে ডিপ লিপ কিস করছে তো কখনো ওর টপের মধ্যে হাত ঢুকিয়ে ওর বুকে পেটে ইচ্ছা মত হাত বোলাচ্ছে। মিলির মা দেখেও এমন স্বাভাবিক রিএকশান দিচ্ছিল যেন ছোট বোনের দেহ তার দাদা ভোগ করবে এ তো স্বাভাবিক!

বিভু তখনো বোন মিলিকে কোলে বসিয়ে আদর করতে করতে নিজের চটির তলা আমার সারা মুখে জোরে জোরে ঘসছে। মাঝে মাঝে পা তুলে আমার মুখে লাথি মারছে। আর আমি ভক্তিভরে ওর পা দুটো টিপে চলেছি।

প্রায় ৩০ মিনিট এইভাবে প্রভুর সেবা করার পরে প্রভু বিভু ওর পিসিকে বলল " খুব গরম পরেছে পিসি।  এই ঘরে এসি লাগাতে পার তো?"

অনু কাকিমা তখন কাজ সেরে বিভুর উলটো দিকে একটা চেয়ারে ঠিক ওর মুখো মুখি বসে ওর সাথে কথা বলতে বলতে আমার বিভুকে সেবা করা আর বিভুর মিলিকে আদর করা দেখছিল। বিভুর কথায় বলল " হ্যাঁ। খুব গরম আজ। আর তোর এসিতে অভ্যাস। তবে এসিটা তোর দাস রবির লাগানো উচিত। দাস নিজের ঘরে এসি লাগাবে প্রভুর ঘরে না লাগিয়ে এটা তো মানা যায় না! তবে বেড রুমে আমরা এসি লাগিয়েছি। এখন ওখানেই চল।"

কাকিমা কথাটা পুরো ইয়ার্কি করে বলেছে নাকি ইয়ার্কির মধ্যেও অন্য কিছু আছে আমি বুঝতে পারলাম না। কিন্তু বিভু এই কথা শুনে আমার মুখে পরপর দুটো লাথি মেরে বলল " বাহ। ওই ঘরে গেলেই তো হয় তাহলে। চল মিলি ।"

মিলি বিভুর কোল থেকে নামতেই বিভু আমার মুখের উপরে ওর চটি পরা পা রেখেই উঠে দাঁড়াল। তারপর আমার মুখটা চটির তলায় মাড়িয়ে পাশের ঘরে চলে গেল। আমি তাড়াতাড়ি পাশের ঘরে গিয়ে এসি চালালাম। অনু কাকিমা জুলিকে নিয়ে ঘরের কিং সাইজ বেডে শুল। আর বিভু এসে কম্পিউটার টেবিলে বসতে মিলি গিয়ে দাদার কোলে বসল আবার। আর আমি নিজে থেকেই বিভুর লাল চটি পরা পায়ের কাছে মাথা রেখে শুয়ে পরলাম।

বিভু আমার মুখের উপরে চটি পরা পা দুটো তুলে দিয়ে আমার মুখের উপরে ওর চটির তলা দুটো ঘসতে লাগল। আর আমি ভক্তিভরে প্রভু বিভুর চটি পরা পা দুটো টিপে দিতে লাগলাম আবার। বিভুর হাত ততক্ষনে আবার মিলির ফ্রকের ভিতরে ঢুকে গিয়ে ওর  কচি  ব্রেস্ট টিপছে মিলির মায়ের সামনেই।

একটু পরে সাউন্ড শুনে বুঝলাম বিভু কম্পিউটারে পর্ন চালিয়েছে। একটা ১৪ বছরের সুন্দর ছেলে তার কাজিন বোনকে বোনের মায়ের সামনেই নিজের কোলে বসিয়ে পর্ন দেখাচ্ছে আর তার ব্রেস্ট টিপছে ভাবতেই কিরকম উত্তেজনা হতে লাগল। একুটু পরে দেখি বিভুর একটা হাত মিলির স্কার্টের নিচ দিয়ে ঢুকে গেল। ৩০ সেকেন্ড এরকম চলল। এরপরে বিভু নিজের প্যান্টের চেন খুলে নিজের পেনিসটা বোনের হাতে ধরিয়ে দিয়ে আবার বোনের ব্রেস্ট টিপতে লাগল দুই হাত দিয়ে। আর আমি ভক্তিভরে টিপতে লাগলাম আমার মুখের উপরে রাখা প্রভু বিভুর লাল চটি পরা পা দুটো। বিভু মাঝে মাঝে মুখ নামিয়ে মিলিকে ডিপ লিপ কিস করতে লাগল। আর আমিও প্রভু বিভুর লাল চটির তলায় একই রকম আগ্রহ নিয়ে চুম্বন করতে লাগলাম।

হঠাত অনু কাকিমার গলা পেলাম। " তুই ইচ্ছা করলে মিলির ভ্যাজাইনার ভিতরে পেনিস ঢুকিয়ে সেক্স করতে পারিস। মিলির বয়স তো ১২ হল। অনেকদিন ধরেই চটকাচ্ছিস ওর শরীর। এবার আসল কাজ শুরু করে দে। খুব ভাল লাগবে। তোর বাবাও আমার এই বয়সেই প্রথম আমার ভ্যাজাইনায় পেনিস ঢোকায়।"

অনু কাকিমার কথা শুনে বিভু নিজের পেনিসটা মিলির স্কার্টের ফাঁক দিয়ে ভিতরে ঢুকিয়ে দিল। তারপরে মিলির ভ্যাজাইনার ভিতরে ঢুকিয়ে দিল ওটা মিলিকে কিছু জিজ্ঞাসা না করেই। আমি দেখতে পাচ্ছিলাম না। তবে আন্দাজ করছিলাম প্রভু বিভুর অর্ধেক পেনিস মিলির ভ্যাজাইনার ভিতরে। আর বাকি অর্ধেক ও আসতে আসতে ভিতরে ঢোকাচ্ছে।

২-৩ মিনিটের মধ্যেই মিলির ভ্যাজাইনার মধ্যে বিভুর পেনিস পুরো ঢুকে গেল। মিলি চোখ বুজে নিজের ভ্যাজাইনায় দাদার পেনিসের স্পর্শ নিতে নিতে বলল, " উফ! কি সুখ মা!"

" হ্যাঁ রে। খুব সুখ হয় ভ্যাজাইনায় পেনিস ঢোকালে। এখন থেকে এই সুখ রেগুলার পাবি তুই মিলি।"- অনু কাকিমা নিজের মেয়েকে সেক্স করতে উতসাহ দিয়ে বলল।

" আমারও এই সুখ চাই মা দিদির মত" - কাকিমার পাশে শুয়ে থাকা ১০ বছরের জুলি বায়না করল। কাকিমা নিজের ছোট মেয়ের মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে বলল " দাদা তোর শরীর আর কিছুদিন চটকে নিক। তারপর তুইও পাবি এই সুখ। আর মেয়েদের আসল সুখ তো হয় মনে, তার দাদাকে সুখ দিয়ে। তুইও এখন দাদার পেনিস মুখে নিয়ে চুষে দাদাকে সুখ দিতে পারিস।"

ওদিকে তখন দুইহাতে বোন মিলির ব্রেস্ট টিপতে টিপতে মিলির ভ্যাজাইনায় পেনিস পুশ করতে লাগল বিভু। আর আমি ভক্তিভরে আমার প্রভু বিভুর চটি পরা পা দুটো টিপে দিতে লাগলাম। আর মাঝে মাঝেই জিভ বার করে চাটতে লাগলাম প্রভু বিভুর লাল চটির তলা।

১০ মিনিট পরে বিভু আমার মুখের উপরে পরপর দুটো লাথি মেরে বলল,  "কম্পিউটার অফ করে দে"। এই বলে মিলির ভ্যাজাইনায় পেনিস পুরে রেখেই ওকে কোলে নিয়ে আমার মুখের উপরে লাল চটি পরা পায়ে আবার উঠে দাঁড়াল। তারপরে আমাকে চটি পরা পায়ের তলায় মাড়িয়ে খাটের দিকে যেতে যেতে ওর পিসিকে বলল, " খাটে শুয়ে ভাল করে সেক্স করি পিসি।"

" হ্যাঁ, আয়। তোর যেভাবে খুশি ভোগ কর বোনকে।"   স্নেহ ভরা কন্ঠে বিভুকে বলল অনু কাকিমা।

বিভু মিলিকে নিয়ে সোজা কম্বলের মধ্যে ঢুকল। তারপর মিলির ভ্যাজাইনার মধ্যে নিজের পেনিস চালাতে লাগল জোরে জোরে। মাঝে মাঝে ওর ঠোঁট মিলির ঠোটে লাগছিল তো মাঝে মাঝে জুলির ঠোটে। ১০ বছরের বাচ্চা মেয়ে জুলিও দিব্বি দাদাকে লিপ কিস করছিল। আর বিভু মাঝে মাঝে ওর পিসি অনুরও ব্রেস্ট টিপছিল।  তবে মিলিকে ভোগ করার দিকেই ওর আগ্রহ বেশি ছিল।

" তুই নিশ্চিন্তে বোনের ভ্যাজাইনার  ভিতরে সিমেন ফেলতে পারিস বিভু। এখনো ওর মেন্স শুরু হয়নি। আর শুরু হলে আমি ওকে পিল খাওয়াব রেগুলার। যাতে নিশ্চিন্তে তুই ওকে ভোগ করতে পারিস।"

বিভু তখন খুব জোরে পেনিস পুশ করছে মিলির ভ্যাজাইনায়। প্রায় ১০ মিনিট একটানা খুব জোরে পুশ করে ও মিলিকে জাপটে ধরে ওর ভ্যাজাইনায় সিমেন ঢেলে দিল বুঝতে পারলাম।

অনু কাকিমা সস্নেহে তার মেয়েকে ভোগ করা ১৪ বছর বয়সী ভাইপোর কপালে চুম্বন করে বলল " সিমেন ফেলার পরেও পেনিস ঢুকিয়ে রেখে দে বোনের ভ্যাজাইনায়।  এক অন্য রকম আনন্দ পাবি। আমার দাদা তো আমার সাথে সেক্স করে সারারাত ভ্যাজাইনায় পেনিস ঢুকিয়ে রেখেই ঘুমাত। ইচ্ছা হলে মাঝ রাতে উঠে আবার সেক্স করতে শুরু করত।"

বিভু অনু কাকিমার ব্রেস্ট টিপতে টিপতে জুলিকে লিপ কিস করছিল তখন। ওর পেনিস তখনো মিলির ভ্যাজাইনার মধ্যে। এরপরে  কিছুক্ষন ও জুলির শরীরেও হাত বোলাল। তারপরে অনু কাকিমাকে জিজ্ঞাসা করল "তোমরা আপন ভাই বোনে কিভাবে সেক্স করা শুরু করেছিলে পিসি?"
অনু কাকিমা সেই গল্প বলা শুরু করল। আমি খাটের নিচে বসে খাটে বিভুর পায়ের কাছে মাথা রেখে বসে দুই হাত দিয়ে প্রভুর পা টিপে সেবা করতে করতে  সেই গল্প শুনে চললাম। আর মাঝে মাঝেই প্রভু বিভুর লাল চটি পরা দুই পায়ের তলায় একে দিতে লাগলাম গাঢ় চুম্বন।

Comments

Popular posts from this blog

কালু, তার মা-বোন আর ৩ প্রভু

লুজারের জীবন দর্শন ৫.....

mini stories 3 & 4