লুজারের জীবন দর্শন ২...
পেজের কিছু সমস্যার কারনে কমেন্ট বা ইনবক্সের রিপ্লাই করতে অসুবিধা হচ্ছে। তাই কিছু প্রশ্নের জবাব পোস্টেই দিচ্ছি।
যেমন একজন আমার অভিজ্ঞতার পোস্টে কমেন্ট করে বলছেন - এটা,আপনার রিয়াল অভিজ্ঞতা নয়।
এখন, আপনি যদি bdsm page e এসে আশা করেন আমি আমার ১০০% অভিজ্ঞতা অবিকৃত ভাবে পোস্ট করব সেটা সম্ভব নয়। লেখক কিছু ইনফরমেশান চেঞ্জ করবেই। কারন তার সব সময়ে ভয় থাকে যে কেউ তার পরিচয় ১০০% ধরে ফেলে তাকে এবিউজ করতে পারে। আবার ১০০% অভিজ্ঞতা হলে তাতে enjoy করার মত জিনিসের চেয়ে যন্ত্রনাদায়ক জিনিস বেশি থাকে। তা না নিজে সহজে লেখা যায়, না পাঠকের পড়তে ভাল লাগবে। আবার নিজের অভিজ্ঞতাই সামান্য ঘুরিয়ে ফিরিয়ে লিখতে আলোচনা করতে ভালোও লাগে। তাই বেশিরভাগ সময়ে এরকম কিছু লিখতে গেলে মূল কিছু পয়েন্ট ঠিক রেখে কিছু চেঞ্জ করে দেয় যে কেউ।
আমার অভিজ্ঞতার মূল পয়েন্ট হল ছোটবেলার যন্ত্রনা। যেখানে আমার মা অন্য দিকে আসক্ত থাকায় আমাকে বা বোনকে সামান্য খেয়াল ও করত না প্রায়ই। যেটা বাচ্চাদের বেসিক নিড। বাবাও ব্যাবসার কাজে বাইরে থাকত। উলটে যোগ হয়েছিল আমাদের বাড়িতে বাবার অনুপস্থিতিতে পরপুরুষদের আসা নিয়ে পাড়ার দাদাদের টিটকিরি ও মেন্টাল এবিউজ।
হাই স্কুলে ওঠার পরে যেটা বাড়ে। চেহারা ও স্বভাবের কারনে ক্লাসমেট, বিশেষ করে ৩ মনিটর খুব এবিউজ করত। মেন্টাল, সাথে কিছুটা ফিজিকালও। ক্লাসে সবাই মিলে চিৎকার করছে। পাশের ক্লাস থেকে স্যার বকা দিল। মনিটরেরা পুরো দোষ আমার ও আমার মত আরো ২ জন গোবেচারা ছাত্রের উপরে চাপিয়ে আমাদের গালে ২-৩ টে থাপ্পর মেরে নিল ডাউন করে রাখত। ব্যাপারটায় লজ্জা লাগত, আবার কিছুটা ভালও লাগত।
এরপরে ক্লাস ৮ এ আমার উপরে মিথ্যা চুরির অভিযোগ তুলে আমাকে কান ধরে টেনে নিয়ে গিয়ে মেঝেতে ফেলে দেয় অভিজিত। তারপর আমার মুখের উপরে জুতো পরা পা তুলে সারা ক্লাসের সামনে আমার মুখে লাথি মেরে আমাকে চুরির জিনিস ফেরত দিয়ে ক্ষমা চাইতে বলে। আমার ভিশন আতংক হচ্ছিল, আবার খুব ভালও লাগছিল।
সারা ক্লাসের ছেলেরা আমার এবিউজের মজা নিচ্ছিল হই হুল্লোর করতে করতে। আর অভিজিত আমার মুখের উপরে একের পর এক লাথি মেরে চলেছিল জুতো পরা পায়ে। সাথে অন্য দুই মনিটর, শতানিক আর শিলাদিত্য লাথি মারছিল আমার বুকে পেটে। এই হই হট্টগোল শুনে পাশের ক্লাস থেকে স্যার, যে আবার অভিজিতের কাকু হয়, দেখতে আসে কি হচ্ছে। স্যার আসতে অভিজিত আমার মুখে লাথি মারা বন্ধ করলেও ওর জুতো পরা পা আমার মুখের উপরেই রেখে ও স্যারকে এক্সপ্লেইন করে যে আমি অন্যের জিনিস চুরি করেছি। তখন বাকি দুই মনিটরও ওদের একটা করে জুতো পরা পা আমার বুকের উপরে রেখে দাঁড়িয়ে।
স্যার নিজের ভাইপোর প্রতি পার্শিয়ালিটি দেখাবে এটাও স্বাভাবিক। তবে স্যারের রায় দেওয়ার আগেই আমি অভিজিতের প্রতি ১০০% আত্মসমর্পন করি। বিনা কারনে বিনা প্রমানে ও সারা ক্লাসের সামনে আমার মুখের উপরে জুতো পরা পায়ে এত গুলো লাথি মারল। আর এখন আমার মুখের উপরে জুতো পরা পা রেখে দাঁড়িয়ে স্যারকে এক্সপ্লেইন করছে আমি কি অপরাধ করেছি!
আমি দুই হাত দিয়ে আমার মুখের উপরে রাখা অভিজিতের সাদা স্নিকার পরা ডান পা টা নিজের মুখের সাথে চেপে ধরি। তারপর গাঢ় চুম্বন করি ওর জুতোর তলায়। একের পর এক চুম্বন করতেই থাকি। সে যে কি অদ্ভুত ভাল লাগা বলে বোঝাতে পারব না। ওর জুতোর তলায় চুম্বন করতে করতে মনে মনে ওকে নিজের প্রভু, মালিক, দেবতা ইত্যাদি বলে সম্বোধন করে ওর কাছে ক্ষমা চাইতে থাকি। বিনা কারনে যেই অভিজিত আমাকে চোর বলে আমার মুখে লাথি মারল আমি স্বেচ্ছায় তার জুতোর তলায় চুম্বন করতে থাকি তাকে মনে মনে প্রভু বলে সম্বোধন করে।
এই শুরু। এরপরে স্যারের রায় থেকে আমার আর আমার মায়ের ক্ষমা চাওয়ার ঘটনার পরে সারা ক্লাসের সামনে আমাকে ফিজিকালি এবিউজ করা খুব স্বাভাবিক হয়ে যায় ৩ মনিটরের কাছে। অবশ্য যেই এবিউজ যাকে করা হচ্ছে সেই খুশি হয়ে মেনে নিচ্ছে, সেটাকে এবিউজ বোধহয় বলা যায় না। আমার ক্লাসের ৩ মনিটরই সারা ক্লাসের সামনে আমার মুখের উপরে জুতো পরা পা রেখে বসে আমাকে দিয়ে পা টিপিয়েছে। আমার মুখে ইচ্ছামত লাথি মেরেছে। এমনকি আমাকে দিয়ে চাটিয়ে নিজেদের জুতো পরিস্কার করিয়েছে। এটা সম্ভব হয়েছিল কারন সারা ক্লাসের সামনে আমি ছিলাম এক কুশ্রী স্বভাব চোর।
এরকম কারও প্রতি কারও খুব সহজে সহানুভুতি থাকে না। তারা ভাবে একে এমনি ছেড়ে দিলে এ হয় আমার বা আমার বন্ধুর জিনিস চুরি করবে। আর নাহলে একে স্কুল থেকে তাড়িয়ে দিলে এর প্রফেশনাল চোর হওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না। তার চেয়ে এই ভাল না? হাজার হোক, এর হাত মনিটরদের পা টিপতে সব সময় ব্যাস্ত থাকলে আর চুরি করতে পারবে না। আর একবার চুরির জন্য টানা মাসের পর মাস এরকম কঠিন শাস্তি পেয়ে গেলে ওই স্বভাব চুরির স্বভাবও বদলাতে বাধ্য! হয়ত এই ডিজিটাল যুগের কারো পক্ষে এরকম কিছু হতে পারে ভাবা কঠিন। কিন্তু আগের শতাব্দির শেষ দিকে বা এই শতাব্দির শুরুতেও যুগ ডিজিটাল ছিল না। তখন গ্রাম বাংলা বা ছোট মফস্বল শহরে এরকম কিছু ঘটা অসম্ভব ছিল না। যেখানে শাস্তি পাওয়া ছেলেটি ও তার মা নিজেই মেনে নিচ্ছে সে অপরাধী ও এরকম শাস্তির যোগ্য, অন্তত সেখানে।
আমার বোনের যৌনতার বিষয়টিও ছিল । তবে ঠিক কার সাথে,, কিভাবে আর কতটা সেটা সম্পুর্ন ঠিক করে লেখা হয়ত কঠিন।
আর এরপরে আমার বাবার সমাজের নিয়ম মেনে আমাদের পরিবারকে নিয়ন্ত্রন করতে গিয়ে সবার জীবনকে হতাশাগ্রস্ত করে তোলাও।
আমি খুব মন থেকেই বলতে চাই যে অভিজিতেরা আমার সাথে যেটা করেছিল সেটা খুবই ঠিক কাজ। এর আগে অন্যান্যদের বিভিন্ন মেন্টাল টর্চারে আমি শুধু পেইন পেতাম। এবং এ যুগেও আমার মত বহুজনের সাথেই সেটা হয়। কিন্তু এরপরে অভিজিতের মত কেউ ফিজিকালি তাকে এবিইজ করতে গেলেই এ যুগে কেউ ভিডিও করে ভাইরাল করে দেয়। বিভিন্ন জন এতে কিছু না বুঝে নাক গলায়। as if, অভিজিত খুব খারাপ কাজ করছে। এটা বন্ধ করলেই সব ঠিক হয়ে যাবে!
ব্যাপারটা মোটেই তা নয়। ইদানিং এরকম ভাইরাল হওয়া যে কয়েকটা ভিডিও আমি দেখেছি প্রতিটা দেখেই বোঝা যায় যাকে এবিউজ করা হচ্ছে সে বাধা দিচ্ছে না, এঞ্জয় করছে বরং। তারপরেও সেই ভিডিও ভাইরাল হবে, আইন ও লোকে ওই ঘটনার বিচার করবে আর ওই ভিডিও ও শেয়ার করা নিশিদ্ধ হবে শেষে। যার কোন টারই কোন মানে নেই।
যদি এ যুগেও কোন সুন্দর চেহারার ক্লাস মনিটর কোন কুশ্রী ছেলের মুখের উপরে জুতো পরা পা তুলে দিয়ে পা টেপাতে টেপাতে ক্লাস করে তাহলে তাতে বাধা না দিয়ে উতসাহই দেওয়া উচিত। খুব অস্বস্তি হলে যার সাথে হচ্ছে সেই কুশ্রী ছেলেটাকে একবার জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে তার এই ঘটনা ভাল লাগছে না খারাপ। ভাল লাগলে অবশ্যই এই ঘটনা এনকারেজ করে চলতে দেওয়া উচিত।
হয়ত আমার মতই তার জীবনে একের পর এক অপমান,, মানসিক চাপ ইত্যাদি জমা হয়ে চলেছে ছোট থেকে। অভিজিতের মত কেউ এরকম করলে তখন মনে হয় অভিজিত ভগবান। ওর সেবা করার জন্যই আমার জন্ম। তখন এই অপমান আর যন্ত্রনা দেয় না। বরং ভয়ানক সুখের উতস হয়ে দাঁড়ায়। প্রভু যখন সারা ক্লাসের সামনে নিজের জুতোর তলার ময়লা সারা মুখে মোছে আমাদের মুখকে পাপোষের মত ইউজ করে,,তখন জীবনের এক অর্থ খুঁজে পাওয়া যায়। বাকি মানসিক যন্ত্রনার বিরুদ্ধে কোন ব্যাবস্থা না নিয়ে শুধু এরকম ফিজিকাল এবিউজের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেওয়া মানে রোগের বদলে রোগের ওষুধের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেওয়া। আজকের ডিজিটাল যুগে সেটাই হয়ে চলেছে।
Comments
Post a Comment