সুমনা...
টিফিনের পরের পিরিয়ডটা ক্লাস ৮ এর অফ যাচ্ছিল। সুমনা তাই নিজের ক্লাসরুমের পাশের ফাঁকা ঘরে বসে লাইব্রেরি থেকে তোলা একটা বই পড়ছিল। হঠাত দরজা বন্ধের আওয়াজে সে চমকে উঠল। সত্রাজিত আর অনির্বান একসাথে ঘরে ঢুকেই দরজার ছিটকিনি তুলে দিয়েছে।
সুমনার হৃতপিন্ডের গতি বেড়ে গেল এক অজানা ভবিষ্যতের কথা ভেবে। যার কিছুটা অজানা আশংকা, উত্তেজনা। আর সাথে কিছুটা অদ্ভুত এক ভাললাগা।
সে চিৎকার করার বা পালানোর কোন চেষ্টাই করল না। বেঞ্চ থেকে উঠে মাথা নিচু করে ফর্শা সুন্দর চেহারার দুই ক্লাস মনিটরের সামনে মাথা নিচু করে দাঁড়াল।
ক্লাস ৫ এ হাইস্কুলে ভর্তি হওয়ার দিন থেকেই সাধারন চেহারার সুমনার সাথে অকারনে খারাপ ব্যবহার করে ক্লাসমেট অসাধারন সুন্দর চেহারার সত্রাজিত। তাকে অপমান করে, গায়ে হাত তোলে।
সত্রাজিতের দুই বন্ধু ও ক্লাসের বাকি দুই কো মনিটর অনির্বান আর অয়নও তাই করে। যত দিন যাচ্ছিল সেটা বাড়ছিল। ফিজিকাল এবিউজের পরিমানও বাড়ছিল দিন দিন। কোন কারন ছাড়া ওকে ক্লাসে নিল ডাউন করিয়ে দিত। দুই ঘন্টা নিল ডাউন হয়ে থাকার পরে ওর দুই গালে থাপ্পর মেরে ওকে উঠে যেতে বলত। ওকে দিয়ে নিজেদের জুতো পালিশ করাত। ঠিক করে পালিশ করেনি অজুহাত দিয়ে মুখে লাথি মারত সারা ক্লাসের সামনেই।
ওর চুলের মুঠি ধরে ঝাঁকাত, থাপ্পর মারত তুচ্ছ অজুহাত দেখিয়ে। সারা ক্লাসের সামনে তাকে হাসির পাত্র করে তুলেছিল ৩ ক্লাস মনিটর। সুমনার খুব কান্না পেত। পালাতে ইচ্ছা করত মাঝে মাঝে। আবার এই অপমান খুব ভালও লাগত কোন এক অদ্ভুত কারনে। তাই সে কোনদিন এই এবিউজ নিয়ে কোন টিচারের কাছে অভিযোগ করে নি।
তাকে এইভাবে আত্মসমর্পন করতে দেখে দুই মনিটরেরই মুখে হাসি ফুটে উঠল। তারপর তার দুই গালে খুব জোরে দুটো থাপ্পর মারল সত্রা। " কাকে বলে এই ঘরে এসেছিস তুই মাগী?" এই বলে সুমনার চুলের মুঠি চেপে ধরল সত্রাজিত।
" সরি স্যার, ভুল হয়ে গেছে। " - তাকে ফিজিকালি এবিউজ করা দুই ক্লাস মনিটরের কাছে সম্পুর্ন আত্মসমর্পন করা সুমনার বুক এক অজানা উত্তেজনায় ধুকপুক করছিল। তার মনে হচ্ছিল আজ এমন কিছু একটা হবে যা আগে হয়নি।
" কান ধরে নিল ডাউন হ" - তার গালে থাপ্পর মেরে বলল অনি।
বিনা প্রতিবাদে আদেশ পালন করল সুমনা।
সে নিল ডাউন হতেই তার দুই গালে পরপর ৫-৬ টা থাপ্পর মারল অনি। আর সত্রা তার বুকে জুতো পরা পায়ে লাথি মারতে লাগল। শেষ লাথিটা তার স্তনের উপরে এত জোরে পরল যে সে উলটে পরে গেল।
' খানকি মাগি, উলটে পরে গিয়ে নাটক মারাচ্ছিস?" - এই বলে তার নাকটাকে সাদা স্নিকার পরা ডান পায়ের তলায় চেপে ধরল সত্রাজিত। আর অনির্বান তার গলাটা চেপে ধরল সাদা স্নিকার পরা বাঁ পায়ের তলায়।
" সরি স্যার" বলে তার নাক চেপে ধরা সত্রার ডান জুতোর হিল টাকে নিজের ঠোঁটের সাথে চেপে ধরে জুতোর তলায় চুমু খেয়ে ক্ষমা চাইল সুমনা।
" এত সহজে আজ ছাড়া পাবি না মাগি। ওঠ। রুলস ভাঙার শাস্তি কি হয় আজ তোকে বুঝিয়ে ছাড়ব।" - এই বলে অনি তার গলার উপরে খুব জোরে একটা লাথি মারল।
দুজনে পা সরাতে সুমনা উঠে আবার হাঁটু গেড়ে নিল ডাউন হল। সত্রা ওর চুলের মুঠি ধরে ওর দুই গালে একের পর এক থাপ্পর মারতে লাগল। আর অনির্বান নিজের প্যান্টের চেন খুলে নিজের পেনিসটা বার করে সুমনার মুখের সামনে ধরে বলল "চোষ রেন্ডি।"
তাকে ফিজিকালি আগে অনেক এবিউজ করলেও ব্রেস্ট টিপে ধরার বেশি সেক্সুয়াল এবিউজ আগে কেউ করেনি। কি এক অজানা অনুভুতি এসে ভর করল সুমনাকে। সে বিনা প্রতিবাদে অনির্বানের ফর্শা সুন্দর পেনিসটা নিজের মুখের ভিতরে ঢুকিয়ে চুষতে লাগল।
সে যতটা মন দিয়ে আগে মনিটরদের জুতো পালিশ করে তাদের খুশি করার চেষ্টা করত তারচেয়ে বহুগুন বেশি মন দিয়ে অনির পেনিস চুষে তাকে প্লিজ করতে চেষ্টা করতে লাগল। আর অনি সুমনার চুলের মুঠি ধরে তার মুখের ভিতরে নিজের পেনিস ঢোকাতে লাগল জোরে জোরে।
২-৩ মিনিট পরে অনি তাকে চুলের মুঠি ধরে টেনে তুলল। তারপরে হাই বেঞ্চের উপরে তাকে এমন ভাবে শোয়াল যাতে সে উপুড় হয়ে শোয়া সুমনার যোনিতে নিজের পেনিস ঢোকাতে পারে। একটানে সুমনার প্যান্টি খুলে ছুড়ে ফেলে ওর স্কার্টের ফাঁক দিয়ে নিজের পেনিস ওর যোনিতে ঢুকিয়ে দিল অনি। প্রানভরে সে ভোগ করতে লাগল ক্লাস ৮ এর কচি মেয়ে সুমনার যোনি।
সত্রা ততক্ষনে সুমনার মুখে নিজের পেনিস ঢুকিয়ে দিয়েছে। একটানা ঠাপিয়ে চলেছে সে সুমনার মুখটা। সুমনা বিন্দুমাত্র প্রতিবাদ ছাড়া সহ্য করে চলেছে সব, এটা অনি আর সত্রার সেক্স ফিল আরো বাড়িয়ে দিচ্ছিল। সত্রা সুমনার মুখ ঠাপাতে ঠাপাতে ওর ব্রেস্ট দুই হাতে গায়ের জোরে টিপছিল।
১০ মিনিট এরকম চলার পরে প্রায় একই সাথে সুমনার যোনি আর মুখে বীর্য ঢেলে দিল অনি আর সত্রা। সুমনা বিন্দুমাত্র প্রতিবাদ না করে গিলে খেল সত্রার বীর্য।
সুমনা ভেবেছিল এবার ওকে ছেড়ে দেবে ওরা। কিন্তু না। ওকে সম্পুর্ন ল্যাংটো করে ওর সারা দেহ চটকাতে লাগল ওরা দুজন। কখনো গায়ের জোরে ব্রেস্ট টিপছে তো কখনো চুলের মুঠি ধরে থাপ্পর মারছে ওরা। এরকম ১৫-২০ মিনিট করার পরে আবার ওদের পেনিস যথেস্ট ইরেক্ট হল। এবার অনি ওর মুখে আর সত্রা ওর যোনিতে শিশ্ন ঢুকিয়ে যেমন খুশি ঠাপাতে লাগল ওকে।
আরো ১০ মিনিট এইভাবে ওকে ইচ্ছামত ঠাপিয়ে ওর যোনি আর মুখে বীর্য ঢেলে দিল ওরা।
সত্রা ওর যোনি থেকে শিশ্ন বার করে হাসিমুখে বলল "এবার আমাদের জুতো ভাল করে পালিশ করে দিলেই তোর শাস্তি আজকের মত শেষ।"
কথাটা শুনে বেঞ্চে বসা সত্রা আর অনির পায়ের কাছে হাঁটুগেড়ে বসে ওদের জুতো পরা চারটে পায়ে পরপর চুম্বন করে " থ্যাংক ইউ স্যার" বলল সুমনা। তারপরে জিভ বার করে চাটতে লাগল সত্রার জুতো। প্রথমে সত্রার জুতো পরা বাঁ পা, তারপরে জুতো পরা ডান পা সে জিভ দিয়ে চেটে পরিস্কার করল।
সে যখন সত্রার একটা জুতো চাটছিল তখন সত্রা অন্য জুতো পরা পা দিয়ে তার মুখে লাথি মারছিল। সে বিন্দুমাত্র প্রতিবাদ না করে চেষ্টা করছিল তার উপরে বিনা কারনে অত্যাচার করে চলা দুই "প্রভু" কে সর্বোচ্চ প্লিজ করার।
সুমনা সত্রা আর অনির জুতোর উপর দিক জিভ দিয়ে চেটে পরিস্কার করার পরে অনির্বান ওর মুখে লাথি মেরে বলল "জুতোর তলাটা কে পালিশ করবে খানকি কুত্তি?"
" সরি প্রভু" বলে অনির জুতোর উপরে চুম্বন করে ক্ষমা চেয়ে নিল সুমনা। তারপরে প্রথমে অনির্বানের বাঁ জুতোর তলা তারপরে ডান জুতোর তলা জিভ দিয়ে চেটে পরিস্কার করে দিল। তারপরে পরিস্কার করল সত্রাজিতের জুতোর তলা। প্রথমে ডান জুতোর তলা, তারপরে বাঁ। কাজ শেষ হয়ে গেলে সত্রাজিত ওর মুখে লাথি মেরে বলল, " তোকে পোষা খানকির মত চোদার জন্য আমাদের ধন্যবাদ দে মাগি।"
সুমনা ওর দুই প্রভুর জুতোর তলায় চুম্বন করে ওদের ধন্যবাদ দিতে লাগল ওকে এইভাবে দাসীর মত ব্যাবহার করার জন্য, পোষা কুত্তির মত চোদার জন্য।
প্রায় ৫ মিনিট ওকে এইভাবে ধন্যবাদ দিতে দিল দুই প্রভু। তারপরে ওর মুখে লাথি মেরে অনি বলল এবার হাঁ করে বোস মাগি। তোর মুখের ভিতরে পেচ্ছাপ করব আমি।
সুমনা হাঁ করল। আর হাঁটুগেরে নিল ডাউন হয়ে বসে থাকা সুমনার মুখের ভিতরে পরপর পেচ্ছাপ করল অনি আর সত্রা। তারপরে বেরিয়ে গেল ঘরের ছিটকিনি খুলে। সুমনা ঘরের মেঝেতে এক অদ্ভুত অনুভুতি নিয়ে বসে রইল। একই সাথে তার মন অনি আর সত্রার প্রতি ভক্তিতে ভরে উঠেছিল। সেই সাথে তার ভয় করছিল ক্লাসের সবার সামনে এবার থেকে আরো কত খারাপ ব্যাবহার করবে দুই বা তিন প্রভু? আর যদি তার পেটে বাচ্চা চলে আসে এইভাবে প্রভুরা তাকে যৌনভাবে ভোগ করার ফলে তাহলে কি হবে?
Comments
Post a Comment