রাজুর অদ্ভুত জীবন....

 রাজুর অদ্ভুত জীবন....

( warning : - 18+ / Adult content)

"এই দুনিয়ায় অবিচারই হচ্ছে একমাত্র বিচার। মানুষের দুনিয়ায় যার প্রায় কিচ্ছু নেই, তার শেষ সম্বলটুকু কেড়ে নিয়ে যার সব আছে তার পায়ের নিচে বিলিয়ে দেওয়ার নামই হল বিচার। পশুর উপরেও পশু এত অবিচার করে না যতটা মানুষ মানুষের উপরে করে। যতদিন দুনিয়ায় মানুষ আছে ততদিন এই ব্যাবস্থাই চলছে। আর যাতে অসহায়ের শেষ সম্বল কেড়ে নেওয়ার সময় সে কোন বাধা দিতে না পারে, সেটা নিশ্চিত করার জন্যই আছে আইন,পুলিশ, রাষ্ট্র। তাদের কাজ বিচারের মোড়কে চুড়ান্ত অবিচার পরিবেশন করা যাতে যাদের সব আছে সেই সল্প সংখ্যক মানুষ আরো আরো বেশি পায়। সংখ্যাগুরু গরীব, অসহায় মানুষের রক্ত জল করা পরিশ্রমের সুফল যাতে শুধু তারাই পায়,  যারা কোন প্রকৃত কাজই করে না অথচ  যাদের অঢেল টাকা ও সুখ। ১% মানুষের সেই সুখ যেন আরো আরো বেশি বাড়ানো যায় সেই লক্ষ্যেই  বাকি মানুষকে দিয়ে আরো বেশি কাজ করিয়ে চলেছে রাষ্ট্র ও সমাজ।"

আমার মামা অনেক হতাশা নিয়ে এরকম কথা প্রায়ই বলত। আমিও ভাবতাম মাঝে মাঝে আমাদের এই নিষ্ঠুর দুনিয়ার কথা। খারাপও লাগত অবশ্যই। কিন্তু আশ্চর্য জনক ভাবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমার রিএকশান হত ঠিক এর উলটো।

যেমন বলিউডের নায়িকারা। স্রেফ বাবা মা সিনেমার জগতের লোক এই পরিচয়ের কল্যানে তারাও বিনা পরিশ্রমে সিনেমার নায়িকা হয়ে যায় । একটা ২-৩ ঘন্টার সিনেমায় অভিনয়ের জন্য তারা পায় ১০-২০ বা ৩০ কোটি টাকা। একটা ৩০ সেকেন্ডের বিজ্ঞাপন,  যা শুট করতে ১০ মিনিটও লাগে নি তার জন্যও তারা পায় কয়েক কোটি টাকা। অথচ কারখানায় প্রতিদিন ১০ ঘন্টা করে রক্ত জল করা অমানুষিক পরিশ্রম করে যেই শ্রমিকেরা সেই প্রোডাক্টটি বানায় তাদের রোজগার মাসে ১০ হাজারও হয় না। হায় রে দুনিয়া!

কিন্তু আশ্চর্য হল সেই শ্রমিক পরিবারের ছেলে হয়েও এই অবিচার কেন জানি না মাঝে মাঝে ভিশন ভাল লাগে আমার। নিজের ঘরের বেড়ার দেওয়ালে আমি এরকমই একাধিক নায়িকার পোস্টার লাগিয়ে রাখি। রোজ সকালে আর রাতে আমি তাদের পোস্টারের জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করি, জুতোর উপর চুম্বন করি। কি এক অদ্ভুত ভাল লাগা কাজ করে। কেন? নিজেও আমি ভাল জানি না। হয়ত সত্যিটা এত বেশি যন্ত্রনাদায়ক যে সেটা সহ্য করার ক্ষমতা আমার নেই। তাই এই অন্যায়ের কাছেই সারেন্ডার করে আমার ব্রেইন  এক অদ্ভুত সুখ পায়। সিনেমার এই নায়িকাদের স্বয়ং ভগবান বলে ভাবে!

 আমাদের  নিজের পরিবারেও অবশ্য অবিচার কিছু কম নেই। আমাদের পরিবার বলতে মোট ৬ জন। আমি রাজু, সরকারী ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র। ক্যাম্পাস ইন্টারভিউতে সদ্য চাকরি পেয়েছি মাসে ৮০ হাজার টাকা মাইনের। পরের বছর জয়েন করার কথা। এখনই আমি টিউশান পড়িয়ে মাসে প্রায় ১৫ হাজার টাকা রোজগার করি। আমার মামা টোটো চালিয়ে মাসে ২০ হাজার মত রোজগার করে। রোজ সকাল হতেই টোটো নিয়ে বেড়িয়ে যায় আর রাতে ফেরে ১০ টা বাজলে। আমার মা কাজ করে এক কারখানায়। সকাল ৯ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা, সপ্তাহে ৬ দিন ডিউটি। সকালে বেরনোর আগে মা রান্না করে সবার জন্য। ফিরে এসে আবার ঘরের বাকি কাজে লেগে পরে। আমার দিদার বয়স ৬৫ মত হবে। চোখে ছানি পরায় চোখ কিরকম অদ্ভুত ঘোলাটে হয়ে গেছে। সেই নিয়েও সে যতটা পারে বাড়ির বিভিন্ন কাজ সামলায়।

পরিবারের বাকি দুই সদস্য আমার মামি আর তার মেয়ে মিমি। মামির বয়স ৩৩ মত হবে, আর মিমির এখন ১৫। দুজনই দেখতে ফর্শা আর অসাধারন সুন্দরী। বাড়িতে তাদের কাজ? সবচেয়ে কঠিন কাজটা তারা দুজনই করে। আমাদের পরিশ্রমের সুফল ভোগ করা! আর সেটাও কোন এক অজানা কারনে আমি ভিশন উপভোগ করি!

আমার মামির মত এত সুন্দরী এক মহিলা মাত্র ১৬ বছর বয়সে মামার মত এক ভ্যান চালকের সাথে পালিয়ে কেন বিয়ে করেছিল সে এক রহস্য! মায়ের থেকে শুনেছি মামির ছোট বয়স থেকেই একাধিক পুরুষের সাথে যৌন সম্পর্ক তৈরি হয়। সেটা জানতে পেরে তার মধ্যবিত্ত ব্যাবসায়ী বাবা এক শিক্ষকের সাথে তাড়াতাড়ি তার বিয়ে ঠিক করে ফেলে। কিন্তু ওই উদ্যাম জীবন কাটাতে পারবে না সেটা মামি মানতে পারে নি। তখন কোনভাবে মামার সাথে তার পরিচয় হয়। মামি চাইছিল তার পরকীয়া মেনে নেবে এমন এক বুদ্ধু স্বামী! আর মামার মত এক খেটে খাওয়া বছর ২৩ এর যুবকের পক্ষে মামির মত অত সুন্দরী এক কিশোরীর কোন প্রস্তাবই ফেরানো কঠিন। মামা নিজের পেশা লুকিয়েই মামিকে নিয়ে পালায়।

মামা যেমন নিজের পেশা নিয়ে মিথ্যা বলেছিল তেমনই মামিও মিথ্যা বলেছিল তার সম্পর্ক নিয়ে। মামি বলেছিল সে তার কাজিন দাদাকে ভালবাসে, তাকেই শরীর মন দিয়ে চায়। সেটা জানতে পেরে তার বাবা তার বিয়ে দিয়ে দিচ্ছে। শুধু এই সম্পর্কটা মেনে নিলে সে যেকোন পুরুষকে বিয়ে করতে রাজি!
বিয়ের পরে মামার আসল পেশা জানতে পেরে মামির একদিকে সুবিধাই হয়। সে তার বাকি সম্পর্ক গুলো ক্রমে প্রকাশ্যে আনে। তার মধ্যে ক্লাসমেট ছেলে থেকে সিনিয়ার, ম্যাথ স্যার থেকে প্রতিবেশি, কাজিন দাদা থেকে আপন দাদা মোট ৬ জন ছিল!
ক্রমে সে বাড়ির সবার সামনেই এদের বাড়িতে ডেকে আড্ডা দেওয়া শুরু করে। তারপর শুরু হয় এদের নিজের ঘরে নিয়ে গিয়ে ঘরের দরজা বন্ধ করে দেওয়া। মামা খুব কষ্ট পেত বুঝতাম। তাও কিছু বলে উঠতে পারত না। মামার জীবনে সবচেয়ে বড় দূর্বলতা ছিল মামি। মামির মামার প্রতি সামান্যও ভালবাসা ছিল না। আর মামার মামির প্রতি ছিল সীমাহীন প্রেম ও আবেগ। হায় রে দুনিয়া! এত গভীর প্রেমের পরিবর্তে মামা  কোনদিন মামির মুখ থেকে তার প্রতি একটা মিষ্টি কথাও শুনতে পায় নি।

এভাবেই দিন কাটছিল। মামির মেয়ে মিমি যত বড় হচ্ছিল তত ঠিক মামির মতই তৈরি হচ্ছিল। একই রকম সেল্ফিশ স্বভাব,,একইরকম সুন্দর চেহারা! মা ছাড়া বাড়ির বাকি সবার প্রতি খারাপ ব্যাবহার, মামা না থাকলে ছোট  কারনেও আমার বা মায়ের গায়ে হাত তোলা সবই সে নিজের মায়ের মতই পেয়েছিল। এমনকি শরীরি স্বভাবও। বয়স ১১-১২ হতে না হতেই সেও বিভিন্ন ছেলের সাথে জড়াজড়ি করে বসে থাকত বাড়ির সবার সামনে। ওর  মামা আর তার ছেলে ছোট থেকেই ওকে জড়িয়ে ধরে খুব আদর করত। বয়স ১১-১২ হতে মামারা এলেই ও রাতে ওর মামাতো দাদার সাথে এক খাটে ঘুমাত। আর ওর মা ঘুমাত নিজের দাদার সাথে। আর আমার যে কাজিন বোন নিজের অন্য কাজিন দাদার সাথে প্রায়ই রাতে সেক্স করে, আমি রোজ দুইবেলা তার পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করতে শুরু করি। হ্যাঁ, তার স্বভাব সব জেনেও। সে এক অদ্ভুত ভাললাগা!

সত্যি, ভাবতে গেলে আমার নিজেরই অবাক লাগে। আমাদের বাড়িতে বাকি ৪ জন সকাল থেকে রাত প্রতিদিন ভয়ানক পরিশ্রম করি। অথচ তার বদলে এ সংসার থেকে কিছুই পাই না। মামি আর মিমির ক্ষেত্রে ঘটনা ঠিক এর উলটো। আমাদের পরিশ্রমের টাকায় মা আর মেয়ে শপিং করে, রেস্টুরেন্টে খায়। সারাদিন কাজ বলতে তাদের এই বা অনলাইনে চ্যাট। সেই সাথে কারনে অকারনে আমাকে,  মাকে  আর দিদাকে গালাগালি করা। ইচ্ছা হলে গায়েও হাত তোলা। আর সেই সাথে  পুরুষের সাথে দেহ সুখ ভোগ করা। সত্যি, কি সুন্দর জীবন ওদের!
আমার এতে কিন্তু খারাপ লাগত না, বরং এক কেমন অদ্ভুত অসাধারন ভাল লাগত। মায়েরও লাগত। মা যতদিন যাচ্ছিল তত বেশি সাবমিসিভ হয়ে উঠছিল নিজের বৌদি আর ভাইঝির প্রতি। আমাকেও নিজের মতই চলতে বলত। দিদাও ছিল মায়েরই মত যেন। শুধু মামা মাঝে মাঝে নিজের বৌ বা মেয়ের প্রতি একটু রাগ দেখিয়ে ফেলত তাদের ভিশন ভালবাসার পরেও। কিন্তু বাড়িতে অন্য কাউকেই নিজের পাশে না পেয়ে মামা শেষে অসহায় হয়ে চুপ করে যেত।

আমাদের জীবন সম্পুর্ন বদলে গেল যেদিন আমি ক্যাম্পাস ইন্টারভিউতে চাকরি পেলাম সেদিন। ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে চান্স পেয়েই আমি আমার ১২ বছর বয়সী বোনের পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করেছিলাম বাড়ির বাকি সবার সামনেই। এরপর থেকে রোজই সকাল আর রাতে ওর আর ওর মায়ের  পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ভক্তিভরে প্রনাম করতাম আমি। বহুবার এমন হয়েছে আমি রাতে কলেজ আর টিউশান সেরে রাত ৮  টায় বাড়ি ফিরে দেখি বোন ওর চেয়ে ৩ বছরের বড় ওর মামাতো দাদার কোলে বসে আদর খাচ্ছে। ওর মামাতো দাদা ওকে কোলে নিয়ে বসিয়ে সবার সামনেই ওকে জড়িয়ে ধরে লিপ কিস করছে আর ওর জামার মধ্য দিয়ে হাত ঢুকিয়ে ওর ব্রেস্ট টিপছে। আমিও ওর কাজিন দাদা হওয়া  সত্ত্বেও এই অবস্থাতেই ওদের পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে বোনের চটি পরা পায়ের উপর নিজের মাথা রেখে প্রনাম করি। বোন আমার দিকে তাকিয়েও দেখে না। ও ওর অন্য কাজিন দাদার সাথে শরীরি খেলায় ব্যাস্ত। আমি, ওর অন্য কাজিন দাদা ওর চটি পরা পা দুটো দুই হাতে ধরে তার উপরে নিজের মাথা ঘসছি। আমার মামি পাশেই বসে মুচকি হেসে পুরো ঘটনাটা দেখছে।

এই অদ্ভুত অপমান জনক ঘটনা আমার খারাপ লাগার কথা। অথচ কেন জানি না, আমার ভিশন ভাল লাগত এই বিভত্স অপমান। আমার মামাতো বোনের চটি পরা পা দুটো নিজের মুখের উপরে তুলে শুয়ে পরতাম আমি। বোনের মামাতো দাদা দুই হাতে তার স্তন টিপে খেলত আর আমি দুই হাতে ভক্তি ভরে টিপতাম বোনের দুই পা। বোনের মামাতো দাদা নিজের ঠোঁট ডুবিয়ে দিত আমার বোনের নরম ঠোঁটে। আর আমি তখন নিজের ঠোঁট ডুবিয়ে দিতাম বোনের নোংরা চটির তলায়। একের পর এক চুম্বনে ভরিয়ে তুলতাম আমার কাজিন বোনের দুই চটির তলা।

বোনের মামাতো দাদা তখন আমাকে দেখে মুচকি হাসত বোনের শরীর ভোগ করতে করতে। তারপর নিজের ফর্শা পেনিস বের করে আনত প্যান্টের চেন খুলে। বোন সেটা ওর ফর্শা নরম হাতে নিয়ে কিছুক্ষন খেলত। তারপর ওর দাদা  আসতে আসতে সেটা ওর স্কার্টের ফাঁক দিয়ে ঢুকিয়ে দিত বোনের ভ্যাজাইনায়। আমি দেখতে পেতাম না, কিন্তু অনুভব করতাম। আমাকে পায়ের তলায় ফেলে ওরা উদ্দাম সঙ্গমে মত্ত হয়ে যেত। বোন বা তার সেক্স পার্টনার দাদার কোন হুঁশ থাকত না আর যৌন সুখে। আমি ওদের পায়ের নিচে শুয়ে দেখতাম সুখী মানুষদের সীমাহীন সুখকে। নিজে লুজার হওয়ার জন্য এক সামান্য কষ্ট বুকে এসে ভর করত সামান্য সময়ের জন্য। তারপরই সেই কষ্ট বদলে যেত এক অদ্ভুত বিচিত্র সুখে! এটাই বোধহয় আমার মত লুজারদের জন্য একমাত্র available pleasure! ( ক্রমশ?)
 ( bangla femdom page er রাজু গল্পের চরিত্রের উপরে ভিত্তি করে লেখা গল্প। এই গল্পে যৌনতা থাকায় ওই পেজে গল্পটি রাখা হয় নি। তাই আমি এই পেজে গল্পটি পুনরায় পোস্ট করলাম।)

Comments

Popular posts from this blog

কালু, তার মা-বোন আর ৩ প্রভু

লুজারের জীবন দর্শন ৫.....

mini stories 3 & 4