রাজা, রিচা ও কালু
রাজা, রিচা ও কালু ( new extended version)...
তখন আমার মাধ্যমিক পরীক্ষা সদ্য শেষ হয়েছে। আমি, রাজা আর রিচা আমাদের ঘরে কম্পিউটার খুলে ফেসবুক ভিডিও দেখছিলাম। তখন রিচা ক্লাস ৭ এ পড়ে আর রাজা ৯ এ। রিচা আমার খুড়তুতো বোন, আমাদের জয়েন্ট ফ্যামিলি হওয়ায় আমরা এক বাড়িতেই থাকতাম। রাজা রিচার মামাতো দাদা। ওরা আমাদের পাশের পাড়ায় থাকায় প্রায় রোজই আমাদের বাড়িতে আসত।
রিচা আর রাজা দুজনকেই দেখতে খুব সুন্দর। যেন ফর্শা মিষ্টি চেহারার দুই রাজপুত্র আর রাজকন্যা। আর আমার চেহারা যেমন একটু কালো ও খারাপ, তেমনই আমি বেশ চুপচাপ শান্ত টাইপের ছেলে ছিলাম। রিচা ছোট থেকেই আমার পিছনে লাগত তাই। সেই সাথে মাঝে মাঝেই রাজাও লাগত। আমি গায়ে মাখতাম না বেশি।
সেদিন ফেসবুকে ভিডিও দেখতে দেখতে হঠাত একটা ভিডিও এল। একটা খুব সুন্দরী শ্বেতাঙ্গ মেয়েকে রাস্তায় তিন জন ছেলে একটা প্রস্তাব দিল। যে তার চোখ একজন দুই হাত দিয়ে চেপে বন্ধ করে রাখবে। আর বাকি দুই জনের এক জন তার ঠোঁটে আর অন্যজন তার পায়ের জুতোয় চুমু খাবে। মেয়েটি যদি বলতে পারে কে ঠোঁটে চুমু খেয়েছে আর কে জুতোয় তাহলে তাকে ১০০ ডলার দেবে ওরা।
ওমা! মেয়েটি দিব্বি রাজি হয়ে গেল! ছেলে তিন জনের একজন শ্বেতাঙ্গ, একজন কৃষ্ণাঙ্গ আর অন্যজন চীনা। তো চীনা ছেলেটি গিয়ে পিছন থেকে মেয়েটির চোখ চেপে ধরল। এবার সাদা ছেলেটি এগিয়ে গিয়ে সাদা মেয়েটির সুন্দর ঠোঁটে নিজের ঠোঁট ডুবিয়ে দিল। আর কালো ছেলেটি সেই অবস্থায় সাদা ছেলে আর মেয়েটির পায়ের কাছে হাঁটুগেড়ে বসে পরল। তারপর মেয়েটির সাদা স্নিকার পরা দুই পায়ে একের পর এক চুম্বন করতে লাগল। সাদা ছেলেটি তখন মেয়েটির ঠোঁটে ঠোঁট ডুবিয়ে গাঢ় চুম্বন করছে আর মেয়েটিও চোখ বন্ধ অবস্থাতেই ছেলেটির কোমরে দুই হাত রেখে লিপ কিস বেশ ভালভাবে উপভোগ করছে। ৩০ সেকেন্ড পরে সাদা ছেলেটি নিজের স্নিকার পরা ডান পা টা কালো ছেলেটির মাথার উপরে তুলে দিল। নিজের জুতো পরা পা দিয়ে কালো ছেলেটির মাথা সে সাদা মেয়েটির জুতো পরা পায়ের সাথে চেপে ধরতে লাগল। এই অবস্থায় সাদা ছেলেটি চুম্বন করতে লাগল সাদা মেয়েটির ঠোঁটে ঠোঁট লাগিয়ে। আর কালো ছেলেটি চুম্বন করতে লাগল মেয়েটির জুতো পরা পায়ে।
এভাবে ঠিক এক মিনিট চলল। তারপর সাদা আর কালো ছেলেটি সরে দাঁড়ালে চীনা ছেলেটা মেয়েটির চোখ ছেড়ে দিয়ে জিজ্ঞাসা করল কে তাকে লিপ কিস করেছে আর কে শু কিস করেছে। মেয়েটি এক সেকেন্ডের মধ্যে সাদা ছেলেটির দিকে ফ্লাইং কিস ছুড়ে বলল ও লিপ কিস করেছে আর কালো ছেলেটার দিকে আঙুল দেখিয়ে বলল ওই লুজারটা শু কিস করেছে!
ব্যাস! কালো ছেলেটা নিজের পকেট থেকে ১০০ ডলার বার করে সাদা মেয়েটির দিকে এগিয়ে দিল। চুক্তি মত এটা মেয়েটির প্রাপ্য। চুক্তি মত এবার সাদা ছেলেটা মেয়েটিকে ২ মিনিট ধরে লিপ কিস করবে আর কালো ছেলেটা শু কিস। তবে এবার মেয়েটি চোখ খুলে সব উপভোগ করতে পারবে!
এবার সাদা ছেলেটি মেয়েটির কাছে যেতেই মেয়েটা তাকে সম্পুর্ন জড়িয়ে ধরল। শরীরে শরীর মিলিয়ে একে অপরের ঠোঁটে ঠোঁট ডুবিয়ে দিল তারা। তারপর দুই মিনিট ধরে গাঢ় লিপ কিস চলতেই লাগল!
ওদিকে কালো ছেলেটি আবার ওদের পায়ের কাছে উপুড় হয়ে শুয়ে পরেছে। সে মেয়েটির দুই স্নিকার পরা পা চুম্বনে চুম্বনে ভরিয়ে দিতে লাগল। একটু পরে মেয়েটি নিজের স্নিকার পরা পা দুটো কালো ছেলেটির পিঠ আর মাথার উপরে রেখে উঠে দাঁড়াতে কালো ছেলেটি এবার সাদা ছেলেটির স্নিকার পরা পা দুটো চুম্বনে চুম্বনে ভরিয়ে দিতে লাগল ভক্তিভরে। কৃষ্ণাঙ্গ ছেলেটা শ্বেতাঙ্গ ছেলেটির দুই জুতোর উপরে চুম্বন করতে লাগল আর সেই অবস্থায় শ্বেতাঙ্গ ছেলেটি চুম্বন করতে লাগল শ্বেতাঙ্গ মেয়েটির ঠোঁটে।
দুই মিনিট পার হতে চুম্বন কান্ড শেষ হল দুজনের। চীনা ছেলেটা মেয়েটাকে ধন্যবাদ দিয়ে প্রথমে মেয়েটির সাথে হ্যান্ডশেক করল। আর তারপরে তার দুই গালে চুম্বন করে ধন্যবাদ দিল। মেয়েটা নিজে থেকে সাদা ছেলেটার ফোন নাম্বার নিয়ে বাই বলে চলে গেল।
ভিডিওটা শেষ হতে রাজা রিচার দিকে তাকিয়ে বলল - "দারুন ভিডিও না রে বোন?"
রিচা বলল, " হ্যাঁ, খুব এক্সাইটিং।"
রাজা বলল - " চল, আমরাও এরকম প্লে করি। আমি তোর চোখ বেঁধে দেব। তারপর আমাদের দুই জনের মধ্যে এক জন তোকে লিপ কিস করবে আর অন্য জন শু কিস। তুই যদি বলতে পারিস কে কোনটা করেছে তাহলে তোকে ১০০ টাকা দেবে কালু। ওকে?"
" ওক্কে!" বলে রিচা দিব্বি রাজি হয়ে গেল। আমার অনুমতিও নিল না কেউ!
রাজা নিজের পকেট থেকে রুমাল বার করে রিচার চোখে বেঁধে দিল। তারপর " রেডি?" কিনা জিজ্ঞাসা করল ওকে।
রিচা " হ্যাঁ" বলতেই চেয়ারে বসা রাজা এক হ্যাচকা টানে ওকে নিজের কাছে টেনে নিল। তারপর ওর চেয়ে দুই বছরের ছোট পিসতুতো বোনকে কোলে বসিয়ে নিল একেবারে! রিচা রাজার কোলে বসা আর দুজনের মুখ পরস্পরের দিকে। এই অবস্থায় রাজা রিচার ঠোঁটে নিজের ঠোঁট ডুবিয়ে দিল। দুই হাতে নিজের কাজিন বোনকে জড়িয়ে ধরে গাঢ় লিপ কিস করতে লাগল রাজা। আর রিচাও দিব্বি তাতে সাড়া দিল!
প্রায় ৩০ সেকেন্ড আমি মন্ত্র মুগ্ধের মত ওদের লিপ কিস দেখলাম। তারপর আমার নিজের রোল মনে পরল! আমি ওদের পায়ের কাছে মেঝেতে উপুড় হয়ে শুয়ে পরলাম। রিচার লাল চটি পরা পা দুটো দুই হাতে ধরে ওর ফরশা নরম পায়ের পাতায় একের পর এক চুম্বন এঁকে দিতে লাগলাম আমি। এই কাজ যে কতবার স্বপ্নে করেছি আমি তার ইয়ত্তা নেই। কিন্তু আজ বাস্তবে যা হচ্ছে তা যেন সেই স্বপ্নকেও হার মানায়। রিচা ওর আরেক কাজিনের ঠোঁটে চুমু খাচ্ছে আর আমি ওর অন্য কাজিন সেই অবস্থায় ওর দুই পায়ে চুমু খাচ্ছি ওর দাসের মত! আমার দুই হাত ওর চটির তলায়। দুই হাত দিয়ে ওর পা দুটো ধরে আমি পাগলের মত ওর দুই পায়ে গাঢ় চুম্বন করে চলেছি। আর মাঝে মাঝে মুখ তুলে দেখছি রাজা কিভাবে রিচাকে ডিপ লিপ কিস করছে। তাও রিচাকে নিজের কোলে বসিয়ে!
মিনিট খানেক পার হতে রাজা ওর চটি পরা পা দুটো আমার পিঠের উপরে তুলে দিল। আমার পিঠে রাজার চটি পরা পা রাখা আর আমি দুই হাতে রিচার চটি পরা পা দুটো ধরে ওর পায়ের পাতা দুটো চুম্বনে চুম্বনে ভরিয়ে দিচ্ছি! আর সেই অবস্থায় রিচা রাজার কোলে বসে ব্যস্ত ডিপ লিপ কিস করতে!!
১ মিনিটের বদলে এই চুম্বন কান্ড প্রায় ৫ মিনিট চলল। তারপর রিচাকে কোল থেকে নামিয়ে ওর চোখের বাঁধন খুলে দিয়ে রাজা হাসি মুখে জিজ্ঞাসা করল, " বল রিচা, কে তোকে লিপ কিস করেছে আর কে তোকে ফুট কিস করেছে?"
রাজা তখনো চেয়ারে বসে আর আমি ওদের পায়ের কাছে মেঝেতে উপুড় হয়ে শুয়ে। রাজার চটি পরা বাঁ পা টা তখনো আমার পিঠে রাখা। আর রাজার চটি পরা ডান পা রাখা উপুড় হয়ে ডান দিকে মুখ করে শুয়ে থাকা আমার ডান গালে! উত্তর তো এতেই পেয়ে যাবে রিচা!
রিচা মুখে কিছু না বলে নিজে থেকে ওর চটি পরা ডান পা টা তুলে আমার মাথার উপরে রাখল। তারপর নিজের ঠোঁট ডুবিয়ে দিল রাজার ঠোঁটে। রাজাকে প্রায় ৩ মিনিট ধরে ডিপ লিপ কিস করে বলল, " তুই লিপ কিস করেছিস আর কালু ফুট কিস। কালু আমাকে লিপ কিস করতে এলে চড় মেরে ওর সব দাঁত ফেলে দিতাম আমি। আর তুই শুধু নামে না, সব দিক থেকেই রাজা। তুই মেয়েদের লিপ কিস করলেই মানায়।"
আমি ততক্ষনে সোজা হয়ে শুয়ে অবাক চোখে ওদের লিপ কিস দেখছি! রাজার চটি পরা ডান পা টা স্বাভাবিকভাবেই আমার মুখের উপরে চলে এসেছে তাই। আমি রাজা আর রিচার লিপ কিস দেখতে দেখতে রাজার চটির তলায় ঠোঁট লাগিয়ে গাঢ় চুম্বন করছি মনে মনে ওকে প্রভু বলে সম্বোধন করতে করতে!
রিচা প্রায় ৩ মিনিট ধরে রাজাকে লিপ কিস করে ওর চটি পরা ডান পা দিয়ে আমার কপালে একটা লাথি মেরে বলল, " এই কালু লুজার! যা, আমার আর রাজার প্রাপ্য টাকাটা নিয়ে আয়!"
যদিও আগে কথা ছিল শুধু রিচার টাকা পাওয়ার, তবু আমি রিচার কথার খেলাপ করলাম না। সেদিন সকালেই এক ছাত্রকে টিউশান পড়ানোর ১০০০ টাকা পেয়েছি। সেটা রাজা আর রিচাকে দেব বলে কম্পিউটারের ঘরে ফিরে এলাম। এসে দেখি রাজা আবার রিচাকে নিজের কোলে তুলে নিয়েছে। একদম ঘনিষ্ঠ ভাবে নিজের পিসতুতো বোনকে জড়িয়ে ধরে বসে ও বোনকে গাঢ় ভাবে লিপ কিস করছে। ওর হাত দুটো একবার বোনের মাথার পিছনে যাচ্ছে আবার নেমে আসছে বোনের শরীরের অন্যত্র। কখনো ক্যাজুয়ালি ও বোনের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় হাত দিচ্ছে। আবার ওর কোমরটা দুই হাতে ধরে নিজের কোলের দিকে এমন ভাবে ঠেলছে যাতে দুজনের বিশেষ অঙ্গের ঘনিষ্টতা বাড়ে। আর সেই সাথে দুজনের ঠোঁট জোড়া এক হয়ে গেছে যেন। দুজনের শুধু ঠোঁট নয়, এক জনের জিভ অন্য জনের মুখে ঢুকে গাঢ় চুম্বনকে অন্য মাত্রায় নিয়ে যাচ্ছে!
আমি ওদের জন্য মোট ১০০০ টাকা টেবিলে চাপা দিয়ে রেখে ওদের পায়ের কাছে উপুড় হয়ে শুলাম। রাজা ওর চটি পরা পা দুটো আবার তুলে দিল আমার পিঠের উপরে। আর সেই অবস্থায় আমি আবার আমার চেয়ে চার বছরের ছোট খুড়তুতো বোন রিচার লাল চটি পরা পা দুটো দুই হাতে ধরলাম। তারপর এমন ভাবে ওর পা দুটোকে চুমুতে চুমুতে ভরিয়ে দিতে লাগলাম যেন এর উপরেই আমার জীবন মরন নির্ভর করছে!
এভাবে মিনিট ২ চলল। তারপরে রিচা চুম্বন ও শরীরি খেলায় আরো বেশি মেতে উঠল। ওর পা দুটো রাজার পা দুটোকে পেঁচিয়ে আঁকড়ে ধরল। আমি সোজা হয়ে শুয়ে ওদের শরীরি খেলা দেখতে লাগলাম। রাজার নীল চটি পরা পা দুটো তখন আমার বুকের উপরে রাখা। আমি ওর পা দুটো পালা করে টিপতে টিপতে দেখতে লাগলাম কি ভাবে ও নিজের কাজিন বোন রিচার টপের মধ্যে দিয়ে হাত ঢুকিয়ে ওর ব্রেস্ট দুটো মন দিয়ে টিপছে!
একটু পরে রাজা নিজের প্যান্টের চেন খুলে নিজের ফর্শা সুন্দর পেনিসটা বার করে দিল। রিচা সেটা ডান হাতের মুঠোয় নিয়ে খুব আদর করতে লাগল। ৩০ সেকেন্ড পরে রিচার স্কার্টের ফাঁক হাত ঢোকাতে গিয়ে থেমে গেল রাজা। তারপরে রিভলভিং চেয়ারটা সামান্য ঘুরিয়ে ওর চটি পরা পা দুটো তুলে দিল আমার মুখের উপরে। এখন ওর নীল চটি পরা ডান পা আমার ঠোঁটের উপরে। আর চটি পরা বাঁ পা আমার দুই চোখের উপরে রাখা। ফলে রাজা কিভাবে রিচাকে আদর করছে তা আমি আর দেখতে পেলাম না।
কিন্তু ততক্ষনে রিচা আর রাজার প্রতি ভক্তিতে আমার মন পরিপুর্ন। রিচা আর রাজা আমার চেয়ে অনেক সুপিরিওর। এসব চরম দেহসুখ ওদের মত সুপিরিওরদের জন্য। আমার কাছে ওদের সেবা করতে পাওয়াই পরম সৌভাগ্য। আমি তাই করলাম। আমার মুখের উপরে চটি পরা পা রেখে বসে রিচার দেহ সর্বোচ্চ ভাবে ভোগ করতে থাকা প্রভু রাজার চটি পরা পা দুটো ভীষণ ভক্তিভরে পালা করে টিপে দিতে লাগলাম। আর জিভ বার করে চাটতে লাগলাম প্রভু রাজার নীল রঙের ডান চটির তলা। প্রভুরা কি করছে আমি দেখতে পাচ্ছিলাম না। কিন্তু যেভাবে আমার মুখের উপরে রাজার চটি পরা পায়ের চাপ একবার বাড়ছিল আবার কমছিল তাতে মনে হচ্ছিল এইভাবে চেয়ারে বসেই প্রভু রাজা রিচার যোনিতে নিজের শিশ্ন প্রবেশ করিয়ে দিয়ে তাকে সর্বোচ্চ ভাবে ভোগ করে স্বর্গসুখ নিচ্ছে। আমি আমার চেয়ে ২ বছরের ছোট প্রভু রাজার সুখ সামান্য হলেও বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য ওর চটি পরা পা দুটো ভীষণ ভক্তিভরে টিপে দিতে লাগলাম ওর ডান চটির তলা চাটতে চাটতে।
আমার চোখ রাজার বাঁ চটির তলায় চাপা থাকায় কিছু দেখতে না পেলেও কানে সবই শুনতে পাচ্ছিলাম। ১২ বছরের রিচা সুখে গোঙাচ্ছিল আর বলছিল, " আহ আহ, দাদা রে! কি সুখ হচ্ছে রে! উফফ!! আগে এতটা করিস নি কেন? মনে হচ্ছে সুখে মরেই যাব আমি! ওহ দাদা! আরো জোরে কর!! তোর যত ইচ্ছা যা ইচ্ছা কর আমার সাথে! উফফ, কি সুখ রে!!"
রাজাও আমার সোনা বোন, তোর দেহ তো আমারই। আমার যখন ইচ্ছা যেমন ভাবে ইচ্ছা খাব এখন থেকে ! দেখবি, তুইও খুব সুখ পাবি বোন!"
" হ্যাঁ দাদা। তোর যা ইচ্ছা যখন ইচ্ছা করবি আমার দেহ নিয়ে।"
এরকম প্রায় ১০ মিনিট ওদের মুখে বিভিন্ন ইরোটিক কথা শুনলাম। রাজা মাঝে মাঝেই ওর চটি পরা পা তুলে আমার মুখে বেশ জোরে লাথি মারছিল কোন কারন ছাড়াই। বাঁ পা দিয়ে লাথি মারলে কয়েক সেকেন্ডের জন্য আমার চোখে পরছিল দুই প্রভুর সোহাগ দৃশ্য। আর প্রভু রাজা যতবার আমার মুখে লাথি মারছিল ততবার আমি আরো ভক্তি নিয়ে ওর পা দুটো টিপছিলাম আর ওর চটির তলা চাটছিলাম।
এরপরে আমার মুখে রাজার পায়ের চাপের বেগ খুব দ্রুত হয়ে এল। সাথে রিচার মুখ থেকে টানা " ওহ, দাদা রে... ওহ, ইয়া ইয়া.. আরও জোরে, ওহ, ওহ, ইয়ায়া.." এরকম শব্দ বেরোতে লাগল। এরকম টানা মিনিট ২ রিচার মুখ থেকে টানা এরকম শব্দ বেরনোর পরে সেই শবদের ঝড় থামল। রাজার আমার মুখের উপরে চাপ দেওয়ার গতিও কমল। মনে হল ওদের সর্বোচ্চ সুখ পাওয়া হয়ে গেছে।
রাজা ওর চটি পরা ডান পা টা আমার গলার উপরে রেখে ওর চটি পরা বাঁ পা টা আমার ঠোঁটের উপরে রেখে বলল " এই কালু কুত্তা, এবার আমার এই চটির তলাটা চাট।"
রিচা রাজার আমাকে আদেশ করার ধরন দেখে শব্দ করে হাসতে লাগল। তারপরে ওর রাজা দাদাকে বলল " এখনই ভিতর থেকে বার করিস না প্লিজ দাদা। খুব আরাম হচ্ছে ভিতরে।"
রাজা রিচার টপের ভিতরে ঢোকানো দুই হাত দিয়ে ওর ব্রেস্ট টিপতে টিপতে বলল " না রে বোন। এখনই বার করছি না। তোকে আবার আদর করব তো।"
" thank you, আমার সোনা রাজা দাদা" বলে ঘাড় ঘুরিয়ে রাজাকে লিপ কিস করল রিচা।
আমি তখন আমার ঠোঁটের উপরে রাখা রাজার চটি পরা বাঁ পা টা টিপতে টিপতে ওটার তলা জিভ দিয়ে এমন ভিক্তিভরে চাটছি যেন আমার জীবন মরন এর উপরে নির্ভর করছে। রাজা ওর চটি পরা ডান পা দিয়ে এমন ভাবে আমার গলা টিপে ধরেছে যে আমার নি:শ্বাস নিতে খুব কষ্ট হচ্ছে। কিন্তু আমার চেয়ে ২ বছরের ছোট ফর্শা সুন্দর চেহারার রাজার এইভাবে আমাকে কষ্ট দেওয়া আর সেই সময়ে ওর রিচার সাথে দেহ মিলন করে সর্বোচ্চ সুখ নেওয়া আমাকে ভীষণ উত্তেজিত করছিল। মনে মনে নিজেকে ফর্শা রাজার স্লেভ ভেবে এক তীব্র আনন্দ হচ্ছিল। আমি সামান্য নি:শ্বাস নেওয়ার জন্য স্ট্রাগল করতে করতে রাজার পা টিপতে টিপতে ওর বাঁ চটির তলা চাটতে লাগলাম।
এরকম ভাবে প্রায় ১০-১৫ মিনিট কাটল। তারপর রাজা আবার ওর চটি পরা বাঁ পা টা আমার কপালে আর চটি পরা ডান পা টা আমার ঠোঁটের উপরে রাখল। আর আমার মুখের উপরে চাপ বাড়ল হঠাত। আর তখনই রিভা বলল " তোর পেনিসটা বার করে নিচ্ছিস কেন দাদা? আমার ভিতরেই রাখ না প্লিজ। খুব আরাম লাগছে।"
রাজা রিচাকে একটা ছোট্ট লিপ কিস করে বলল " ঢোকাব রে বোন আবার। তোর ঐটা তো আমার পেনিস ঢুকিয়ে রাখার জন্যেই আছে। কিন্তু আমার একটু পেচ্ছাপ পেয়েছে রে বোন। তাই বার করছি। "
" আচ্ছা দাদা" বলে রিচা উঠতে গেল রাজার কোল থেকে।
কিন্তু রাজা বলল " আরে বোন, তোকে উঠতে হবে না"। এই বলে আমার মুখের উপরে চটি পরা ডান পায়ে খুব জোরে একটা লাথি মারল রাজা। লাথিটা পরল আমার নাকের উপরে। নাকে এত জোরে লাথি খেয়ে আমি চোখে অন্ধকার দেখতে লাগলাম।
প্রভু রাজা বিন্দু মাত্র ভ্রুক্ষেপ না করে চটি পরা দুই পায়ে আমার মুখে পরপর ৭-৮ টা ভীষণ জোরে লাথি মেরে বলল, " এই কুত্তা উঠে আমার পায়ের কাছে হাঁটুগেড়ে বস।"
আমি প্রভুর আদেশ পালন করে তাই করলাম।
প্রভু ততক্ষনে নিজের পেনিস রিচার ভিতর থেকে বার করে নিয়েছে। রিচাকে নিজের কোলের সাথে চেপে ধরে বারমুডার চেন খুলে বের করে রাখা পেনিস প্রভু রাজা আমার মুখের দিকে বাড়িয়ে বলল " হাঁ কর কুত্তা। তোর মুখের ভিতরে পেচ্ছাপ করব আমি।"
এই কথা শুনে রিচা খুব হাসতে লাগল। কিন্তু আমি ততক্ষনে প্রভু রাজার প্রতি ভক্তিতে এত নিমজ্জিত যে প্রভু আমার মুখের ভিতরে পেচ্ছাপ করবে বলে আমার খুব গর্ব হতে লাগল। প্রভু রাজা আমার চুলের মুঠি ধরে আমার মুখের ভিতরে ঢুকিয়ে দিল সদ্য রিচার যোনির ভিতর থেকে বার করা নিজের ফর্শা সুন্দর পেনিস টা। তারপর আমার মুখের ভিতরে পেনিস ঢুকিয়েই পেচ্ছাপ করতে শুরু করল প্রভু। একরাশ গরম নোনতা তরল আমার মুখ ভরিয়ে দিতে লাগল। প্রভুর চটির তলার কাদায় আমার মুখগহ্বর ভর্তি ছিল। এবার প্রভুর পেচ্ছাপের সাথে মিশে প্রভুর চটির তলার সেই কাদা আমার পেটে চলে যেতে লাগল। আমি প্রবল ভক্তিভরে গিলে খেতে লাগলাম প্রভুর পেচ্ছাপ।
পেচ্ছাপ করা শেষ হতে আমার মুখের ভিতরে পেনিস ঢুকিয়ে রেখেই প্রভু বলল " আমার পেনিসটা চুষে পরিস্কার করে দে।"
আমি প্রবল ভক্তি নিয়ে আমার প্রভু রাজার সদ্য রিচার যোনি থেকে বার করা পেনিস চুষে পরিস্কার করে দিতে লাগলাম।
১ মিনিট পরে রাজা আমার মুখে পেনিস ঢুকিয়ে রেখেই আমার দুই গালে পরপর ১০-১২ টা খুব জোরে থাপ্পর মারল আমার চুলের মুঠি ধরে। তারপর আমার মুখের ভিতর থেকে পেনিস বার করে বলল " চল বোন, এবার খাটে শুয়ে সময় নিয়ে সেক্স করি আমরা। "
রিচা খুব খুশি হয়ে রাজার কোল থেকে লাফ দিয়ে নেমে বলল "চল দাদা।'
রাজা বলল " তুই আমাকে আগে একটু ব্লো জব দিয়ে দে তো বোন। একটু আগেই তোর ভিতরে সিমেন ফেলেছি তো। চুষে দিলে আবার ইরেক্ট হয়ে যাবে তাড়াতাড়ি।"
আমি ততক্ষনে একটু পাশে সরে গেছি। রিচা রাজার কথা শুনে খুব খুশি হয়ে রাজার পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসল। তারপরে রাজার পেনিস টা হাতে নিয়ে ওকে বলল " কিন্তু দাদা, আমার পিরিওড তো প্রায় ৬ মাস আগে শুরু হয়েছে। এখন মিড সাইকেল। পিল বা কন্ডোম ছাড়া বারবার সেক্স করলে তো সমস্যা রে।"
কথাটা শুনে রাজা একটু হাসল। তারপরে এত জোরে আমার মুখে ওর চটি পরা ডান পায়ে লাথি মারল যে আমি উলটে পরে গেলাম মেঝেতে। রাজা নিজের পেনিসটা রিচার মুখের ভিতরে ঢুকিয়ে দিয়ে বলল, " চাপ নিস না বোন। তোর সাথে যত খুশি যেমন খুশি সেক্স করব আমি। আর তোর পিল এনে বিপদ থেকে বাঁচানোর দায়িত্ব নেবে এই কুত্তাটা। যেমন আমাদের জুতো চেটে পরিস্কার করা, পা টিপে সেবা করা, নিয়মিত টাকা দেওয়া আর আমার পেচ্ছাপ গিলে খাওয়ার দায়িত্বও এই কুত্তাটার। কখনো দায়িত্ব পালনে ভুল হলে লাথি মারতে মারতে মেরেই ফেলব আমি কুত্তা টাকে। এই কুত্তা, যা গিয়ে এমারজেন্সি + নর্মাল পিল কিনে আন ওষুধের দোকান থেকে। কন্ডোম লাগবে না। কন্ডোম পরে সেক্স করে মজা নেই।"
আমি আমাকে লাথি মেরে নাক থেকে রক্ত বার করে দেওয়া প্রভু রাজার পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করে প্রভুকে ধন্যবাদ দিলাম। তারপর আগে জমানো নিজের টাকা পকেটে নিয়ে ওষুধের দোকান থেকে পিল আনতে চললাম, যাতে আমার প্রভু রাজা প্রানভরে রিচার দেহ ভোগ করতে পারে নিশ্চিন্তে! রিচা তখন রাজার পেনিস মুখের ভিতরে নিয়ে খুব মন দিয়ে নিজের কাজিন দাদার পেনিস চুষে তাকে সুখ দিচ্ছে! আর রাজা চোখ বন্ধ করে চেয়ারে বসে দুই হাত দিয়ে রিচার চুলের মুঠি ধরে রিচার নরম মুখ থেকে নিজের পেনিস জুড়ে স্বর্গসুখ নিচ্ছে!
রাজা, রিচা ও কালু ( extended version) 2....
১৬ বছর বয়সে ওষুধের দোকান থেকে প্রেগ্নেন্সি আটকানোর পিল কেনা সহজ নয়। আমি নেটে পিলের নাম সার্চ করে দেখে বাড়ি থেকে একটু দূরের একটা দোকান থেকে কিনে আনলাম অনেক সাহস করে, এমারজেন্সি আর রেগুলার খাওয়ার পিল দুটোই।
আমি ফিরে এসে দেখি রাজা রিচাকে খাটে শুইয়ে ভোগ করছে। প্রথমে রাজা খাটে রিলাক্স হয়ে শুয়েছিল আর রিচা ওর পেনিস নিজের ভ্যাজাইনায় ঢুকিয়ে ওর উপরে উঠে বসে সেক্স করছিল। এরকম প্রায় ১৫ মিনিট চলার পরে রাজা রিচাকে বিছানায় শুইয়ে দিয়ে নিজে ওর উপরে শুয়ে সেক্স করতে লাগল। আরো প্রায় ১৫ মিনিট করার পরে রাজা রিচার ভ্যাজাইনাতে দ্বিতীয়বার সিমেন ফেলে রিচার ভ্যাজাইনার ভিতরে পেনিস ঢুকিয়ে রেখেই ওকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে রইল।
আমি ওদের পায়ের কাছে খাটের নিচে মেঝেতে বসে ছিলাম। ওদের সেক্স কম্পলিট হওয়ার পরে আমি বললাম পিল নিয়ে এসেছি আমি।
" পরে দিস, এখন আমার পা টিপে দে একটু।" রাজা বলল।
আমি রাজার পায়ের নিচে বসে ওর পা টিপতে লাগলাম। রাজা এখন চিত হয়ে খাটে শুয়ে। ওর পেনিস এখনো ওর উপরে শোওয়া রিচার যোনির মধ্যে ঢোকানো। প্রথম রিচা আর রাজা লিপ কিস করছিল এই অবস্থায়। পরে রাজা ওর বোনকে ওর উপরে চিত করে শুইয়ে প্রান ভরে বোনের ব্রেস্ট টিপতে লাগল। আর আমি মন দিয়ে টিপতে লাগলাম আমার প্রভু রাজার পা দুটো।
বিকালে মাঠে খেলতে গেলাম রাজার সাথে। ব্যাট বল সব আমার হওয়া স্বত্ত্বেও দলের লিডার রাজার কথায় আমার জায়গা হল না খেলায়। দুই দলে ৫ জন করে আছে, তাই ১১ নম্বর আমি বাদ! আমার দায়িত্ব হল বল কুড়িয়ে আনা। রাজাদের দলের অন্য কেউ যখন ব্যাট করছিল তখন রাজা মাঠের ধারের পাঁচিলে বসল আর আমাকে বসাল ওর পায়ের কাছে। নিজের জুতো পরা পা দুটো আমার কাঁধের উপরে তুলে দিয়ে আমাকে ওর পা টিপে দিতে বলল। মাঠে সবার সামনে আমার প্রভু রাজার পা টিপতে আমার যতটা অপমান আর লজ্জা লাগছিল তারচেয়ে বহুগুন বেশি ভাল লাগছিল।
রাজার সাদা স্নিকার পরা পা দুটো আমার কাঁধে রাখা। আর আমি মন দিয়ে ওর পা টিপে চলেছি সবার চোখের সামনে। একবার একজন বল মেরে পাশের বাড়ির ছাদে তুলে দিল। রাজা তখন আমার মুখে জুতো পরা পায়ে লাথি মেরে বলল " নিজের ডিউটি ভুলে গেছিস নাকি? যা, বলটা নিয়ে আয়।"
আমি রাজার জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে সরি বলে উঠে বাড়ির পাইপ বেয়ে ছাদে উঠে বল পেড়ে আনলাম। তারপর আবার রাজার পায়ের কাছে বসতে এবার রাজা ওর জুতো পরা একটা পা সরাসরি আমার মাথার উপরে তুলে দিল। আর আমি আমার কাঁধে রাখা ওর অন্য পা টা টিপে দিতে লাগলাম। ২-৩ মিনিট পরে ব্যাটসম্যান আউট হতে রাজা আমার মুখে লাথি মেরে " সর" বলে ব্যাট করতে চলে গেল।
পরের খেলাটায় রাজাদের ব্যাটিং করার পুরো সময় ধরে ও ব্যাট করে গেল বলে আমার আর ওর সেবা করা হল না।
শেষ খেলায় ওরা যখন ব্যাট পেল তখন সন্ধ্যা হব হব। এবারে রাজা মাঝ পথে আউট হয়ে গেল। ফিরে এসে এবারে ও মাঠের পিছনের দিকের বাঁধানো গাছতলায় বসল। আমি ওর পায়ের কাছে বসতে ও আমার মুখে লাথি মেরে বলল " শুয়ে পর"।
খোলা মাঠে আমি রাজার জুতো পরা পায়ের কাছে মাথা রেখে শুতেই রাজা ওর জুতো পরা পা দুটো আমার মুখের উপরে তুলে দিয়ে আমার নাকের উপরে একটা জোরে লাথি মেরে বলল " ভাল করে পা টেপ কুত্তা।"
আমি মন দিয়ে প্রকাশ্যে পাড়ার মাঠে আমার প্রভু রাজার জুতো পরা পা দুটো নিজের মুখের উপরে নিয়ে টিপে দিতে লাগলাম। জিভ বার করে চাটতে লাগলাম প্রভুর জুতোর তলা। আমার কি যে ভাল লাগছিল বলে বোঝাতে পারব না। প্রভু রাজা আমার মুখের উপরে নিজের জুতোর তলার ময়লা ঘসে পরিস্কার করছিল। আর আমি ভক্তি ভরে ওর পা টিপতে টিপতে ওর জুতোর তলা চাটছিলাম। আমার মত একজন লুজার এরচেয়ে বেশি আর কি চাইতে পারে জীবনে?
খেলা সেরে ফেলার সময়ে রাজা আর ওর বন্ধুরা আমাকে নিয়ে ঠাট্টা তামাশা করতে করতে ফিরল। যে ছেলে বন্ধু গ্রুপে বয়সে সবচেয়ে বড় আর ব্যাট বলের মালিক হওয়ার পরেও বন্ধুরা তাকে খেলায় না নিয়ে প্রথমে বল বয় বানায় আর পরে তাদের একজন তাকে দিয়ে পা টেপায় কাঁধে বা মুখের উপরে জুতো পরা পা রেখে বসে, তাকে নিয়ে সবাই ঠাট্টা তামাশা তো করবেই। রাজা সবচেয়ে বেশি আমাকে অপমান করছিল এমনকি বন্ধুদের দেখিয়ে ৫-৬ বার আমার গালে বেশ জোরে থাপ্পরও মারল বাড়ির দিকে হাঁটতে হাঁটতে। ওর বন্ধুরা তাই দেখে হাসিতে ফেটে পরল।
বাকি সবাই বাড়ি চলে গেল। আমি বাড়ি গিয়ে খেলার সরঞ্জাম রাখতে রাজা বলল, " এই কালু, আজ রাতে আমি তোদের বাড়িতে থাকব আর রিচার সাথে সারারাত সেক্স করব। কিছু বলে দুই বাড়িতে ম্যানেজ কর।"
আমি রাজার বাড়িতে গিয়ে বললাম রাজা আর আমি রাতে একসাথে ফুটবল ম্যাচ দেখব আমাদের বাড়িতে। হাজার হোক, রাজা আমার মুখ নিয়ে বুট পরা পায়ে ফুটবল খেলবে আর নিজের কাজিন বোনের সাথে সারারাত সেক্স করবে এই সত্যিটা তো ওর বাবা মাকে এভাবে বলা যায় না!
সন্ধ্যাবেলাটা এই বয়সের সাধারন ছেলে মেয়ের মত একসাথে টিভি দেখে কাটালাম আমরা। যদিও আমি মেঝেতে বসে ছিলাম আর রাজা আর রিচা সোফাতে। ৯ টার দিকে আমার মা আর কাকিমা ( রিচার মা) এসে সোফাতে বসায় জায়গার অভাবে রিচা বসল রাজার কোলে। রিচাকে জড়িয়ে ধরে কোলে বসিয়ে টিভি দেখতে দেখতে রাজা বলল " এই কালু, আমার খুব পা ব্যাথা করছে সারা বিকাল খেলে। একটু পা টিপে দে তো।"
আমি আমার মা আর কাকিমার সামনেই রাজার চটি পরা পা দুটো কোলে তুলে ওর পায়ের কাছে বসে ওর পা টিপতে লাগলাম। কাকিমা তার ভাইপো রাজাকে বলল " সারাদিন খেলে বেড়ালে পা ব্যাথা তাও হবেই। মাঠে খেলে বেড়ানো একটু কমা রাজা। " কাকিমা তো আর জানে না যে রাজা আসলে মাঠে কম আর ওর মেয়েকে নিয়ে খাটে বেশি খেলেছে!
রাজা জবাবে ও কত ভাল খেলে তাই সবাই ডাকে আর আমি খেলা পড়া কিছুই করতে পারি না এই বলে আমাকে অপমান করতে লাগল। আমার কাকিমা তো বটেই মাও দিব্বি হাসিমুখে এই কথা এগোতে দিল!
একটু পরে মা আর কাকিমা খাবার রেডি করতে উঠে গেল। আমি "বসে বসে কোমরে ব্যাথা হয়ে গেছে" বলে রাজার পায়ের কাছে শুয়ে পরলাম। রাজার চটি পরা পা দুটো বুকের উপরে রেখে টিপে দিতে লাগলাম। সোফায় জায়গা থাকা সত্ত্বেও রিচা রাজার কোলেই বসে রইল। আর রাজা একটু পরেই ওর চটি পরা পা দুটো ক্যাজুয়ালি আমার মুখের উপরে তুলে দিল!
আমার মা আর কাকিমা রান্না ঘরে। মাঝে মাঝে কোন রান্না শেষ হলে কাকিমা এসে টিভি রুমের পাশের ডাইনিং রুমের টেবিলে রেখে যাচ্ছে। সেখান থেকে এই রুম স্পষ্ট দেখা যায়। কাকিমা কি একবারও দেখেনি রাজা কিভাবে আমার মুখের উপরে পা রেখে বসে পা টেপাচ্ছে? আর রাজার হাত কিভাবে তার কোলের উপরে ঘনিষ্টভাবে বসে থাকে রিচার জামার ভিতরে ঢুকে গেছে? দ্বিতীয়টা পাশের রুম থেকে বোঝার কথা না হয়ত। কিন্তু রাজার চটি পরা পা দুটো যে আমার মুখের উপরে রাখা সেটা তো বোঝা যাওয়ার কথা! কাকিমা কি সত্যিই দেখেনি? নাকি আমার মাঠের বন্ধুদের মত কাকিমারও এতে কিচ্ছু যায় আসে না বা এটা একদম স্বাভাবিক লাগে ?
১০ টার দিকে কাকিমা খাওয়ার ঘর থেকে এই রুমের দিকে আসতে আসতে ডাকল, " রাজা, রিচা! খেতে আয়। আর কালু, তুই গিয়ে বাবা আর কাকুকে ডেকে আন আগে।"
রিচা রাজার কোল থেকে উঠে সোফায় পাশে সরে উঠে খাওয়ার ঘরে চলে গেল মায়ের ডাক শুনে। আর " ওঠ কালু" বলে আমার মুখে লাথি মেরে আমার মুখের উপরেই চটি পরা পায়ে উঠে দাঁড়াল রাজা। আমার মুখটা চটি পরা দুই পায়ের তলায় মাড়িয়ে রাজাও চলে গেল পাশের রুমে। আমি উঠে বসে দেখি কাকিমা এই রুমের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে টিভির দিকে চোখ রেখেছে। রাজার পা কোথায় ছিল কাকিমার চোখে পরেনি তো? পরলে কি এভাবে ক্যাজুয়ালি ইগ্নোর করতে পারত? নাকি আমি এত বড় লুজার যে রাজার মত উইনার আমার মুখে চটি পরা পা রেখে বসে পা টেপাবে এটা সবার কাছেই স্বাভাবিক?
রাতে খাওয়ার পরে শোওয়ার সময় হল। আমরা খেলা দেখব শুনে কাকিমা রিচাকে বলল " তুই কালুর ঘরে শুয়ে পর। রাজা আর কালু তোর ঘরে শুয়ে খেলা দেখুক।"
তাই হল। তবে ১২ টা অব্দি মাত্র! কারন রাজার তো নিজেই অন্য খেলার প্লান ছিল!
বড়রা শুয়ে পরতে রিচা চলে এল ওর রুমে দরজার ছিটকিনি আমিই তুলে দিলাম। রাজা রিচাকে কোলে তুলে গাঢ় লিপ কিস করতে লাগল। রাজার আদেশে টিভিতে ইন্টারনেট থেকে আমি পর্নোগ্রাফি চালিয়ে দিলাম। রাজা রিচাকে কোলে বসিয়ে ওর যোনিতে নিজের শিশ্ন ঢুকিয়ে দিল। নিজের শিশ্ন দিয়ে রিচার যোনি মন্থন করতে করতে ও পর্ন দেখতে লাগল রিচার সাথে। আর ওর হাত দুটো রিচার ব্রেস্ট দুটো টিপতে লাগল যেমন ইচ্ছে। আমি ততক্ষনে যথারীতি রাজার চটি পরা পায়ের তলায় শুয়ে পরেছি। রাজার পা দুটো ভক্তিভরে টিপতে টিপতে আমি ওর চটির তলা দুটো ভক্তি ভরে চাটতে লাগলাম।
এক ঘন্টা এইভাবে পর্ন দেখতে দেখতে রিচাকে ভোগ করে আর আমার সেবা নিয়ে রাজা উঠে দাঁড়াল। ওর পেনিস তখনো রিচার যোনির ভিতরে। সেই অবস্থাতেই ও রিচাকে নিয়ে খাটে শুয়ে পরল গিয়ে। তারপরে খাটে শুয়ে বিভিন্ন স্টাইলে রিচার শরীরের প্রতিটা ইঞ্চি ভোগ করতে লাগল ও।
ঘন্টা খানেক এরকম চলার পরে ও থামল। তারপরে আমার চুলের মুঠি ধরে টেনে এনে আমার মুখের ভিতরে পেচ্ছাপ করল। আমাকে দিয়ে পেনিস চাটিয়ে পরিস্কার করিয়ে সেই পেনিস রিচার মুখে ঢুকিয়ে ১০ মিনিট ব্লো জিব নিল। তারপরে পেনিস সোজা রিচার ভ্যাজাইনাতে ঢুকিয়ে শুরু করল হার্ড কোর ফাক!
টানা ২০ মিনিট ওই স্পিডে একটানা রিচাকে ফাক করে গেল প্রভু রাজা! রিচার মুখ থেকে টানা আহ আহ সুচক সুখের শব্দ ভেসে আসছিল! ভাগ্য ভাল, টিভিতে খেলা চালিয়ে রেখেছি সাউন্ড দিয়ে, তাই কারো শুনে ফেলার ভয় নেই!
রাজা রিচার যোনিকে ফুল স্পিডে ভোগ করছিল। আর আমি শক্ত মেঝেতে নিজের পেনিস ঘসছিলাম সেই দৃশ্য দেখতে দেখতে, রাজার চটির তলা চাটতে চাটতে। উফ, আমার মত লুজারদের সুখ তো এতেই!
২০ মিনিট পরে রিচার যোনিতে বীর্য্য ঢেলে নিজের পেনিস ওর ভিতরে ঢুকিয়ে রেখেই জড়াজড়ি করে শুয়ে ঘুমিয়ে পরল ওরা। আমিও নিজের বারমুডা বীর্যে ভাসিয়ে ফেললাম। তারপর মেঝেতে ওদের পায়ের কাছে শুয়ে পরলাম রিচার চটিতে মাথা রেখে আর রাজার চটি দুটো নিজের মুখের উপরে রেখে!
Comments
Post a Comment