লিপি, নিলু, অভি আর তিথি..
আগের পাঠকের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে একটা ছোট গল্প-
লিপি, নিলু, অভি আর তিথি..
কয়েক মাস আগের কথা। সেটা ছিল এক শনিবার। আমি ভোর ৬ টায় বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলাম ব্যাবসার কাজে। কারখানা, দোকান সব ঘুরে বাড়ি ফিরলাম রাত ৮ টায়। স্নান সারতে সারতে আওয়াজ শুনে বুঝলাম লিপি অভি আর তিথির সাথে ওদের ঘরে বসে ড্রিংক করছে। প্রতি শনিবার ওরা একসাথে বসে সন্ধ্যায় রেড ওয়াইন খায়। আমি এত কষ্ট করে এত টাকা কামাচ্ছি তো ওরা যাতে এইটুকু ফুর্তি করতে পারে তার জন্যই তো! ভেবে খুব ভাল লাগল আমার।
আমাদের বাড়িতে বাকি সব কাজ করার জন্য কাজের লোক আছে। শুধু জামা কাচা আর জুতো পালিশ বাদে। কাজের লোকেরা কেউ জুতো পালিশ করতে রাজিও হয় না।
বাড়ির বাকি সব দায়িত্ব যখন পরিবারের বড় ছেলের তখন এটাই বা তার দায়িত্ব হবে না কেন? তাই বাড়ির সবার জামা কাচা ও জুতো পালিশ করাও আমার দায়িত্ব। আমি সবার জামা ওয়াশিং মেশিনে ওয়াশে দিয়ে জুতো পালিশ করতে বসলাম। নিজের, মায়ের, লিপির জুতাও একে একে পালিশ করে ফেললাম। এবারে অভি আর তিথির জুতো বাকি। গত দুই দিনে পরা অভি আর তিথির ২ জোড়া করে স্নিকার্স আমি খুব মন দিয়ে মেঝেতে বসে পালিশ করছি তখন লিপি এসে ঢুকল বাইরের এই ঘরে।
" তুমি কখন ফিরলে? আমি টেরই পাইনি।"- লিপি বলল।
" এই তো ৩০ মিনিট মত হবে। তোমরা অভির ঘরে ড্রিংক করছ তো?"
- " হ্যাঁ, ঘন্টা খানেক পরে আসছি।"
" তোমার যতক্ষন ইচ্ছা করে থাক। শনিবার রাতে এটুকু ফুর্তি করা ভাল।" - আমি বলি।
- " ঠিক আছে। তুমি মন দিয়ে তোমার ভাই বোনের জুতো পালিশ কর। আমি ওদের সাথে বসে ড্রিংক করি গিয়ে।" এই বলে একটু হেসে লিপি চলে গেল।
লিপির কথায় আমার কিরকম হিউমিলিয়েটিং ফিল হল, যেটা আমার বেশ ভাল লাগল। আমি অভি আর তিথির জুতো পালিশ করতে করতে ওদের দুজনের জুতোর উপরে কয়েকটা চুম্বন করলাম। ২ জনের ৪ জোড়া স্নিকারের প্রতিটার উপরে ৪ বার করে।
তারপরে জুতো গুছিয়ে রেখে নিজের ঘরে এসে শুলাম।
আমি বাইরে থেকে খেয়ে এসেছিলাম। কখন যে ঘুমিয়ে পরেছি খেয়াল নেই। ঘুম ভাঙল রাত দেড়টায়। নাহ, লিপি আমার পাশে নেই!
উঠে টয়লেটে গেলাম। লিপি কি এখনো অভির ঘরে? খুব কৌতুহল হল। আমি গিয়ে অভির ঘরের দরজায় কান পাতলাম।
প্রায় ৫ মিনিট ভাল করে কিছু শুনতে পেলাম না। তবু আমার নড়তে ইচ্ছা করছিল না। অবশেষে লিপির গলার আওয়াজ পেলাম। একটু চাপা স্বরে ও অভিকে বলছে -" অভি! এবার আমার ভিতর থেকে পেনিসটা বার কর। আর আমাকে ছেড়ে তিথিকে জড়িয়ে ধরে শো। আমি নিলুর ঘরে যাই। ওর ঘুম ভেঙে গেলে ও কি ভাববে বলত?"
যদিও লিপি চাপা স্বরে কথা বলছিল তবু আমি ওর কথা শুনতে পেলাম ঘরের খাটটা দরজার পাশে হওয়ায়।
" আরে লিপি, তুই এত ভয় পাচ্ছিস কেন? দাদা একদম ক্যাজ! আমাকে বোনের সাথে সব করতে দেখেছে ও। তাও কোন আপত্তু করে নি বা নিজে তিথির ক্লোজ হতেও চায় নি। তুই আমার ঘরে আমার সাথে সেক্স করছিস জানলেও ও চাপ নেবে না। রিল্যাক্স!"
" অভি! তিথি তোদের বোন। আর আমি নিলুর বউ। দুটো আলাদা। বউয়ের ক্ষেত্রে ও যে কুল হবেই এমন ভাবার কোন কারন নেই কিন্তু। যদি সেটা না হয় অকারনে একটা বিপদ হবে।"
" আরে লিপিদি, তুমি তো বড়দার সামনেই দাদার কোলে বসেছ, লিপ কিসও করেছ হালকা করে। ও কিছু বলেছে কখনো তাই নিয়ে? রিল্যাক্স! আমার মনে হয় আমাকে বা দাদাকে যতরকম আরাম আনন্দ দেওয়া যায় বড়দা নিজের ১০০% দিয়ে তা দিতে চায়। নিজে অনেক কষ্ট করে হলেও! এতে ও আনন্দ পায়। "
" তা হতে পারে তিথি। কিন্তু আমার একটু ভয় লাগে। আমি রিস্ক নিতে চাই না। আর অভি তো আমার সাথে অন্য সময় সেক্স করছেই। এইটুকু সময়ের জন্য রিস্ক নেওয়ার কি দরকার বল তো?"- লিপি বলল।
" তুই যাই বল লিপি, দাদা যখন বাড়িতে আছে তখন তার বউয়ের সাথে সেক্স করে আলাদা একটা মজা আছে।" - অভি বলল।
" পারভার্ট! এখন পেনিস বার কর একবার, আমি অন্তত একবার দেখে আসি নিলু কি করছে।"
" আচ্ছা যা। গিয়ে দেখবি ও নাক ডাকিয়ে ঘুমাচ্ছে। আবার চলে আসিস তখন। আমি ততক্ষন আমার সোনা বোনটাকে একটু আদর করি।"- অভি বলল।
আমি তাড়াতাড়ি নিজের ঘরে ফিরে এসে ঘুমের ভান করলাম। ১ মিনিটের মধ্যে লিপি এসে ঘরে ঢুকল। আর আমাকে ঘুমাতে দেখেও আমাকে হতাশ করে দিয়ে আমার পাশে এসে আমার গা ঘেঁসে শুল।
ও একটা হাত আমার বুকের উপরে রাখায় আমি ওর টাচে ঘুম ভাঙার ভাব করলাম।
" সরি, আজ একটু বেশি ড্রিংক করে ফেলেছি। রাত ১১ টায় যখন এসে শুলাম তখন তুমি অলরেডি ঘুমিয়ে পরেছ।"
" সরি তো আমার বলা উচিত লিপি... আর থ্যাক্স ও" এই বলে আমি ওর কপালে একটা চুমু খেলাম।
লিপি একটু ঘাবড়ে বলল " থ্যাংক্স কিসের জন্য?"
" বুঝে নাও।" এই বলে আমি আবার পাশ ফিরে শুয়ে গেলাম। সারাদিনের ক্লান্তির জন্য ঘুমও চলে এল।
ঘুম ভাঙল ভোর বেলা। মোবাইলে দেখলাম ৫ টা বাজতে ৫ মিনিট বাকি। নাহ, আমার খাট ফাঁকা, লিপি পাশে নেই! কি এক অদ্ভুত আনন্দে মনটা ভরে গেল আমার। আমি উঠে আবার অভিদের দরজায় কান পাতলাম। কিন্তু এবার আর কোন আওয়াজ পেলাম না। হয়ত ড্রিংক করার পরে সারারাত বোন আর বউদির সাথে সেক্স করে তাদেরই কোন একজনের যোনিতে নিজের শিশ্ন গুঁজে দুজনকে দুই হাতে জড়িয়ে ধরে শান্তিতে ঘুমাচ্ছে আমার সৎ ভাই অভি।
মনটা এক কিরকম বিকৃত আনন্দে ভরে উঠল! আমি আবার জুতোর র্যাকের দিকে গেলাম। তারপর অভি, তিথি আর লিপি তিনজনের জুতোর উপরেই বারবার চুম্বন করে ওদের ধন্যবাদ দিতে লাগলাম আমাদের সম্পর্ককে এই অদ্ভুত দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য! শেষে অভির জুতোর তলায় কয়েকটা গাঢ় চুম্বন করে নিজের ঘরে ফিরে এলাম। নিজের খাটে শুয়ে বিছানায় ঘসতে লাগলাম নিজের শিশ্ন, আমার বউ আর বোনকে সারারাত ধরে অভি কিভাবে ভোগ করেছে সেই কল্পনা করতে করতে। ১০ মিনিট পরে দেহ মন জুড়ে এক অদ্ভুত আনন্দ দিয়ে বীর্যপাত হল।
উঠে পরিস্কার হয়ে আবার ফিরে এলাম আমার ফাঁকা খাটে। আমার কষ্টের জীবন, বহু বছর ধরে রাতদিন খাটনির জীবন, আর একই বাড়ির ছেলে হয়ে অভির আরাম আর ফুর্তির জীবনের কথা ভাবতে ভাবতে কিরকম অদ্ভুত আনন্দ হতে লাগল। আমি তো বাড়ির বড় ছেলে। সব দায়িত্ব তো আমার! আমার ভাই, বোন আর বউ যেন আমার কষ্টের বিনিময়ে আরামে ফুর্তিতে দিন কাটাতে পারে সেটা নিশ্চিত করাই তো আমার লক্ষ্য! আর আমার উপস্থিতিতেই যদি আমার ছোট সৎ ভাই তার বোন আর বউদির সাথে সেক্স করে তাহলে তো আরো ভাল, কেকের উপরে সুন্দর এক পিস চেরির মত!
লিপি, নিলু, অভি আর তিথি , পার্ট ২...
এই চিন্তা গুলো আমার সাবমিসিভনেস আবার বাড়িয়ে তুলল। আমি আবার খাট থেকে উঠে বাইরের ঘরের জুতোর র্যাকের দিকে এগোলাম। জুতোর র্যাকের সামনে হাটুগেড়ে বসে অভির জুতো জোড়া তুলে নিয়ে তার উপর আর তলা চুম্বনে চুম্বনে ভরিয়ে দিতে দিতে কল্পনা করতে লাগলাম অভি এখন পাশের ঘরে আমার বোন আর বউকে পালা করে ভোগ করছে। উফ! ভাবতে কি ভাল যে লাগছে! আমি অভির জুতোর তলায় চুম্বন করতে করতে জিভ বার করে জুতোর তলাটা চাটতে শুরু করলাম।
ঠিক তখনই অভির ঘরের দরজা খোলার আওয়াজ পেলাম। এত ভোরে আমি এটা আশা করি নি। আমি জুতো জোড়া নামিয়ে রাখার বৃথা চেষ্টা করলাম। লাভ হল না। দরজা দিয়ে বেরিয়ে এসেই তিথি পুরো বিষয়টা লক্ষ্য করে ফেলেছে। আমার কাছে এসে তাচ্ছিল্য ভরা হাসি হেসে ও বলল " দাদার জুতো মুখের উপরে তুলে কি করছিলি?"
" ইয়ে, মানে কই? না তো... " আমি ঘাবড়ে গিয়ে বলার চেষ্টা করলাম।
তিথি আবার তাচ্ছিল্যের হাসি হেসে বলল " দাদা আমাকে আর তোর বউ লিপিদিকে লিপ কিস করছে ভাবতে ভাবতে দাদার জুতোর তলায় লিপ কিস করছিলি তুই, তাই তো?"
আমি মাথা নিচু করে বলে ফেললাম " হ্যাঁ"। আমার খুব লজ্জা করছিল। মাটিতে মিশে যেতে ইচ্ছা করছিল ছোট বোনের সামনে এই সত্যিটা স্বীকার করতে। আবার খুব ভালোও লাগছিল পুরো ঘটনাটা।
তিথি ততক্ষনে আমার সামনের সোফাতে বসে পরেছে। আমি ওর থেকে তিন ফুট দূরে হাটু গেড়ে মাথা নিচু করে বসে মাথা তুলে ওর মুখের দিকে তাকালাম। আমার থেকে ৮ বছরের ছোট সৎ বোন তিথি আমাকে আদেশের সুরে বলল, " যা করছিলি কন্টিনিউ কর। একটু দেখি।"
আমি এবার অভির জুতোর বদলে তিথির জুতো জোড়া হাতে তুলে নিলাম। তারপর তিথির জুতোর উপর আর তলা ওর চোখের সামনেই চুমুতে চুমুতে ভরিয়ে দিতে লাগলাম।
তিথি প্রায় মিনিট দুই আমাকে ওর জুতোয় চুম্বন করতে দেখল। তারপর নিজের নীল চটি পরা বাঁ পা তুলে বলল "কিস"!
আমি পরপর ৭-৮ বার চুম্বন করলাম ওর পায়ে পরা বাঁ চটির তলায়। তারপরে ও বাঁ পা নামিয়ে নিজের ডান পা তুলে আবার বলল " কিস!"
আমি এবার ওর ডান চটির তলায় পরপর ৭-৮ টা গাঢ় চুম্বন করলাম। তিথি এবারে আমার মুখে মাঝারী জোরে একটা লাথি মেরে আমার মুখের দিকে তাকিয়ে " লুজার" বলে মিটিমিটি হাসতে লাগল। আমি মাথা নিচু করে ওর পায়ের দিকে তাকিয়ে রইলাম লজ্জা ও ভাললাগার এক মিশ্র অনুভুতি নিয়ে।
তিথি ওর চটি পরা দুটো পাই আমার কাঁধের উপরে তুলে দিয়ে বলল " দাদার পেনিস এখন কোথায় বলত?"
আমি মাথা নিচু করে বললাম " লিপির ভিতরে সম্ভবত" - আমার লজ্জা সত্ত্বেও খুব ভাল লাগছিল। কিন্তু নিজের ছোট বোনের সাথে যৌন বিষয়ে প্রথম কথা বলতে খুব অস্বস্তি হচ্ছিল।
তিথি ওর চটি পরা ডান পা তুলে আমার মুখে একটা লাথি মেরে বলল " লিপিদির কিসের ভিতরে?"
" আমি নিজে থেকেই আমার মুখে লাথি মারা তিথির ডান পা টা টিপতে শুরু করে বললাম " অভির পেনিস তিথির ভ্যাজাইনার ভিতরে, অভি ওর পেনিস দিয়ে আমার বউয়ের ভ্যাজাইনায় আদর করছে।"- বোনের পা টিপতে টিপতে এরকম কথা বলতে অসাধারন অনুভুতি হচ্ছিল।
"আর একটু আগে দাদার পেনিস কোথায় ছিল বলত?"
" তোমার ভিতরে?" আমি তিথির পা টিপতে টিপতে জিজ্ঞাসা করি। ওকে বেশিরভাগ সময়ে আমি তুই করেই বলি, কিন্তু এখন এই অস্বাভাবিক সাবমিসিভ পজিশানের জন্যই হয়ত ওকে তুমি বলে সম্বোধন করে ফেলি।
" কিসের ভিতরে? মুখের? না ভ্যাজাইনার? নাকি দুটোই?" তিথি হাসিমুখে জিজ্ঞাসা করে।
আমি আমার থেকে ৮ বছরের ছোট অষ্টাদশী সুন্দরী সৎ বোন তিথির পা টিপতে টিপতে বলি " দুটোই?"
তিথি হেসে বলে " রাইট গেস। আজ আমরা একটু অদ্ভুত ভাবে ড্রিংক করেছি। দাদা চেয়ারে বসে ড্রিংক করছিল। আমি আর লিপিদি মেঝেতে বসে ওর পেনিস মুখে নিয়ে পালা করে ওকে ব্লো জব দিচ্ছিলাম। এরপরে বউদি তোর সাথে কথা বলতে একবার বাইরে এল। দাদা তখন আমাকে কোলে বসিয়ে আমার ব্রেস্ট টিপতে টিপতে আমার ভ্যাজাইনায় পেনিস ঢোকাল। যদিও সিমেন ফেলেনি। আসলে তুই বাড়ি না থাকলে দাদা লিপিদির চেয়ে আমার ভিতরেই সিমেন ফেলতে বেশি পছন্দ করে। আমি ওর আদরের ছোট বোন বলে কথা। কিন্তু তুই বাড়িতে থাকলে তোর বউকে ফাক করে ও বেশি আনন্দ পায়। আজকেও তুই শুয়ে ঘুমিয়ে পরেছিস বুঝে বউদি ফিরে আসার পরে দাদা আমার সাথে একটু ফাক করে লিপিদিকে জড়িয়ে ধরল। তারপরে ওকে হার্ডকোর ফাক করতে শুরু করল। তারপরে লিপিদির ভিতরে সিমেন ফেলে ওর ভ্যাজাইনার ভিতরে পেনিস ঢুকিয়ে রেখেই শুয়ে রইল।
লিপিদি বোকার মত ভয় পাচ্ছিল তুই উঠে সব জেনে রাগ করবি। আমরা বোঝানোর পরেও বুঝছিল না। শেষে ও উঠে তোর রুমে এল। আর দাদা লিপিদির ভিতর থেকে পেনিস বার করেই ঢুকিয়ে দিল আমার ভ্যাজাইনায়। আমাকে লিপ কিস করতে করতে আমার ব্রেস্ট টিপতে লাগল আমার ভ্যাজাইনার ভিতরে নিজের পেনিস ঢুকিয়ে।
দাদা আসতে আসতে আমাকে ফাক করছিল সময় নিয়ে। উফ, তাতেও যে কি আরাম! আমাদের অবাক করে লিপিদি একটু পরে ফিরে এসে বলল " তুই নাকি ওর না থাকার জন্য ওকে থ্যাংক ইউ বলে আবার ঘুমিয়ে গিয়েছিস! সেটা শুনে দাদা খুব খুশি আর উত্তেজিত হয়ে বেশ জোরে জোরে ফাক করা শুরু করল আমাকে আর বলল - একদিন ওর সামনেই আমি তোদের দুজনকে এক বেডে ফেলে এইভাবে ফাক করব। আমার যে কি ভাল লাগছিল কি বলব! ১০ মিনিট এক নাগাড়ে এই স্পিডে আমাকে লাগিয়ে দাদা আমার ভিতরেও সিমেন ফেলে দিল। আমার ভিতরে ঢুকিয়ে রেখেই দাদা তখন ঘুমিয়ে পরল। আমি আর লিপিদিও। দাদার পেনিস তখন আমার ভ্যাজাইনার ভিতরে।
একটু আগে ঘুম ভাঙল। ভ্যাজাইনার ভিতরে দাদার পেনিস চালানোর টাচে। দাদা ঘুম ভেঙে উঠে আবার আমার ভ্যাজাইনায় পেনিস চালানো শুরু করে দিয়েছে আমার ব্রেস্ট টিপতে টিপতে। ৫ মিনিট এরকম করে ও আমার ভিতর থেকে পেনিস বার করে লিপিদির ভিতরে ঢুকিয়ে ওকে ফাক করতে শুরু করল। তোর বউ, অথচ তোকে করতে না দিয়ে তোর ছোট ভাই তার সাথে সেক্স করছে! তুই কোথায় রাগে ফেটে পরবি, তা না, আমি উঠে বাইরে এসে দেখি তুই উলটে দাদার জুতোর সামনে নিল ডাউন হয়ে ওর জুতোর তলায় কিস করছিস লুজারের মত!" - এই বলে তিথি ওর চটি পরা ডান পা টা আমার কাঁধ থেকে নামিয়ে আমার পেনিসের উপরে নামিয়ে দিল।
বারমুডার ভিতরে আমার পেনিস আবার বিরাট আকার ধারন করেছিল ছোট বোনের কাছে এইসব শুনতে শুনতে। বোনের চটি পরা ডান পায়ের তলার স্পর্শে সেটা যেন অপমানের খুশিতে ফুঁসতে লাগল।
একে ও ড্রাংক। তারপরে লিপিকে আমার অভির সাথে রাত কাটানোর জন্য থ্যাংক্স বলা আর তারপর নিজের চোখে আমাকে অভির জুতোর তলায় কিস করতে দেখার জন্যেই হয়ত তিথি এত সহজে রিল্যাক্স হয়ে এইসব কথা বলতে পারছিল। ও যে পুরো ঘটনাটা উপভোগ করছিল সেটাও নিশ্চিত। কারন ওর বাঁ হাত নিজের বারমুডার ভিতর দিয়ে চলে গিয়েছিল নিজের যৌনাঙ্গে। ও আমাকে এই ঘটনা বলতে বলতে মাস্টারবেট করছিল। এবারে চটির তলা দিয়ে আমার পেনিস ঘসতে ঘসতে বলল " দাদা তোর বউকে লাগাচ্ছে আর তুই তার জুতোর তলায় কিস করছিলি, তোর কি একটুও খারাপ লাগে না তোর সাথে যা হচ্ছে?"
" না, আমার খুব ভাল লাগে। আমি শুধু অভির জুতোর তলায় কিস করছিলাম তাই নয়, জিভ বার করে চাটছিলাম। এর আগেও বহুবার এই কাজ আমি করেছি। আমার খুব ভাল লাগে অভি আর তোমার সব পাওয়া আর আমার এই কষ্ট আর তেমন কিছু না পাওয়া। তবে আরও ভাল লাগবে যদি অভি বাড়িতে আমার সামনেই ক্যাজুয়ালি তোমাকে আর লিপিকে ফাক করে। ও তো এটা করতেই পারে, ও এই সুখ ডিজার্ভ করে।"
" আর তুই কি ডিজার্ভ করিস?" - জিজ্ঞাসা করার সময়ে তিথির এক্সপ্রেশান দেখে বুঝলাম ওর অর্গাজম হতে যাচ্ছে... ওর হাতের গতিও খুব বেড়ে গেছে, খুব জোরে নিজের ক্লাইটোরিস ঘসে সুখ নিচ্ছে সম্ভবত।
" অভিকে সার্ভ করা, তোমাদের সার্ভ করা। আর নিজে অনেক কষ্ট করে তোমাদের সুখী রাখা।"
" সত্যি তাই। তুই এটাই ডিজার্ভ করিস লুজার!" বলতে বলতে তিথি থেমে গেল, বা বলা ভাল অর্গাজমের সুখে হারিয়ে গেল। ওর চটি পরা পা আমার পেনিসটাকে খুব জোরে চেপে ধরল আমার পেটের উপরে।
উফ, কি সুখ! এক ঘন্টা আগেই আমার বীর্যপাত নাহলে এতক্ষনে আমি তিথির চটির তলা সিমেন দিয়ে ভাসিয়ে ফেলতাম। প্রবল সুখে আমি তিথিকে সুখ পেতে দেখতে দেখতে তিথির চটি পরা বাঁ পা টা টিপতে লাগলাম।
আমার পেনিসটা আমার ছোট বোন তিথির চটির তলায় কাঁপতে শুরু করল। মনে হল বীর্যপাত হতে বেশি দেরী নেই। তখনই তিথি ওর চটি পরা ডান পা টা তুলে নিল। আর খুব জোরে লাথি মারল আমার বিচিতে। মুহুর্তেই যন্ত্রনায় আমার বিচির সাথে পেনিসও কুঁকড়ে ছোট্ট নুনু হয়ে গেল।
তিথি হেসে বলল " লাথিটা মারলাম, কারন তুই সুখ নয়, পেইন ডিজার্ভ করিস। যা, কিচেনে গিয়ে আমাদের তিন জনের জন্য ভাল করে চা বানিয়ে দাদার ঘরে নিয়ে এসে আমাদের সার্ভ কর।"
এই বলে তিথি উঠে দাঁড়াল। আমি ওর পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করে কিচেনের দিকে এগোলাম আর ও আবার ওর আর অভির ঘরে চলে গেল। আমি চা করে সেটা ট্রে তে সাজিয়ে আমার বউয়ের ভ্যাজাইনায় পেনিস ঢুকিয়ে রাখা আমার ছোট ভাইকে সার্ভ করব ভাবতেই বারমুডার ভিতরে আমার পেনিস আবার শক্ত হতে শুরু করল একটু আগেই নিজের ছোট বোনের কাছে বিচিতে অত জোরে একটা লাথি খাওয়া সত্ত্বেও।
Comments
Post a Comment