নিলু

 এক পাঠকের অভিজ্ঞতা:

আমার এই ছোট অভিজ্ঞতামূলক পোস্টটিকে বিডিএসএম হয়ত বলা যায় না। তবু পাঠাচ্ছি। ভাল লাগলে পোস্ট করবেন।

আমার নাম নিলু, বয়স ২৬ । আমার জন্মের পরেই মা মারা যায়। তখন আমার বয়স দেড় বছর। বাবা এরপরে আবার বিয়ে করে খুব সুন্দরী এক মহিলাকে। তার গর্ভে আমার দুই সৎ ভাই বোন জন্মায়, অভি (২১) আর তিথি (১৮) ।

বিয়ের পর থেকে বাবার ব্যবসা বেশ ভাল জমে ওঠে। বাবা সারাদিন ব্যবসার কাজে ব্যস্ত থাকত। আমার সৎ মা নিজের ছেলে মেয়েকে অনেক বেশি ভালবাসত। বাড়িতে এই অবহেলার জন্য আমার কোন রাগ জন্মায় নি, বরং আমি কিরকম এক ইনফিরিয়র ফিল করতাম অভি আর তিথির তুলনায়।

ছোট থেকে দুই সৎ ভাই বোনকে আমি ভীষণ যত্ন করতাম। সৎ মা শেখাত ওরা ছোট,  ওদের যত্ন করা আমার কর্তব্য। ওদের ঘর গোছানো থেকে জামা কাচা, জুতো পালিশ,  পায়ে জুতো পরানো সব আমি করতাম। এখনো ওদের সহ বাড়ির সবার জামা কাচা জুতো পালিশ আমিই করি।  আমি বাড়িতে থাকলে ওদের পায়ে জুতো পরিয়ে দিই বাচ্চা বেলার মতই।

আমাদের অবস্থা খুবই ভাল ছিল আমার ছোট বেলায়। কিন্তু আমার যখন ক্লাস ১২ তখন হঠাত বাবা মারা যায়। বাধ্য হয়ে ওই বয়সেই ব্যবসা সামলানোর দায়িত্ব আমার ঘাড়ে ওঠে। আমি সরকারী স্কুল থেকে ক্লাস ১২ পাশ করার পরে আর পড়তে পারিনি তাই। অথচ দুই ভাই বোন দিব্বি বেসরকারী ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ার পরে এখন দুজনেই আমার কষ্ট করে রোজগার করা টাকায় প্রাইভেটে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছে। এই যে অসাম্য, সেটা আমার কিরকম অদ্ভুত ভাল লাগে।

আমি বিয়ে করেছি বছর দেড়েক হল। আমার বউ লিপি অভির ক্লাসমেট,  ওরই বান্ধবী। অভির চেয়ে মাস ৬ এর ছোট। আমি ব্যবসার কাজে সপ্তাহে তিন চার দিন বাইরে থাকি। এই কয়েক দিন আমার বউ যে আমাদের ঘরে শোয় না সেটার অনেক পরোক্ষ প্রমান আমি পেয়েছিলাম। নিশ্চিত হতে গোপনে ঘরে ক্যামেরা লাগিয়ে যাই একদিন।  আর আমার সন্দেহ সত্যি হয়। হ্যাঁ, রাতে আমার বউ আমার সৎ ভাইয়ের ঘরেই ঘুমাতে যায়!

অভি আর তিথি ছোট থেকেই একঘরে একখাটে ঘুমাত। ওরা টিন এজে পরার পরেও সেটা বদলায় নি। আমি জানি ওরা ভাই বোনে ফিজিকালি ক্লোজ। আমার সৎ মাও জানে। কিন্তু ব্যাপারটাকে পাত্তা দেয় না। আমিও না দেওয়ার চেষ্টা করি।

 কিন্তু আসলে আমার ব্যাপারটা খুব ভাল লাগে। আমার নিজের যে বোনের সাথে কিছু করতে ইচ্ছা করে সেটা কিন্তু না। অভি আর তিথি সব পাচ্ছে, আরামে বড় হচ্ছে, বাড়ির বড় ছেলে হিসাবে সব দায়িত্ব আমার আর সব আনন্দ সুখ ওদের জন্য এটা ভাবতে আমার কিরকম অদ্ভুত ভাল লাগে।

তিথি আমার সামনেই ওর দাদা অভির কোলে ক্লোজলি বসে চিরকাল। কিছুটা ঘনিষ্ঠ হয় কোন আড়ষ্ঠতা ছাড়াই। আমিও এমনভাবে বাড়ির কাজ করতে থাকি যেন এটা খুব স্বাভাবিক। যেমনটা ওদের মাও করে।

এমনও হয়েছে অভি আর তিথি কলেজ থেকে বা শপিং করে ফিরে সোফায় বসেছে। অভির কোলের উপরে তিথি। আমি ওদের পা থেকে জুতো খোলার জন্য ওদের পায়ের কাছে বসেছি। ওরা লিপ কিস করছে আর অভির হাত তিথির শরীরের এখানে ওখানে হালকা ভাবে ঘুরছে আর ওরা কিছু নিয়ে কথা বলছে। আমি এই অবস্থায় ওদের জুতো খুলে দিয়েছি। ওরা বললে পাও টিপে দিয়েছি ওদের। কি যে অদ্ভুত ভাল লাগে এগুলো কি বলব! এই রাত গুলোয় খাটে শোওয়ার পরে ঘুম আসতে চাইত না, স্বপ্নে ওরা আমার সামনেই সরাসরি সঙ্গম করত, আর আমি ওদের সেবা!

বিয়ের পরে আমি বেশিরভাগ সময়েই কাজে ব্যস্ত থাকি। অভি যে বেশ কায়দা করেই ওর মায়ের মদতে ওর ক্লোজ বান্ধবীর সাথে আমার বিয়ে দিয়েছে সেটা আমি ভালই বুঝি। আর আমার এটা খুব ভাল লাগে। লিপিও আমার সামনেই অভির কোলে বসে। অভি ওকে হালকা টাচ করে। যতটা তিথিকে করে তার চেয়ে একটু কম হলেও করে। যেমন তিথির ক্ষেত্রে ও প্লে করে আদরের ছোট বোনকে কোলে বসিয়ে একটু আদর করছে লিপির ক্ষেত্রেও যেন আদরের বন্ধু + বউদিকে একটু আদর করছে মজা করে। আর আমি বউয়ের সামনেই ছোট ভাই বোনের পায়ে জুতো পরাই,  খুলে দিই। সারাদিন খেটে ঘরে ফিরলেও ফিরে এসে ঘরের কাজ করি। আর ওরা ভাই বোন বউদি আনন্দ ফুর্তিতে থাকে।

 আমার সামনে কোন দিক থেকেই খুব বেশি বাড়াবাড়ি কখনো হয়নি। কিন্তু আমার বোনের ঘরে গত ৫ বছর ধরে ওই পিলের শিশি কেন থাকে সেটা বুঝতে আমার কোন অসুবিধা হয়নি। অভি নিজের আপন বোন তিথিকে সারা রাত ধরে ভোগ করে ভাবতে আমার কেন জানি না খুব ভাল লাগে। যেই বয়সে আমাকে দিনে ১২ ঘন্টা করে খাওয়া ঘুম ভুলে ব্যাবসার কাজ করতে হত যাতে অভি তিথি বা ওদের মায়ের কোন অভাব না থাকে,  সেই বয়সে ও প্রাইভেট কলেজে আরাম করে পড়ছে, কলেজে যাচ্ছে গাড়িতে, ফিরে এসে রাতে বিছানায় আপন বোনকে নিয়ে শুয়ে ভোগ করছে,  এমনকি ওদের জামা জুতো পরিস্কার করার দায়িত্বও এখনো আমার, এ এক অসামান্য উপভোগ্য অনুভুতি!

এর সাথে এখন যোগ হয়েছে লিপি। আমি বাড়িতে থাকলে আগে লিপি সারারাত আমার সাথেই শুত। যদিও আমার সামনে অভির সাথে বন্ধুর মত, বা তার চেয়ে একটু বেশিই খুনসুটি করত। আমি না থাকলে অভির বিছানায় ও অভি আর তিথির সাথে একসাথে শুত আমাকে না বলে। যদিও এটা কল্পনা করেই আমার খুব ভাল লাগত ও লাগে।

 ক্রমে আমি লক্ষ্য করি আমি বাড়িতে থাকলেও আমি ঘুমিয়ে পরলে লিপি মাঝরাতে উঠে চলে যায়। তারপরে ভোর রাতে ফিরে আসে আবার। আমি কখনো ওকে বলিনি যে ব্যাপারটা আমার চোখে পরেছে। যদিও আমার বলতে ইচ্ছা করে তোমার যখন ইচ্ছা তুমি অভির ঘরে যেতে পার। ইচ্ছা করলে অভি আমার সামনেও তোমাকে বা তিথিকে ভোগ করতে পারে। কিন্তু বলতে পারি না লজ্জায়।

এখন আমার বউ ৩-৪ মাসের প্রেগ্নেন্ট। আমি জানি না এই বাচ্চার বাবা কে, আমি না অভি? আমি মনে মনে কল্পনা করি এটা অভিরই সন্তান। আমার ভাবতে কেন জানি না খুব ভাল লাগে এটা। আমার বউয়ের পেটে আমার বাচ্চা এটা সত্যি জানতে পারলে সত্যিই আমার খুব খারাপ লাগবে।

আমি এটা আমার বউকে বলতে চাই। মনের এই ভাব বউকে প্রকাশ করতে চাই। ওকে ধন্যবাদ দিতে চাই অভির সাথে ফিজিকাল হওয়ার জন্য। তিথিকেও তাই বলতে চাই। কিন্তু বউ বা বোন কাউকেই বলতে পারি না মনের কথা।

আমার এই অভিজ্ঞতা ১০০% সত্যি। যদি কেউ কোন ডিটেইলস শুনতে চান বা এই ঘটনার অবলম্বনে কাল্পনিক গল্প পড়তে চান, আমি ভবিষ্যতে লেখার চেষ্টা করব।

 ( ইনবক্সে লেখা পাঠকের কমেন্ট পরপর যোগ করে  এডিট করে এক এডমিন গল্প আকারে প্রকাশ করেছে)।

Comments

Popular posts from this blog

কালু, তার মা-বোন আর ৩ প্রভু

লুজারের জীবন দর্শন ৫.....

mini stories 3 & 4