বিভু ও কালু...
বিভু ও কালু...
আমি রবি। তবে অত্যাধিক কালো গায়ের রঙের জন্য আমাকে কালু নাম দিয়েছিল আমার স্কুলের ক্লাস মনিটররা।
বিভুর প্রতি আমার সাবমিসিভনেসের কারন ছিল আমাকে স্কুল জীবনে ভয়ানক ডমিনেট করা এই তিন ক্লাস মনিটর। বিশেষ করে শতানিকের সাথে ওর অদ্ভুত মিল। ক্লাস ৫ থেকেই কথায় কথায় আমার পিছনে লাগত, অপমান করত ওরা। তুচ্ছ কারনে বা অন্যের অপরাধ আমার ঘাড়ে চাপিয়ে আমাকে শাস্তি দিত ওরা। ক্লাসে যেই চিৎকার চেচামেচি করুক, নিতান্ত গোবেচারা আমাকেই সেই অপরাধে নিল ডাউন হতে হত।
ক্লাস ৭ এ স্কুলের এক নাটকে আমাকে শতানিকের পোষা কুকুরের রোল প্লে করতে হয়। সেই অজুহাতে আমাকে প্রাক্টিশ করানোর অজুহাতে নাটকের আগে ক্লাসের মধ্যেই আমাকে কুকুরের মত ট্রিট করত শতানিক। সবাই হাসত। আমার লজ্জা হত, আবার ভালও লাগত খুব।
কিন্তু আমার বাবা পুরো ঘটনাটা জানতে পারার পরে আমাকে ওই স্কুল থেকে ছাড়িয়ে এক মিশনে ভর্তি করিয়ে দেয়। সেখানে রোজ ভোরে উঠে প্রেয়ার হত। আমার ভগবানে ভক্তি ছিল না, বা বলা ভাল আমাকে স্কুলে সবার সামনে কুকুরের মত ট্রিট করা শতানিককেই আমি প্রভু ও ভগবান ভেবে আনন্দ পেতাম। আমি হাতজোর করে প্রেয়ার করার সময়ে শতানিককেই মনে মনে ভগবান ভেবে নিতাম।
শতানিক বা অন্য ক্লাস মনিটরদের সাথে আমার আর দেখা হয়নি। কিন্তু ওদের প্রতি ভক্তিটা রয়ে গিয়েছিল। সেই ভক্তিটা আবার জেগে উঠেছিল বিভুকে দেখে। আমার চেয়ে ১০ বছরের ছোট বিভু যেন ঠিক ওই বয়সের শতানিক!
আমাদের পরিবার বলতে ছিল আমার ধার্মিক, কঠোর অনুশাসন মানা ব্যাবসায়ী বাবা, সহজ সরল মা আর আমি। আমাদের পাশের বাড়িতেই থাকত বাবার খুড়তুতো ভাই রমেন কাকা। রমেন কাকা খুব গোবেচারা আর তাকে তার বউ অনু কাকিমা নাকে দড়ি দিয়ে ঘোরাত, এই অভিযোগে বাবা তার ভাইকে খুব নিচু চোখে দেখত। অনু কাকিমার চরিত্র খারাপ এই অভিযোগে আমাকে বা মাকে ওদের সাথে বেশি মিশতেও বাধা দিত। যদিও বাবা চরিত্র খারাপ বলতে কি বোঝাত আর কিভাবে জেনেছিল জানতাম না।
কাকু আর অনু কাকিমার দুই মেয়ে, মিলি আর জুলি আমার চেয়ে ১২ আর ১৪ বছরের ছোট। বিভু ছিল এই অনু কাকিমারই দাদার ছেলে।
ওকে দেখতে ছিল হুবহু শতানিকের মত, আর ওর আচরনও ছিল শতানিকের মতই ডমিনেটিং। ওকে দূর থেকে দেখেই ওর প্রতি ভক্তি জেগে উঠত আমার। আমার বাবা অসুস্থ হয়ে পরার পর থেকে ফ্যামিলির উপরে তার কন্ট্রোল কমে আসে। আমি আর মা নিজেদের মত চলতে শুরু করি। কাকুদের বাড়িও যাতায়াত বাড়ে।
একদিন বিভু আসার পরে আমি ওদের বাড়িতে গিয়েছি। তখন বিভুর বয়স ১০, আমার ২০। বিভু ওর ২ বোনের সাথে বসে টিভি দেখছিল সোফায় বসে দুই আদরের বোনকে জড়িয়ে ধরে। আমি গিয়ে মেঝেতে বসলাম। কাকিমাও রান্না ঘর থেকে এসে বিভুদের উলটো দিকের সোফায় বসল
বিভু হঠাত উঠে বসে বলল, " বোর লাগছে। চল রবি, কিছু মজার খেলা খেলি।"
৮ বছরের মিলি বলল, " চল, চোর পুলিশ খেলি।"
৬ বছরের জুলিও " হ্যাঁ বলে উঠল।"
বিভু বলল, " ধুর! কাগজ কেটে ওই চোর পুলিশ দারোগা ডাকাত বোরিং খেলা।"
আমি বললাম " বরং আমি চোর সেজে কিছু চুরি করে লুকিয়ে রাখি। বিভু পুলিশ হয়ে আমার থেকে সেটা উদ্ধার করতে পারে কিনা দেখা যাক।"
অনু কাকিমা হেসে বলল, " যতক্ষন ও মার খেয়ে স্বীকার না করছে ততক্ষন থামবি না বিভু। তুইই জিতবি।"
আমি বললাম, " ১ ঘন্টা সময়। এর মধ্যে বের করতে পারলে ও জিতবে। না পারলে আমি জিতব। ওকে?"
বিভু হেসে বলল " ওকে। যা, নিচের ঘরে জুতোর র্যাকে আমার এক জোড়া কালো বুট আছে। সেটা নিয়ে আয়। তাহলে আমাকে পুলিশ হিসাবে মানাবে।"
আমি নিচে গিয়ে জুতোর র্যাক থেকে বিভুর বুট জুতো আর মোজা এনে দেখি বিভু শার্ট আর ফুলপ্যান্ট পরে পুলিশ হওয়ার জন্য রেডি।
আমিই বিভুর পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে ওর পায়ে মোজা আর বুট জুতো পরিয়ে দিলাম।
তারপরে অনু কাকিমার থেকে একটা ইমিটেশানের হার নিয়ে পাশের ঘরে লুকিয়ে রাখলাম। পাশের ঘরে ফিরতে বিভু বলল এখন সন্ধ্যা ৮ টা ১০ । ৯ টা ১০ এর মধ্যে তোর মুখ থেকে সত্যি কথা বার করতে পারলে আমি জিতব।
আমি মেঝেতে কাল্পনিক নিজের ঘরে শুয়ে ঘুমানোর চেষ্টা করলাম। বিভু এসে আমার চুলের মুঠি ধরে টানতে টানতে টেনে এনে সোফার কাছে নিয়ে এল। মিলি জুলি আর কাকিমা বেশ খুশি মুখে এই অদ্ভুত খেলা দেখতে লাগল।
১০ বছর বয়সী ফর্শা সুন্দর চেহারার বিভু ওর বাইরের বুট পরা ডান পা টা ২০ বছর বয়সী কালো কুতসিত আমার বুকের উপরে রেখে বলল তুই নিজে থেকে চুরি করা হার বের করবি নাকি আমাকে টর্চার করতে বাধ্য করবি?
আমি দুই হাতে বিভুর ডান পা জড়িয়ে ধরে বললাম " কিসের হার? আমি কোন হার চুরি করিনি বিশ্বাস করুন ।"
বিভু কাকিমা আর ওর দুই কাজিন বোনের সামনেই ওর বুট পরা ডান পা তুলে আমার ঠিক নাকের উপরে একটা লাথি মেরে বলল " দেখা যাক,কতক্ষন তুই সত্যি না বলে থাকিস। "
আমি আমার মুখে লাথি মারা বিভুর বুটের তলায় একটা গাঢ় চুম্বন করে বললাম " আমি সত্যিই নিইনি বিশ্বাস করুন।" অনু কাকিমার সামনেই আমার আরাধ্য দেবতা বিভুর লাথি খেয়ে তার বুটের তলায় এইভাবে খেলাচ্ছলে চুম্বন করছি সেটা আমার তখনো যেন বিশ্বাস হচ্ছিল না!
বিভু আমার মুখের উপরে রাখা ডান পায়ে ভর দিয়ে উঠে দাঁড়াল। তারপরে ওর বাঁ পা টা রাখল আমার গলার উপরে। বুট পরা একটা পা আমার গলার উপরে রেখে অন্য বুট দিয়ে আমার নাকটা চেপে ধরে বলল " তোকে আমার বুটের তলায় পিষে মেরে ফেলব কুত্তা হার ফেরত না দিলে।
আমি নি:শ্বাস নিতে পারছিলাম না প্রায়। তবু প্রভু বিভুর কাছে এইভাবে অত্যাচারিত হতে আমার খুব ভাল লাগছিল। আমি আমার অর্ধেক বয়সী প্রভুর ডান বুটের তলায় একের পর এক কিস করতে করতে বলতে লাগলাম " প্লিজ স্যার, দয়া করুন। আমি কোন অন্যায় করিনি। "
বিভু কোন উত্তর না দিয়ে আমার কপালের উপরে খুব জোরে জোরে লাথি মারতে লাগল বুট পরা ডান পায়ে। আমি নি:শ্বাস নেওয়ার জন্য জিভ বার করে হাঁফাতে লাগলাম।
১০-১২ টা লাথি মারার পরে আমাকে জিভ বার করে থাকতে দেখে বিভুর মুখে একটা দুষ্টু হাসি খেলে গেল। আমার বার করা জিভে নিজের ডান বুটের তলা নামিয়ে দিয়ে আমার জিভে বুটের তলা মুছতে মুছতে বলল " জিভটা পুরো বার করে দে কুত্তা।"
কাকিমা আর তার দুই মেয়ের সামনে বিভুর কাছে এভাবে আত্মসমর্পন করতে আমার যে কি ভাল লাগছিল বলে বোঝাতে পারব না। আমি জিভ বার করে দিলাম যতটা সম্ভব। বিভু আমার বার করা জিভে এমন ভাবে নিজের বুটের তলা মুছতে লাগল যেন সেটা কোন পাপোশ। প্রায় ২ মিনিট এইভাবে ডান জুতোর তলা আমার জিভে ঘসে পরিস্কার করে বিভু ওর ডান পা আমার বুকে রাখল। তারপরে ওর বুট পরা বাঁ পা একইভাবে ঘসতে লাগল আমার জিভে।
আমার জিভে দুই বুটের তলা ঘসে পরিস্কার করার পরে ও বুট পরা বাঁ পা আমার বুকের উপরে রেখে দাঁড়িয়ে জুতো পরা ডান পায়ে পরপর অন্তত ৩০ টা লাথি মারল আমার মুখের সর্বত্র। লাথি মারা থামাতে আমি ওর বুটের তলায় একের পর এক গাঢ় চুম্বন করতে করতে বলতে লাগলাম " প্রভু,,বিশ্বাস করুন, আমি চুরি করিনি।" যতই ব্যাথা লাগুক, কাকিমা আর তার দুই মেয়ের সামনে আমার স্বপ্নের ভগবান আমার প্রভু বিভুর হাতে এভাবে অত্যাচারিত হওয়ার আনন্দের কাছে শরীরের কষ্টটা কিছুই না।
বিভু এবার ওর প্যান্টের লেদার বেল্টটা খুলে নিল। তারপরে আমার মুখের উপরে বুট পরা একটা পা তুলে দিয়ে আমার বুকে একের পর এক বেল্টের ঘা মারতে লাগল আমার প্রভু বিভু। আর ও আমাকে যতবার বেল্ট মারছিল আমি ততবার ওর বুটের তলায় গাঢ় চুম্বন করছিলাম।
এইভাবে প্রায় ৫৫ মিনিট ধরে বিভু আমাকে যে কত চড়, ঘুসি, লাথি বেল্টের বারি মারল তা গুনে শেষ করা যাবে না। ৯ টা ৫ বাজতে কাকিমা বলল " আরো জোরে মার বিভু। আর মাত্র ৫ মিনিট আছে। কথা আদায় করতে না পারলে তুই কালু রবির কাছে হেরে যাবি।"
এই শুনে বিভু আমার গলার উপরে বুট পরা বাঁ পা রেখে উঠে দাঁড়িয়ে বলল, " চুরি ও করুক আর না করুক, চুরির দায় ওকে নিতেই হবে। নাহলে ওর মুখে লাথি মারতে মারতে আমি ওকে মেরেই ফেলব। এই বলে প্রভু বিভু গায়ের জোরে টানা আমার মুখে বুট পরা পায়ে লাথি মারতে লাগল। আমার মত কালো কুতসিত একজনের কাছে হারা প্রভু কি করেই বা মেনে নেবে?
ব্যাথা আর নি:শ্বাস নেওয়ার অভাবে আমার জ্ঞান হারানোর উপক্রম হল। বুম, বুম, বুম, বুম!!
একের পর এক বিভুর বুট পরা পায়ের লাথি আমার মুখে আছড়ে পরতে লাগল শুধু। কোন শর্ত না থাকলে আমি প্রভুর লাথি খেতে খেতে জ্ঞান হারাতে বা মরেই যেতে চাইতাম। কিন্তু প্রভু আমার কাছে হেরে যাবে তা তো আর হতে পারে না!
তাই কাকিমা আর এক মিনিট মাত্র বাকি বলার পরে আমি প্রভুর বুট পরা ডান পা দুই হাটে চেপে ধরে তার তলায় একটা গাঢ় চুম্বন করে বললাম " আর মারবেন না প্রভু। আমি চুরির দায় স্বীকার করছি। ওই হার আমি পাশের ঘরে লুকিয়ে রেখেছি।"
বিভু আমার মুখে বুট পরা বাঁ পায়ে লাথি মেরে বলল, " যা, নিয়ে আয়।"
আমি হারটা নিয়ে ফিরে এসে দেখি কাকিমার সামনেই বিভু মিলিকে কোলে বসিয়ে তার সারা শরীর চটকাচ্ছে। কাকিমা কিছুই বলছে না!
আমি এসে হারটা বিভুর হাতে তুলে দিয়ে ওর পায়ের কাছে উপুড় হয়ে শুয়ে পরলাম। ওর বুট পরা পা দুটো দুই হাতে তুলে নিয়ে তার উপরে একের পর এক গাঢ় চুম্বন করতে করতে বলতে লাগলাম, " আমাকে ক্ষমা করে দিন প্রভু।"
একটু পরে আমি সোজা হয়ে শুলাম। প্রভুর জুতো পরা পা দুটো নিজের মুখের উপরে তুলে নিয়ে তার তলায় একের পর এক গাঢ় চুম্বন করতে করতে প্রভুর পা দুটো ভক্তি ভরে টিপতে লাগলাম। প্রভু তখন তার দুই কাজিন বোনকে পালা করে লিপ কিস করছে ওদের শরীরের বিভিন্ন জায়গা টিপতে টিপতে।
" তুই এটাই ডিজার্ভ করিস বিভু" বলে কাকিমা বিভুর কপালে একটা চুম্বন করল।
"আমার বাবাও এই বয়স থেকেই তোমাকে আদর করত, তাই না পিসি?"- বিভু কাকিমাকে জিজ্ঞাসা করল। "
" হ্যাঁ রে। যেমন তুই তোর দুই কাজিন বোনকে করিস তেমনই আমার দাদা তার আপন বোন আমাকে একদম ছোট থেকেই যেমন খুশি আদর আর ভোগ করত। তবে তার একটাই বোন ছিল। আর তার সেবা করারও কেউ ছিল না। যেমন রবি তোর সেবা করছে।"
বিভু মিলিকে গাঢ় লিপ কিস করতে করতে আমার মুখে খুব জোরে একটা লাথি মেরে বলল " ওকে রবি না, কালু কুত্তা নামেই ডাকব আজ থেকে। ও আমার পোশা কুত্তা আজ থেকে।"
বিভুর কথা শুনে আমি আমার প্রভু বিভুর দুই বুটের তলায় গাঢ় চুম্বন করে বললাম " আমাকে নিজের কুত্তা হিসাবে গ্রহন করার জন্য ধন্যবাদ প্রভু।"
মিলি বলল " আমাদের এভাবে লিপ কিস করার জন্যেও থ্যাংক্স রে দাদা"।
কাকিমা বলল, " শুধু লিপ কিস না। তোদের দাদা তোদের শরীর নিয়ে আরো অনেক কিছু করবে আসতে আসতে। খুব মজা পাবি তোরাও দেখিস।"
( আমি এরপরে বিভুর পোষা কুত্তা হওয়ার পরে কিভাবে আমাকে ক্রীতদাসের মত ট্রিট করতে লাগল আমার প্রভু আর আমার চোখের সামনেই কাকিমার প্রত্যক্ষ মদতে তার দুই মেয়েকে তার ভাইপো বিভু রেগুলার ভোগ করতে লাগল সেই গল্প এরপরে আসবে)।
Comments
Post a Comment