উতুর বিবাহিত জীবন...

 উতুর বিবাহিত জীবন...


(একটা কাকোল্ড হিউমিলিএশন গল্প)...


(Warning; strictly 18+, এই Femdom cuckold humiliation গল্পে CFNM, passive sexual description, এমনকি incest ও আছে বলা যেতে পারে । তাই যারা এসব পছন্দ করেন না, প্লিজ এড়িয়ে যাবেন। )


উতুর ভাল নাম উৎপল... সাধারন চেহারার ব্যবসায়ী পরিবারের ছেলে... বি.এ. পাশ করার পর অনেক কষ্টে পরিবারের ব্যবসাকে দাঁড় করিয়ে আর্থিকভাবে ভালই সচ্ছল হয়ে সে বিয়ে করে ২৬ বছর বয়সে, ১৮ বছরের ফর্শা, সুন্দরী স্নিগ্ধাকে... বাবা মায়ের ঠিক করা মেয়ের সাথে এরেঞ্জ ম্যারেজ... কিন্তু বিয়ের কয়েক দিন আগেই সে বুঝতে পারে স্নিগ্ধার ক্লাসমেট একটি ছেলের সাথে সম্পর্ক আছে... কিন্তু বিয়ের কয়েকদিন আগে সে সামাজিক চাপে বিয়ে ক্যান্সেল করতে পারবে না... তাদের বিয়ে হবে... ফুলশয্যার রাতে স্নিগ্ধা বলবে ইচ্ছার বিরুদ্ধে একটা মেয়েকে জোর করার ইচ্ছা না থাকলে আলাদা শুতে... তাকে কি স্নিগ্ধা রেপিস্ট ভাবে? ভিশন লজ্জা নিয়ে সে বিছানা ছেড়ে মেঝেতে শোবে। বিয়ের পর ব্যবসার জন্য সে তাদের বর্ধিষ্ণু গ্রাম ছেড়ে শহরে এসে থাকবে স্ত্রীকে নিয়ে... কিন্তু মাসের পর মাস কেটে গেলেও কোনদিন শারীরিক সম্পর্ক হবে না তাদের... প্রথম রাতের মত তার রেগুলার স্থান হবে বউয়ের খাটের নিচে, মেঝেতে।
এই অস্বাভাবিক পজিশনই যেন বউয়ের প্রতি তাকে অনেকটা সাবমিসিভ করে তুলবে। ব্যবসা সামলানোর পাশাপাশি রান্না সহ ঘরের অনেক কাজই তাকে করতে হবে চাকরদের পাশাপাশি... স্নিগ্ধার একমাত্র কাজ হবে তার স্বামীর টাকায় ফুর্তি করা... সেই স্বামী যে বিয়ের রাত থেকে তার খাটের তলায় মেঝেতে শোয়... যার সাথে তার কোন শারীরিক সম্পর্ক কখনো হয়নি...
উতু ক্রমে বুঝবে তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক না হলেও তার স্ত্রীর সাথে অন্য ছেলেদের শারীরিক সম্পর্ক আছে... এক জন নয়, অন্তত দুজন... রবিন ও প্রিতম, দুজনেই স্নিগ্ধার ক্লাসমেট ছিল ও দেখতে সুন্দর... সরাসরি ওদের মিলিত হতে না দেখলেও বহুদিন সে ব্যবসা থেকে ফিরে ওদের নিজের বাড়িতে স্ত্রীয়ের সাথে দেখবে...যখন আর কেউ ঘরে নেই... নিজের ঘরে বহুবার ব্যবহৃত কন্ডোমও আবিস্কার করবে সে।
আশ্চর্যভাবে সে এই ঘটনায় একটুও রেগে যাবে না, নিজেই অবাক হয়ে দেখবে এই ঘটনায় সে যেন যৌনভাবে উত্তেজিত হচ্ছে। সে স্নিগ্ধার উপরে একটুও রাগ না দেখিয়ে চেষ্টা করবে তাকে আরো কি করে খুশি রাখা যায়।
ক্রমে স্নিগ্ধার একটা ফুটফুটে কন্যাসন্তান হবে, সৃজা। স্নিগ্ধা আইনত তার স্ত্রী হওয়ায় সৃজাও তারই মেয়ে বলে আইনত স্বিকৃতি পাবে। সৃজার জন্মের সার্টিফিকেটে বাবা হিসাবে তার নাম থাকবে, যদিও সে তখনো ভার্জিন!
তার স্ত্রীয়ের পরকীয়ার ফসল সৃজা ক্রমে তার চোখের সামনে বড় হতে থাকবে। যতদিন যাবে তার সৌন্দর্য বাড়তে থাকবে। উতু মাঝে মাঝে ভাবতে থাকবে যা হয়েছে ভালই হয়েছে... সে যদি জন্মদাতা পিতা হত তবে তার ছেলে/ মেয়ে এত সুন্দর হত কি কখনো? যদিও সে জানবে না আসলে সৃজার জন্মদাতা বাবা কে? রবিন না প্রিতম? স্নিগ্ধাও জানে কি সেটা?
এই চিন্তা ক্রমে তার মেয়ের প্রতি ভালবাসা বাড়িয়ে তুলবে... যে ভালবাসায় কিছুটা সাবমিসিভনেস মিশে ছিল... কিন্তু সৃজা কোনদিনই তাকে সেভাবে পাত্তা না দিয়ে তাচ্ছিল্যের চোখে দেখবে।
ক্রমে সৃজার বয়স ৬ হলে স্নিগ্ধা আর উতুর সাথে এক ফ্ল্যাটেও থাকতে চাইবে না। উতুরই কিনে দেওয়া বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে মেয়েকে নিয়ে উঠবে সৃজা, তাদের সঙ্গী হবে রবিন ও প্রিতম... প্রথমদিকে ভয়ানক দুঃখ পেয়েছিল উতু... তার সাথে কোনদিন শারীরিক সম্পর্ক না করা ও তার চোখের সামনে পরকীয়া চালানো স্ত্রী ও তার অবৈধ কন্যা তাকে ছেড়ে চলে যাওয়ায়।
দু-তিন বছর গড়িয়ে যাওয়ার পর তার মন ক্রমে শান্ত হবে। সে ঠিক করবে আবার নিতুন ভাবে শুরু করবে জীবন। ৩৬-৩৭ বছর এমন কিছু বেশি বয়স না। স্নিগ্ধা আলাদাই থাক, সে ডিভোর্স চাইবে, আবার বিয়ে করে নতুন জীবন শুরু করবে।
স্নিগ্ধার সাথে কথা বলল সে। প্রাথমিক ভাবে স্নিগ্ধা তেমন আপত্তি করল না। সে বিয়ের জন্য মেয়ে দেখাও শুরু করল। জয়া নামের একটা মেয়েকে সবে তার ভাল লাগতে শুরু করেছে… তার সাথে কথা অনেকটা এগিয়েছে.. হঠাত একদিন স্নিগ্ধা সৃজাকে নিয়ে ফিরে এল তার বাড়িতে। রবিন আর প্রিতম দুজনেই বিয়ে করে সংসারী হতে চায় এখন। তাই স্নিগ্ধা এখন আবার তার সাথেই থাকবে। যদিও নিজেদের গোপন সম্পর্ক ওরা চালিয়ে যাবে।
উতু বুঝলো তাকে ভয়ানক ভাবে ব্যবহার করছে স্নিগ্ধা। বিয়ের পর থেকেই মানসিকভাবে ধর্ষন করে চলেছে। তাছাড়া তার সাথে স্নিগ্ধার আচরন কিভাবে বর্ননা করা যায় আর? তার কি এবার বাধা দেওয়া উচিত না? নতুন করে জীবন শুরু করা উচিত না যেভাবেই হোক? সে ইতস্তত করতে করতে সিদ্ধান্ত নেবে অনেক হয়েছে। এবার যেভানেই হোক কিছু একটা করতেই হবে!
যখন সে মানসিকভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে তখনই এমন একটা ঘটনা ঘটল যার জন্য সে কোনভাবেই প্রস্তুত ছিল না।
সৃজা তাকে সরাসরি কিছুটা ব্যবহার করতে শুরু করবে। তাকে সরাসরি ঘরের কাজ করতে অর্ডার স্নিগ্ধা কখনো করেনি, কিন্তু হঠাত তার মেয়ে সৃজা করতে থাকবে, মায়ের সামনেই... এমনকি কখনো রবিন বা প্রিতম থাকলে তাদের সামনেও। ক্রমে এমনকি তাকে দিয়ে নিজের জুতো পরানো, খোলানোও করতে শুরু করবে ১০ বছর বয়সী সৃজা।
এইসময় জয়া হঠাত একদিন তার বাড়িতে আসবে... প্রায় একমাস পরে... এর আগে যখন এসেছিল তখনো স্নিগ্ধারা এ বাড়িতে ছিল না... জয়াকে তার বলা হয়নি স্নিগ্ধা সৃজাকে নিয়ে তাদের বাড়িতে আছে... কিভাবেই বা বলতো সে? তাদের এই অদ্ভুত সম্পর্ক সে কিভাবে ব্যাখ্যা করবে তার কাছে?
যখন জয়া আসবে তখন বিকাল। তাদের বেড্রুমে রবিনের সাথে ব্যাস্ত স্নিগ্ধা। সৃজা স্কুলে। সে রোজ স্কুল থেকে তাকে আনতে গেলেও সেদিন জয়া হঠাত আসায় সে যেতে পারবে না। জয়ার ধারনা ঘরে তারা শুধু দুজন আছে। সে গল্প শুরু করবে... হঠাত সৃজা এসে উপস্থিত হবে স্কুল থেকে ... তার মুখে ভয়ানক রাগ ফুটে উঠবে... “আমাকে স্কুল থেকে আনতে যাসনি কেন?” , জীবনে প্রথম তাকে তুই সম্বোধন করে বলবে সৃজা।
উতু সরি বলতে বলতেই টের পাবে সৃজার বেশ জোড়ালো একটা থাপ্পর তার গালে আছড়ে পরল। “ আমাকে না জানিয়ে ওয়েট করিয়ে খুব ভুল করেছিস। এর শাস্তি তোকে পেতে হবে এখন থেকে। নে, জুতো খুলে দে আমার আগে”।
জয়াকে উতু বলেনি তার একটা মেয়ে আছে... সে তো আসলে রক্তের সম্পর্কে তার মেয়ে না... তার বিবাহিতা স্ত্রী তাকে ফেলে চিরকাল তার সামনে পরপুরুষের সাথে সঙ্গম করেছে... এর জন্ম তার ফলে... এটা সে কি করে বলবে কাউকে? আর এখন দশ বছর বয়সী প্রমা সুন্দরী সৃজা সেই জয়ার সামনেই তাকে চাকরের মতো হুকুম করছে... তার নতুন জীবনের সব স্বপ্ন চুরমার করে দিয়ে।
উতু মাথা নিচু করে বসে পরবে সৃজার পায়ের কাছে। জয়া শুধু অবাক চোখে তাকিয়ে আছে তার দিকে। সে ইতিমধ্যে পরপর দুইবার তাকে প্রশ্ন করেছে “ ও কে?” সে উত্তর দেয়নি? এরকম অদ্ভুত সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন করলে নিরুত্তর থাকা ছাড়া আর কিছু বলার নেই যে।
সৃজার পরনে স্কুল ড্রেস... শার্ট- স্কার্ট-মোজা আর সাদা স্নিকার। সে সৃজার পায়ের কাছে হাঁটুগেড়ে বসতেই তাকে আরো অবাক করে তার মুখে জুতো পরা ডান পায়ে লাথি মারবে ১০ বছর বয়সী সৃজা... পরপর তিনটে... তারপর বাঁ পায়ে আরো দুটো... সৃজা থামবে না... জয়ার সামনে উতুর মুখের উপরে জুতো পরা দুই পায়ে একের পর এক লাথি মেরে যাবে ... উতুর সাথে জয়ার বিয়ে হওয়ার যাবতীয় সম্ভাবনাকে শেষ করে দিয়ে... উতু উঠে আসতে চাইবে... কিন্তু পারবে না... তার মুখের সর্বত্র জুতো পরা পায়ে প্রায় ২০ টা লাথি মারবে সৃজা... আর সে থামলে তার জুতো পরা পায়ে মাথা রেখে তার জুতোর উপরে একের পর এক চুম্বন করতে করতে তার কাছে ক্ষমা চাইতে থাকবে উতু।
ঠিক সেই সময়ে জয়াকে আরো অবাক করে দিয়ে বেডরুম থেকে বেরিয়ে আসবে রবিন আর স্নিগ্ধা, আলিঙ্গন বদ্ধ অবস্থায়... জয়া স্নিগ্ধার নাম শুনলেও দেখেনি কখনো... সে আবার প্রশ্ন করে ফেলবে অবাক হয়ে ... এরা কারা?
জবাবে রবিনকে নিয়ে জয়ার উল্টোদিকের সোফায় বসে হাসিমুখে ১০ বছর বয়সী সুন্দরী সৃজার জুতো পরা পায়ে ৩৭ বছর বয়সী উতুর একের পর এক ভক্তিভরে চুম্বন করা দেখতে দেখতে সে রিপ্লাই দেবে... আমি স্নিগ্ধা , উতু আমার আইনত স্বামী হলেও এখনো ভার্জিন... আইনত সৃজার বাবা উতু... কিন্তু আসল বাবা আমার বয়ফ্রেন্ড রবিন বা প্রিতম... কে আমিও ঠিক জানি না... এই বলতে বলতে সে রবিনের ঠোঁটে ঠোঁট রেখে চুম্বন করতে থাকবে... আর তার মেয়ের জুতোর উপরে চুম্বন আঁকতে থাকবে উতুর ঠোঁটজোড়া।
অবাক বিস্ময়ে প্রায় ৩০ সেকেন্ড হতবাক হয়ে বসে থাকবে জয়া... তারপর পারভার্ট, লুজার বলে চিৎকার করে বেরিয়ে যাবে ঘর থেকে ... একবারও ফিরে না তাকিয়ে...
সেই থেকে উতুর জীবন সম্পুর্ন বদলে যাবে। স্নিগ্ধা আর সৃজা তাকে সরাসরি চাকরের মতো হুকুম করা শুরু করবে, রবিন আর প্রিতমের সামনেও। বিনা আপত্তিতে সব মেনে নেবে উতু। আর ক্রমে আবিস্কার করবে সে, এতেই তার আসল যৌনসুখ!
...
...
চার বছর পরের একটি রাত... আজ সৃজার ১৪ তম জন্মদিন... রাতে ঘরে পার্টি থাকায় সে কাজে না গিয়ে সারা সকাল পার্টির ব্যবস্থা করল নিজে হাতে... সৃজা স্কুলে গিয়েছিল... দুপুরে খাওয়ার পর সারা দুপুর স্নিগ্ধা চেয়ারে বসে টিভি দেখলো... আর সে স্নিগ্ধার পায়ের কাছে মেঝেতে বসে স্নিগ্ধার পা নিজের কোলে নিয়ে টিপে দিল... তার প্যান্টের চেন খোলা... উত্তেজিত পুরুষাঙ্গ বাইরে বেরিয়ে আছে... কখনো তার উপরে চটি পরে পা বোলাচ্ছে স্নিগ্ধা, কখনো চটি খুলে খালি পায়ে... বউয়ের পায়ের তলার ঘসা খেয়ে উত্তেজনায় ছটফট করছে তার পুরুষাঙ্গ। তার পরকীয়াকারী স্ত্রী তাকে কখনো মিলিত হতে না দিলেও এটা কি কম সুখ? একাধিক পরপুরুষের সাথে রোজ স্ত্রীকে মিলিত হতে দেখা আর পরে চাকরের মতো তার পা টিপতে টিপতে নিজের পুরুষাঙ্গে স্ত্রীর পায়ের স্পর্শ পাওয়া? শুধু তো স্ত্রীরই না, তার মেয়েও তো একইভাবে খেলা করে তার পুরুষাঙ্গ নিয়ে... মা ও মেয়ে উভয়ের পায়ের স্পর্শ লিঙ্গে পাওয়া... তাদের পায়ের স্পর্শে বীর্যক্ষরন করা, কম কথা?
ওদের পায়ের স্পর্শে বীর্যক্ষরন হয়ে গেলে অবশ্য একাধিক চড় ও লাথি জোটে ওর কপালে... কিন্তু সেটাও তো সৌভাগ্যের... স্নিগ্ধা বা সৃজার মতো সুন্দরী মেয়ের হাতে মারই বা কজন ছেলের ভাগ্যে জোটে?
বিকালে সৃজা স্কুল থেকে বাড়ি ফিরেই স্নিকার পরা দুই পায়ে পরপর অনেকগুলো লাথি মারল উতুর মুখে... উতুকে পায়ের তলায় শুইয়ে উতুর মুখের উপরে জুতো পরা পা দুটো রখে ওকে দিয়ে পা টেপালো...। এরপর ওর দুই বয়ফ্রেন্ড যখন ঘরে ঢুকল তখনো সৃজা উতুর মুখের উপরে জুতো পরা পা রেখে বসে ওকে দিয়ে পা টেপাতে টেপাতে উতুর বার করা জিভের উপরে জুতোর তলা ঘষে পরিষ্কার করছে!
ওকে এই অবস্থায় প্রথম দেখছে না ওর দুই বয়ফ্রেন্ডচিকো আর সানি... তবু ওরা অট্টহাসি করতে লাগলো ওকে এইভাবে সৃজার সেবা করতে দেখে। প্রবল হিউমিলিএশনে ওর পুরুষাঙ্গ তীব্র আকার ধারন করে ফুঁসতে লাগল প্যান্টের মধ্যেই। সৃজা ওর মুখে লাথি মেরে হুকুম করল ওর পা থেকে জুতো খুলে ঘরে পরার চটি পরিয়ে দিতে... সে দিল... সৃজা পরা চটি পরা পায়ের তলায় তার দৃঢ় পুরুষাঙ্গটা ঘস্লো কিছুক্ষণ... তারপর দুই বয়ফ্রেন্ডকে নিয়ে নিজের ঘরে চলে গেল... আজ সবে ১৪ বছরে পরলো সৃজা... অথচ এক বছরের বেশি সময় ও দুই বয়ফ্রেন্ডকে নিয়ে একসাথে নিজের ঘরে সময় কাটায়... ওর মা সব জানে। সত্যি, যেমন মা তার ঠিক তেমন মেয়ে! স্নিগ্ধা তো প্রকাশ্যেই বলে বহুগামিতায় আমি কোন সমস্যা দেখি না, আন্ডার এজে নিজের দেহকে উপভোগ করাতেও না। জীবনটা উপভোগ করার জন্য, শুকনো আদর্শবাদ কপচানোর জন্য না।
দেড় ঘন্টা পরে ও পরম সুখী হয়ে নিজের ঘর থেকে বেরলো দুই বয়ফ্রেন্ডকে নিয়ে। উতু সাথে সাথে ওদের খাবার আর ড্রিংক সার্ভ করলো। এরপর সৃজার অনেক বন্ধু বান্ধবী এল... পার্টি শুরু হল... সবার সামনেই তাকে চাকরের মতো ইউজ করল সৃজা... পান থেকে চুন খসলে জুটলো চড় আর লাথি। সৃজার হাতে, সৃজার দুই ক্লোজ বান্ধবীর হাতেও।
রাত সাড়ে নটায় পার্টি শেষ করে চলে গেল সৃজার বন্ধুরা। রবিন আর প্রিতম এল তারপরে। তখন সৃজা উতুর কোলের উপরে পা রেখে বসে তাকে দিয়ে পা টেপাচ্ছে। উতুর পুরুষাঙ্গটা প্যান্টের চেন খুলে বাইরে বার করা। তার অবৈধ মেয়ে সৃজার খালি ডান পা টা ঠিক ওর পুরুষাঙ্গের উপরে... সৃজা নিজের ডান পা টা তার আইনত বাবার দৃঢ় পুরুষাঙ্গের উপরে ঘষে চলেছে... প্রবল সুখে নিজের অবৈধ মেয়ের প্রতি আরো সাবমিসিভ হয়ে তার পা দুটো পালা করে টিপে চলেছে উতু... আর স্নিগ্ধা তার পিছনে বসে নিজের চটি পরা পা দুটো উতুর কাঁধে তুলে দিয়েছে।
এই প্রবল সুখ বেশিক্ষন ধরে রাখতে পারল না উতু... প্রবল সুখে আচ্ছন্ন হয়ে মেয়ের পায়ের ঘসা খেতে খেতে তার পায়ের উপরে নিজের সাদা বীর্যের বন্যা বইয়ে দিল সে। উফফফ, মাথাটা সুখে দপদপ করছে যেন! কি সুখ!!
তার নুনুটা বেশ কিছুক্ষণ খালি পায়ের তলায় ডললো সৃজা... তারপরে প্রথমে উতুর মাথায় ঘষে মুছলো নিজের পায়ে লেগে থাকা বীর্য... এরপর পায়ে নীল চটিটা গলিয়ে একের পর এক লাথি মারতে লাগলো সৃজা... নিজের চটড়ি পরা দুই পায়ে... তোর ত সাহস কুত্তা যে তুই প্রভুর পা নোংরা করিস... সৃজার সাথে পছন থেকে আরো তিন জোড়া অট্টহাসি ভেসে এল উতুর কানে। উফফ, সুন্দরী মেয়েদের হাতে অপমানিত হলে এত আনন্দ কেন যে হয় তার? তার মুখের উপরে লাথি মারতে থাকা তার অবৈধ ১৪ বছর বয়সী সৃজার চটি পরা পা দুটো দুই হাতের তালুতে তুলে নিল উতু... তারপর পাগলের মতো চুম্বনের বন্যা বইয়ে দিতে লাগলো পা দুটোর উপরে।
একটু পরে বাকি ৪ জন টেবিলে খেতে বসলো।। উতু চাকরের মতো সার্ভ করলো ওদের। এরপরে ওরা চারজনেই গল্প করতে করতে একই ঘরে ঘুমাতে চলে গেল। উতু গত এক- দেড় বছর লক্ষ্য করছে, এখন স্নিগ্ধার দুই বয়ফ্রেন্ড এলে সৃজাও ওদের সাথে ঘুমাতে যায় একই ঘরে... যদিও অন্য দিন সৃজা আর স্নিগ্ধা আলাদা ঘরে ঘুমাতে যায়... স্নিগ্ধা আর সৃজা দুজনেরই দুটো করে বয়ফ্রেন্ড...। একই সাথে নিজের দুই বয়ফ্রেন্ডের সাথে ওরা দুজনেই মিলিত হতে ভালবাসে এটুকু তবু কষ্ট করে কল্পনা করতে পারে উতু। কিন্তু তাই বলে নিজের বয়ফ্রেন্ডের সাথে মিলিত হওয়ার সময়ে কি করে নিজের মেয়েকেও সেই ঘরে নিয়ে যায় স্নিগ্ধা? সৃজা কি শুধু দেখে? না কি মিলনে অংশও নেয়? এত সহজ ভাবে কি করে সম্ভব হয় সেটা? বিশেষ করে যেখানে রবিন বা প্রিতমের একজনই উতুর জন্মদাতা বাবা? নিজের জন্মদাতা বাবার সাথে... যদি সত্যিই তেমনটা হয়ে থাকে ভিতরে... কিভাবে সম্ভব? তাও মায়ের উপস্থিতি ও ইন্ধনে?
অবশ্য হবে নাই বা কেন? আইনত সৃজার বাবা তো সেই। যদি মায়ের সাথে মিলে এইভাবে প্রকাশ্যে তাকে হিউমিলিএট করতে পারে সৃজা, নিজের বয়ফ্রেন্ডদের সামনে তার পুরুষাঙ্গ নিয়ে খেলতে পারে তারই আইনত স্ত্রী ও মেয়ে... তাকে চুড়ান্ত অপমান করতে করতে... তাহলে এ আর এমন কি? স্নিগ্ধা তো প্রকাশ্যেই বলে বেড়ায় ... সেক্স নিয়ে যেকোন বাধা আপত্তিই তার কাছে ট্যাবু, হাস্যকর। বহুগামিতা বা আন্ডার এজ সেক্স তার কাছে উপভোগ্য বিষয়। কি জানি? মুখে না বললেও, হয় ইনসেস্ট, আমার মতো সাবমিসিভদের হিউমিলিএশনও একই রকম উপভোগ্য ওদের কাছে।
কি জানি ! হয়তো উইনারেরা এরকমই হয়! ওদের মতো সুদর্শন উইনারেরা বাকি সমাজে যা নিষিদ্ধ তা তারা প্রানভরে উপভোগ করে।
আর আমার মতো লুজারেরা? কিছুই পায় না জীবনে, না পাওয়ার জন্যই তাদের জন্ম। আর যদি ভাগ্য জোরা তারা স্নিগ্ধা বা সৃজার মতো মেয়ের কাছে অপমানিত আর অত্যাচারিত হওয়ার সুযোগ পেয়ে যায়? তবে সেটাই লুজারদের জন্য স্বর্গ, হয়ত বা তার চেয়েও বেশি। কারন তারা উইনার নয়, তারা কুদর্শন, তারা লুজার! হ্যাঁ, লুজার!! সৃজা আর স্নিগ্ধা এখন বেশিরভাগ সময়ে আমাকে এই নামেই ডাকে বটে!!
( সমাপ্ত )।

Comments

Popular posts from this blog

কালু, তার মা-বোন আর ৩ প্রভু

লুজারের জীবন দর্শন ৫.....

mini stories 3 & 4