লুজারের জীবন দর্শন ১...

 লুজারের জীবন দর্শন ১...


এই পেইজ যখন খুলি তখন ইচ্ছা ছিল বিভিন্ন রকম BDSM গল্প লিখব বাংলায়। কিন্তু খুব বেশি অন্য গল্প লেখা হয় না। আর ক্লাস মেট ৩ জন ছেলের হাতে ডমিনেটিড হওয়ার একাধিক গল্পের কারনে অনেকেই ইনবক্সে জিজ্ঞাসা করেছে, এর পিছনে কোন কাহিনী আছে কিনা। খুব সংক্ষেপে সেটাই বলছি।

আমার বাবা বেশিরভাগ সময়ে  বাইরে থাকত ব্যাবসার কারনে। আমার মায়ের একাধিক যৌন সঙ্গী ছিল। তবে সেই যৌনতা একটু অন্য রকম ছিল। মায়ের মূলত ৩ জন যৌন সঙ্গী ছিল, যাদের আমি আর আমার বোন মামা বলতাম। তারা যখন খুশি এসে ইচ্ছা মত আমাদের মায়ের শরীর ভোগ করত আমাদের সামনেই। ছোট থেকে আমরা এই দেখেই বড় হয়েছি। আমাদের দুই বাচ্চা ভাই বোনের দিকে তখন মায়ের কোন নজরই থাকত না। মামাদের যৌন সুখ দেওয়া ও এরপরে তাদের জন্য খাবার রান্না করা ও অন্যভাবে তাদের সেবা করে খুশি করা এই নিয়েই মা ব্যাস্ত থাকত।

আমি ছোটবেলায় পাড়ার দাদাদের থেকে এই নিয়ে অনেক কটুক্তি শুনতাম। আমার লজ্জায় মাটিতে মিশে যেতে ইচ্ছা করত। আমার যখন ৯-১০ বছর বয়স তখন ভাল বুঝতামও না যে ওরা কি বলছে। কিন্তু বাড়িতে পরপুরুষের রেগুলার আসা খারাপ কাজ, আমার মা সেই কাজ করে এটাই বলত অশ্রাব্য ভাষায়। মা আমাদের দেখে না বলে একটু অভিমান হলেও মামারা মাকে কাছে টেনে আদর করে এর মধ্যে খারাপ কি আছে সেটাও বুঝতাম না। তবে ওই দাদাদের ওই অপমান সহ্য সীমার বাইরে ছিল। একই সাথে ছোট থেকে মায়ের অবহেলা আর এই অপমান আমাকে খুবই nervous, anxious, introvert  করে তুলেছিল ওই বয়সেই।

খারাপ চেহারার এরকম চরিত্রের ছেলেদের পিছনে অনেকেই লাগে স্কুলে। আমার পিছনেও লাগত। বিশেষ করে স্কুলের ৩ মনিটর।  আমার প্রথমে সত্যিই খুব খারাপ লাগত। তারপর কবে যে ওদের সুপিরিয়ার ভেবে লুকিয়ে ওদের জুতোর ছাপের উপর চুম্বন করা শুরু করি ঠিক মনে নেই। সম্ভবত ক্লাস ৬ এ! ক্রমে ওরা আমাকে টিটকিরি করা এক্সট্রিমে নিয়ে যেতে থাকে। মাঝে মাঝেই তুচ্ছ অজুহাতে চড় মারতে লাগে। সাথে টুকটাক লাথি। ক্লাসে যেই চিৎকার করুক, সেই অপরাধে নিল ডাউন আমাকেই হতে হত। আর ওরা মিথ্যা কারন দেখিয়ে চড় বা লাথি মারলেও আমি সরি বলে ক্ষমা চাইতাম।

কিন্তু ব্যাপার এখানেই থেমে থাকে না। এরপরে ক্লাসে এক মিথ্যা অভিযোগ আনে এক মনিটর আমার উপরে। চুরির অভিযোগ। তখন আমার কোন ক্লাস সেটা বলছি না।  ক্লাস ৮ বা ১০ কিছু একটা ধরে নিন। সারা ক্লাসের সামনে আমাকে কান ধরে টেনে এনে মেঝেতে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয় অভিজিত। তারপর চুরির কথা স্বীকার করতে বলে জুতো পরা পায়ে আমার মুখে লাথি মারতে থাকে। চিতকারে পাশের ক্লাস থেকে স্যার এসে দেখে অভিজিত আমার মুখের উপরে জুতো পরা পা রেখে দাঁড়িয়ে আমার মুখে লাথি মারছে আর আমি ওর জুতোর তলায় চুমু খেয়ে ওর কাছে ক্ষমা চাইছি। সেই স্যার ছিল অভিজিতের নিজের কাকু আর আমার মায়ের একজন যৌনসঙ্গী।
এরপরে যা হওয়ার তাই হয়েছিল। আমি বিনা দোষেও পরের দিন  স্বীকার করেছিলাম আমি চোর। আমার মা এসে সারা ক্লাসের সামনে আমাকে হাত জোর করে ক্ষমা চাইতে বলেছিল অভিজিত সহ ৩ মনিটরের কাছে। আর আমাদের ক্লাস টিচার অভিজিতের কাকুকে অনুরোধ করেছিল ওর ক্লেপ্টোম্যানিয়া ( চুরির রোগ)   আছে। প্লিজ ওকে  স্কুলে পড়ার আরেকটা সুযোগ দিন। বরং ক্লাস মনিটরেরা দায়িত্ব নিক ওকে কালকের মত মেরে শাস্তি দিয়ে ঠিক পথে আনার।

 
এরপরে সেটা নিত্য দিনের ঘটনা হয়ে যায়। বাকি স্কুল জীবন আমার কাটে ৩ ক্লাস মনিটর অভিজিত,,শতানিক আর শিলাদিত্যের স্লেভ হয়ে। ওরা শুধু চড় নয়, কথায় কথায় সবার সামনে জুতো পরা পায়ে আমার মুখে লাথ মারত। আমার মুখের উপরে জুতো পরা পা রেখে বসে ক্লাস করত।  আর আমি ওদের পা টিপতাম ভক্তিভরে আর ওদের জুতোর তলার ময়লা জিভ দিয়ে চেটে পরিস্কার করে দিতাম। সে আমলে মফস্বলের স্কুলে এরকম ঘটনা অস্বাভাবিক হলেও অসম্ভব ছিল না। বিশেষ করে যেখানে আমার মা নিজে হাত জোর করে অনুরোধ করেছিল শাস্তি দিয়ে আমার ক্লেপ্টোমানিয়া দূর করতে আর আমিও তাতে সায় দিয়েছিলাম।

ঘটনা শুধু এখানেই শেষ না। অবশ্যই ৩ মনিটর আমাদের বাড়িতেও আসত। আমার বাবার কষ্ট করে  রোজগার করা টাকা উড়িয়ে ফুর্তি করত। আর সাথে আমার ২ বছরের ছোট বোনের দেহ ভোগ! মা পরোক্ষ ভাবে ওদের উতসাহই দিয়েছিল এতে। হয়ত সেক্সুয়ালি সাবমিসিভ মায়ের এসব খুবই ভাল লাগত বলে। সেই সাথে ছেলে মেয়েকেও এরকম লাইফ স্টাইলে জড়াতে পারলে তারা পরে বাবাকে বলে ঝামেলা পাকাবে না এই বিশ্বাসও কারন ছিল।

আমার বোন ক্রমে আমার মায়েরই young version হয়ে উঠছিল। ১২ বছর বয়সেই ওর কচি শরীর ১৪ বছর বয়সী তিন জন ছেলে যেভাবে খুশি যতক্ষন ধরে খুশি ভোগ করত। একজন বোনের মুখের  ভিতরে পেনিস পুশ করছে তো আরেক জন আমার মুখের উপরে জুতো পরা পায়ে দাঁড়িয়ে আমার বোনের যোনিতে লিঙ্গ চালনা করছে! সে এক দুর্দান্ত দৃশ্য। প্রভুদের খুশি করার ব্যাপারে আমার চেয়ে বোনের ইচ্ছা কিছু কম ছিল না। তবে আমার মাঝে মাঝে একটু ঈর্ষা হত যে পা টিপে আর লাথি খেয়ে আমি কোনদিন প্রভুদের ততটা সুখী করতে পারব না আমার বোন ওর শরীর ভোগ করতে দিয়ে প্রভুদের যতটা করতে পারবে।

কিছুদিন পর প্রভু অভিজিতেরা আমাদের বাড়িতেই ভাড়া আসায় আরো সুবিধা হয়ে যায়। প্রভু অভিজিত রোজ রাতে আমার বোনের সাথে এক খাটে শুত আর  সারারাত যেমন খুশি ভোগ করত আমার বোনের নরম দেহ। আমার মুখে লাথি বা পিঠে বেল্টের ঘা  মারত বোর ফিল করলে।  তারপর আবার দেহ ভোগ করা শুরু করত। সারারাত আমার বোনের যোনিতে লিংগ গেঁথে রাখত প্রভু অভিজিত। আমি ঘরের মেঝেতে শুয়ে দেখতাম। প্রভু হুকুম করলে তার পা টিপে দিতাম ভক্তিভরে। প্রভুর কখনো পেচ্ছাপ পেলে আমার বোনের যোনি থেকে লিঙ্গ বার করে আমার মুখের ভিতরে পেচ্ছাপ করে দিত। তারপর আমার বোনের মুখের ভিতরে কিছুক্ষন লিঙ্গ চালনা করে আবার ওর যোনিতে লিঙ্গ ঢুকিয়ে ঠাপাত ইচ্ছামত। বাকি দুই প্রভুও প্রায়ই অভিজিতের বাড়ি আসার কথা বলে সারারাত ওর সাথে মিলে আমার বোনের দেহ ভোগ আর আমার উপরে টর্চার করত। অভিজিতের কাকু আর বাবাও অন্যদিকে আমার মায়ের দেহ যেমন খুশি ভোগ করত। ইচ্ছা হলে তারাও আমার বোনের কচি দেহে হাত বোলাত। অভিজিতের মা জানিত, কিন্তু কিছু মনে করত না।  আর হ্যাঁ, প্রভুরা দয়া করে আমাদের বাড়িতে ভাড়া এসেছে বলে মা উলটে ওদেরই বাড়ি ভাড়ার টাকা দিত!

কিন্তু এই সুখ একদিন শেষ হয়ে যায়। ক্লাস ১১ এর শেষদিকে প্রভুদের মারে আমি অজ্ঞান হয়ে নাকের হাড় ভেঙে হাসপাতালে  ভর্তি হই। মুখে প্রভুদের বুট পরা পায়ের লাথি খেয়ে আমার নাকের হাড় ভেঙে গিয়েছিল। বাবা সেই ঘটনার পরে আমাদের বাড়ির সবাইকে চেপে ধরে সত্যি বার করার জন্য। মায়ের অবৈধ সম্পর্ক আন্দাজ করে আগে থেকেই তার সাথে বাবার দূরত্ব তৈরি হয়েছিল। এরপরে বাবা লুকিয়ে আরও বেশি নজর রাখতে শুরু করে।
বোনকে বিনা কন্ডোমে যেমন খুশি ভোগ করত ৩ প্রভু। বোন পিল খেত প্রেগ্নেন্সি আটকাতে। কিন্তু এর এক বছর পরে কোন ভুলের কারনে বোন প্রেগ্নেন্ট হয়ে যায়। লোকাল হাসপাতালে আমি আর মা গিয়ে ওর abortion করে আসি। কিন্তু বাবা কোনভাবে এই খবর জেনে যায় আর সাথে ভিশন রেগেও যায়।

বাবা এটাও পরে কিছুটা জেনেছিল  যে স্কুলে আমার ক্লেপ্টোমানিয়া ধরা পরার পরে আমাকে কি শাস্তি দিত। অথচ আমি চুরির রোগের কথা মেনে নেওয়ায় কিছু বলতেও পারছিল না মাকে।   সব মিলিয়ে বাবা অলরেডি খিব বিতশ্রদ্ধ ছিল আমাদের প্রতি। এবার বাবার ধৈর্য শেষ হয়ে যায়। নিজে পাত্র ঠিক করে ১৬ বছরে পরতেই বোনের বিয়ে দিয়ে দেয় জোর করে আর মাকে ডিভোর্স। আর আমাকে বাইরের রাজ্যে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে পাঠিয়ে দেয়। এরপরে প্রভুদের সাথে আমার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এমনকি বোন আর  মায়ের সাথেও।  তারা কোথায় আছে বাবা কিছুতেই আমাকে বলেনি। এ কারনে বাবাকে আমি কোনদিন ক্ষমা করতে পারব না।

আমার মনে হয় পরকীয়া বা টর্চারকে মানুষ অনেক বেশি নেগেটিভলি দেখে। যেমন বাবা যদি মেনে নিত যে মায়ের শরীর আরো তিন জন পুরুষ ভোগ করে এতে কি সমস্যা সত্যি আমি বুঝি না। মা ওই তিন জন পুরুষকে পৃথিবীর বুকে স্বর্গ সুখ দিত, এটা কি অপরাধ? আমার বোনও ঠিক একই সুখ দিত আমার তিন প্রভুকে। এর জন্য তাকে ইচ্ছার বিরুদ্ধে ১৬ বছর বয়সে বিয়ে দিয়ে দেওয়া হবে যাতে সে শুধু স্বামী সঙ্গ করে! কেন?

ঠিক তেমনই প্রভুরা আমার সাথে যেটা করত সেটাও কোন অপরাধ নয়। বরং পরকীয়া যৌনতার মত সেটাও এনকারেজ করা উচিত বলেই আমার মনে হয়। আমার মত social rank e low  পুরুষেরা কোনদিনই প্রভুদের মত মেয়েদের হৃদয়ে স্থান পাবে না। আমার মনে হয় Top 5 % পুরুষকে যেমন খুশি যেকোন  মেয়েদের দেহ ভোগ করতে দেওয়া আর bottom 10-20% পুরুষের উপরে যেকোন টর্চার করতে দেওয়ার আইন হওয়া উচিত। প্রকাশ্যে এরকম সুপিরিয়ার কারও ওইভাবে কম বয়সে সেবা করতে যে কি ভাল লাগে তা আমার মত খুব কম জনই জানে। মনে হয়, ওরা ভগবান। আমাদের মত নিচের ১০-২০% পুরুষকে নিয়ে কোন নারী কখনোই সুখে থাকবে না। আর এই সত্যিটা যেদিন এরা বুঝতে পারে সেদিন যে যন্ত্রনাটা হয় সেটা হল রিয়াল টর্চার। আর কম বয়সেই যদি এদের টপ ৫% পুরুষের স্লেভ বলে ঘোশনা করে দেওয়া হয় তাহলে যেটা হয় তা এর বিপরীত। প্রভুদের ভগবান ভেবে সেবা করে আর তাদের নারীদেহ ভোগ করতে দেখে এরা যন্ত্রনার পরিবর্তে অনাবিল আনন্দ পেতে পারে।

আমি পরে স্বাভাবিক জীবন কাটাতে চেয়েছিলাম বাবার কথামত। কিন্তু লাভ বলতে বউয়ের কাছে লুজার ইত্যাদি উপাধি পেয়ে শেষে ডিভোর্স। অথচ,  বাবা জোর করে বিভেদ তৈরি না করলে আমি বোনের মতই আমার বউকেও প্রভুদের ৩ জনের ভোগের জন্য তুলে দিতে পারতাম। আমার বউও আমার প্রভুদের মত ৩ জন ফর্শা সুন্দর চেহারার পুরুষের কাছে নিজের যৌবন সমর্পন করে তীব্র সুখ পেতে পারত।

আমার মতে Top 5% male যেকোন মেয়ের দেহ ভোগ করতে পারবে যখন ইচ্ছা এটাই আইন হওয়া উচিত। এদের হাতে দেহ সমর্পন করতে পারলে যেকোন মেয়েই তীব্র সুখ পাবে। মাঝের ৭০-৭৫ % পুরুষ একটা করে বিয়ে করে সাধারন জীবন যাপন করবে । তবে প্রভুরা চাইলেই তাদের মা- বউ-বোন-মেয়ের দেহ যেমক্ন খুশি ভোগ করতে পারবে। আর আমার মত  তলার ২০-২৫% ছেলের কোন অধিকার থাকা উচিত না।  তারা সারা জীবন দেহ সুখ থেকে  বঞ্চিত থাকবে কারন তাদের কুশ্রী চেহারা নিয়ে কোন নারীকে তারা স্পর্ষ করলেই নারীদের যন্ত্রনা হবে। আর সাথে তাদের মানুষ নয়, top 5% ছেলেদের private property হিসাবে গন্য করা উচিত। প্রভুরা ইচ্ছা হলেই এদের মুখে লাথি মারতে মারতে এদের মেরেও ফেলতে পারবে। সত্যি, দৈহিক ভাবেও সেটা এমন কিছু যন্ত্রনার না। কুশ্রী চেহারা আর অন্তর্মুখী স্বভাব  নিয়ে বিয়ে করলে আমার মত যখন বউয়ের মুখে অপমান সহ্য করে ডিভোর্স হয়ে সব শেষ হয়ে যাবে, সেটা অনেক বেশি যন্ত্রনার। স্কুলে বাচ্চা বয়সে যখন ক্লাস মনিটরদের চড় বা লাথি খেতাম সেটায় শুধু  একটু শারিরীক যন্ত্রনা ছিল মাত্র। কিন্তু সেই সাথে ছিল তাদের জুতোর তলায় নিজেকে সমর্পন করে তাদের সেবা করে জীবন কাটানোর স্বপ্ন। যেই স্বপ্ন আমার জীবনে ১৭-১৮ বছর অবধী সত্যি ছিল।  তাই আমার অনুরোধ, কম বয়সী  কোন সুন্দর চেহারার ছেলে বা মেয়ে কোন কুশ্রী চেহারার কাউকে চেহারা নিয়ে বিশ্রী অপমান করলে বা মারলে তাতে বাধা দেবেন না। বরং উতসাহ দিন।

Comments

Popular posts from this blog

কালু, তার মা-বোন আর ৩ প্রভু

লুজারের জীবন দর্শন ৫.....

mini stories 3 & 4