বিভু ৩...
বিভু ৩... ( প্রভু বিভুকে নিয়ে লেখা আমার ৩য় গল্প)..
আমার অদ্ভুত পরিবার আর মিলি, জুলি, বিভুর গল্প আগেও লিখেছি। আমাদের পরিবারের ব্যবসা হঠাত ফুলে ফেঁপে উঠে বেশ পয়সা হয়েছিল। ফলে আমার কাকু তার চেয়ে অনেক ছোট ফর্শা অনু কাকিমাকে বিয়ে করে আনে। আমাদের পরিবারের বাকি সবাই ছিল কালো। অনু কাকিমা মা, ঠাকুমাকেও গায়ের রঙ তুলে খোঁটা দিত। কিন্তু তারা সেটাকে খুব স্বাভাবিক ভাবত। ফর্শা অনু কাকিমা আমাদের বাড়িতে বিয়ে করে আসায় সবাই নিজেদের ধন্য মনে করত।
কাকিমা বাড়ির কোন কাজ করত না। আমার মা, ঠাকুমা সহ বাড়ির সব পুরুষদের সে রীতিমত হুকুম করত। সেটাও সবাই স্বাভাবিক চোখে দেখত। এমনকি কাকিমা নিজের দাদা সহ অন্য কয়েক জনের সাথে যৌন সম্পর্ক করলেও তাই নিয়েও কারও কোন আপত্তি ছিল না!
কাকিমার চেয়ে তার দাদা প্রায় ৩ বছরের বড়। ছোট থেকেই তারা দুজন একসাথে এক খাটে শুত। তার দাদা তাকে জড়িয়ে ধরে তার শরীর যেমন ইচ্ছা চটকাত। লিপ কিস করত, পেনিস চোষাত। কাকিমা ৭-৮ বছর বয়স থেকেই নিজের দাদাকে ব্লো জব দিত।
কাকিমার বয়স যখন ১২ তখন থেকে ওর দাদা রেগুলার ওর যোনিতে পেনিস ঢুকিয়ে সেক্স করা শুরু করে। সারা রাত ছোট বোনের দেহ ভোগ করত সে, কাকিমার যোনিতে শিশ্ন ঢুকিয়ে রেখে দিত।
কাকিমার বিয়ে হয় ১৭ বছর বয়সে। কাকিমা শুরুতে একদম রাজি ছিল না। কিন্তু পরে বুঝতে পারে এখানে বিয়ে হয়ে তার কত লাভ হয়েছে। তার দাদা তাকে বাড়ির সবার সামনেই দিব্বি ভোগ করতে পারত। কারও কোন আপত্তি ছিল না। বরং তার দাদা সারারাত তার দেহ ভোগ করার পরে সকালে আমার মা ঠাকুমা তাদের জন্য স্পেশাল খাবার বানিয়ে আনত। কাকিমা আর দাদা ওদের গালে থাপ্পর মেরে সেই খাবার খেত। আর আমার বাবা আর কাকু ওদের পা টিপে দিত ক্লান্তি দূর করার জন্য!
মুশকিল হল কাকিমার বউদি খুব সুন্দরী হলেও এসব পছন্দ করত না। তাই তার সামনে এসব সিক্রেট কেউ ওপেন করেনি। শুধু কাকিমার দাদা প্রতি সপ্তাহে দিনে ২ বার করে এসে কাকিমাকে ভোগ করত। আর প্রতি সপ্তাহে একরাত করে এসে থেকে নিজের ছোট বোনের দেহ ভোগ করত চিরকাল।
বিভু ছিল কাকিমার দাদা বৌদির একমাত্র ছেলে। সে ছোট থেকেই এসে নিজের দুই কাজিন বোন মিলি আর জুলিকে যেমন ইচ্ছা ভোগ করত। আর আমাকে সম্পুর্ন ক্রীতদাসের মত ব্যবহার করত। যত ইচ্ছা মারত সবার সামনে।
বিভুর থেকে আমি ১১ বছরের বড়, আর মিলি ও জুলি বিভুর থেকে ২ ও ৪ বছরের ছোট। তবু ও সবার সামনেই মিলি ও জুলিকে ভোগ করত আর আমাকে মারত। এমনকি আমার বাবা কাকা, মা, ঠাম্মাকেও ইচ্ছা হলে মারত। কেউ কিছুই বলত না ওকে। আমাদের বাড়িতে ওর সম্মান ছিল ভগবানের মত।
বিভুর মা আমাদের মারার বিষয়টাকে তেমন গুরুত্ব না দিলেও অবৈধ বা ফ্রি সেক্সের ব্যাপারে তেমন খোলা মেলা ছিল না সম্ভবত। তাই ওর মা না থাকলে বাকি সবার সামনেই ও নিজের দুই কাজিন বোনকে ইচ্ছা মত ভোগ করত।
সেদিনটা ছিল এক শুক্রবার রাত। পরের দিন জুলির ১১ তম জন্মদিন ছিল। সেই উপলক্ষ্যে পার্টির জন্য সবাই ওয়েট করছিল বাড়ির বড় ড্রয়িং রুমে। তখন রাত ১১ টা বাজে। বড় টেবিলে কেক রেডি। এসি ঘরে বিশাল সাইজের টিভি চলছে। নরম গদি মোড়া চেয়ারে বসে আছে ফর্শা সুন্দরী অনু কাকিমা, আমার কালো মায়ের মুখের উপরে চটি পরা পা রেখে। সারা সন্ধ্যা কাকিমা নিজের দাদার সাথে সেক্স করে ক্লান্ত। তাই আমার মা ভক্তিভরে তার পা টিপে দিচ্ছে। দাদা বাড়ি ফিরে যাওয়ায় রাতে তাকে পাশে পাবে না বলে কাকিমার মেজাজ একটু খারাপ। তাই সে মাঝে মাঝেই চটি পরা পায়ে লাথি মারছে আমার মায়ের মুখে।
মিলি সোফায় বসে আছে ওর আর আমার ঠাকুমার মুখের উপরে চটি পরা পা রেখে। আজ দুপুরে বিভু ওকে খুব ভাল মত ভোগ করেছে। এমনকি ফেরার আগে ওর মামাও ওকে কোলে বসিয়ে খুব আদর করেছে। তাই ও বেশ খুশি আছে। নিজের চটির তলা ও খুশি মনে নিজের ঠাম্মার মুখের উপরে ঘসে খেলছে।
সাড়ে ১২ বছর বয়সী মিলির পাশেই বসে আছে ওর কাজিন দাদা সাড়ে ১৪ বছরের বিভু। বিভুর লাল চটি পরা পা দুটো রাখা আমার মুখের উপরে। আমি ভগবানের মত ভক্তি করে পা টিপে চলেছি বিভুর। বিভুর কোলে বসে আছে বার্থ ডে গার্ল জুলি। বিভু দুই হাত দিয়ে জুলির সারা শরীরে হাত বোলাচ্ছে বিশাল টিভিতে চলা ইরোটিক পর্ন দেখতে দেখতে। মাঝে মাঝেই ওর হাত জুলির শরীর থেকে চলে যাচ্ছে মিলির শরীরে। দুই বোনের শরীর পালা করে ভোগ করতে করতে পর্ন দেখছে আর যখন ইচ্ছা চটি পরা পায়ে আমার মুখে লাথি মারছে।
বিভু হঠাত চটি পরা ডান পায়ে আমার নাকের উপরে বেশ জোরে একটা লাথি মেরে বলল "আমার চটির তলা চেটে সাফ কর কুত্তা।" তারপর আমার মাথায় মাথা ঠেকিয়ে শুয়ে মিলির পা টিপতে থাকা আমার ঠাকুমার মাথায় লাথি মেরে বলল " তুইও মিলির চটি চাট কুত্তি।"
আমি সাথে সাথে জিভ বার করে আমার আরাধ্য দেবতা ফরশা পরম সুন্দর চেহারার ভগবান বিভুর পায়ে পরা লাল চটির তলা ভীষণ ভক্তি নিয়ে চাটতে লাগলাম। ওর চটির তলা থেকে সব পবিত্র ধুলো বালি ময়লা আমার জিভ হয়ে মুখে ঢুকতে লাগল। আর আমি পরম ভক্তিতে গিলে খেতে লাগলাম আমার প্রভুর চটির তলার ময়লা, ঠিক যতটা ভক্তি নিয়ে আজ সকালে ওরা আসার পরে ওর পায়ে পরে থাকা স্নিকারের উপর আর তলা জিভ দিয়ে পালিশ করেছিলাম, ততটাই ভক্তি নিয়ে। আমার কালো ঠাকুমাও নিজের আপন ফর্শা নাতনী মিলির চটির তলা চাটতে লাগল। আবার আমার মাও দেখি একই রকম ভক্তি নিয়ে নিজের জা অনু কাকিমার চটির তলা চাটছে।
কাকিমা চটির তলা চাটাতে চাটাতে মায়ের মুখে লাথি মেরে বলল " তোরা কে কে বিভু আর জুলির জন্য কি কি গিফট এনেছিস বল।"
জন্মদিন জুলির হলেও আমাদের বাড়ির নিয়ম হল অন্য কাউকে কিছু গিফট দিতে হলেও তার চেয়ে দামী একটা গিফট বিভুকে দিতে হবে। বিভু এই বাড়ির সরাসরি সদস্য নাহলেও এই বাড়ির সবচেয়ে বড় আরাধ্য দেবতা। তাই ওর এটা প্রাপ্য।
সবাই একে একে নিজেদের আনা গিফট বলতে লাগল। আর বিভু জুলির শরীর ভোগ করতে করতে শুনতে লাগল সেটা।
সবাই বহু দামী দামী গিফট এনেছে। সবার বলা হলে কাকিমা আমাকে বলতে বলল। আমি বললাম আমি জুলির জন্য লেটেস্ট আই ফোন এনেছি। যেটা মিলিকে ওর আগের বার্থ ডে তে গিফট করেছিলাম সেটাই।
বিভু জুলিকে লিপ কিস করা থামিয়ে আমার মুখে লাথি মেরে বলল, " আমার অলরেডি ২ টো আইফোন আছে। আমার জন্য এসব আনিস নি তো?"
আমি প্রভু বিভুর দুই চটির তলায় একবার করে গাঢ় চুম্বন করে বললাম " না প্রভু।"
প্রভু আবার আমার মুখে লাথি মেরে বলল " আমার জন্য কি এনেছিস তাহলে কুত্তা?"
আমি আবার প্রভুর চটির তলায় চুম্বন করে বললাম " কিছুই আনিনি প্রভু। আসলে আমি ভাবছিলাম যে.. "
আমাকে পুরোটা বলতে দিল না প্রভু। তার আগেই রেগে গিয়ে আমার মুখের উপরে ভীষণ জোরে লাথি মেরে বলল " তোর সাহস তো কম না? কোন গিফট না এনে তুই ভগবানের মুখোমুখি বসে আছিস? আমার গিফটের ব্যাবস্থা আমিই করব। আজ লাথি আর চাবুক মেরে তোকে মেরে ফেলব। তারপর তোর পিঠের চামড়া দিয়ে কাল নতুন বুট বানিয়ে পায়ে পরব। এই টেকো শুয়োর ( আমার বাবাকে প্রভু বিভু এই নামে ডাকে) , আমার চাবুকটা নিয়ে আয়। "
আমার বাবা গিয়ে পাশের ঘর থেকে চামড়ার চাবুকটা এনে আমাদের প্রভু বিভুকে দিল তার পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করে।
বিভু জুলিকে কোল থেকে নামিয়ে উঠে দাঁড়াল। আমার মুখের উপরে ওর চটি পরা ডান পা রেখে বলল " ইচ্ছা করছে চাবকে তোর পিঠের ছাল তুলে নিই। কিন্তু তোর পিঠের ছাল দিয়ে কাল আমি বুট বানাব। তাই আমি আজ শুধু তোর বুকে চাবুক মারব।"
এই বলে প্রভু চটি পরা ডান পা আমার মুখের উপরে রেখে একের পর এক ঘা দিতে লাগল আমার বুকে আর পেটে। যন্ত্রনায় আমার শরীর কেঁপে উঠতে লাগল। আমি সেই অবস্থাতেও প্রতিটা আঘাতের পরে প্রভুর চটির তলায় গাঢ় চুম্বন এঁকে দিতে ভুলছিলাম না।
প্রভু আমার বুকে চাবকানোর সাথে সাথে আমার মুখে চটি পরা দুই পায়ে গায়ের জোরে লাথি মারছিল। প্রভু ঠিকই করে ফেলেছিল আমাকে মেরে ফেলবে। লাথি মারতে মারতে প্রভু আমার বাবাকে বলল " তোর পরিচিত কোন ডাক্তারকে ঘুষ দিয়ে কাল কুত্তার ডেথ সার্টিফিকেটের ব্যবস্থা করিস। যাতে ওকে মেরে ওর চামড়া দিয়ে বুট বানিয়ে পরলে পুলিশ ঝামেলা না করে। "
" সে আমি করব প্রভু।" আমার বাবা হাত জোর করে বলল।
আমার মুখের উপরে অন্তত ১০০ টা লাথি মারল প্রভু বিভু। সাথে ১০০ ঘা চাবুক বুকে আর পেটে। আমি জানি কারো উপরে খুব বেশি অত্যাচার করলে প্রভু বিভুর সেক্স উঠে যায় খুব। তাই এই অবস্থায় আমার মুখে লাথি মেরে প্রভু বিভু আমাকে আধমরা করে দিয়ে আমাকে অর্ডার দিল উঠে খাটের পাশে মেঝেতে শুতে।
তারপর মিলি আর জুলিকে নিয়ে ও খাটে শোয়াল। আমার মুখের উপরে চটি পরা পায়ে দাঁড়িয়ে ও খাটের ধারে শুয়ে থাকা মিলির যোনিতে নিজের শিশ্ন প্রবেশ করিয়ে দিল। প্রানভরে নিজের কাজিন বোনকে তার বাড়ির সবার চোখের সামনে ভোগ করতে লাগল প্রভু বিভু।
প্রভুর একটা চটি পরা পা আমার নাক আর ঠোঁটের উপরে। আর চটি পরা অন্য পা টা আমার গলার উপরে রেখে প্রভু নিজের কাজিন বোন মিলিকে ভোগ করছে। আমি একটু অক্সিজেনের অভাবে ছটফট করছি। তবু সেই অবস্থাতেও দুই হাত বাড়িয়ে প্রভুর পা টিপে তার সেবা করার প্রানপন চেষ্টা করে চলেছি। প্রভু আমাকে আজকেই মেরে ফেলতে চায়। সেই অধিকার প্রভুর অবশ্যই আছে। প্রভুর চটি পরা পায়ের লাথি খেয়ে মরতে পারলে আমার জীবন ধন্য হয়ে যাবে। কিন্তু তার চেয়ে অনেক জরুরি প্রভু যাতে রেগুলার তার দুই কাজিন বোনকে যৌনভাবে ভোগ করতে পারে তার ব্যাবস্থা করা। এই বয়সে রোজ সারারাত দুই বোনের দেহ নিয়ে ফুর্তি করতে পারলে প্রভু কতই না আনন্দ পাবে! আমাকে প্রভু আশা করি সেই ব্যাবস্থা করার সুযোগ দেবে!
প্রভু প্রায় ২০ মিনিট এইভাবে মিলির যোনি ভোগ করল। তারপর মিলির যোনি থেকে লিঙ্গ বের করে দুই বোনকে ব্লো জব দিতে বলল। দুই বোন পালা করে তাদের আদরের দাদাকে ব্লো জব দিয়ে খুশি করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে লাগল। তারপর ঘড়িতে ১২ টার ঘন্টা পরতেই প্রভু বলল " এবার জুলিকে আমার বার্থ ডে গিফট দেওয়ার পালা। বল বোন, তুই কি চাস?"
জুলি হাত জোর করে বলল, " প্লিজ দাদা, আমার ভার্জিনিটি নিয়ে নে তুই। আর কিচ্ছু আমি চাই না। প্লিজ!"
বিভু মুচকি হেসে বলল, " আমার সোনা বোনের অনুরোধ আমি না রেখে পারি?" এই বলে বিভু সদ্য ১১ বছরে পরা জুলির কচি যোনিতে নিজের শিশ্ন ঢুকিয়ে দিল। আমার মুখের উপরে দাঁড়িয়ে টানা আরো ২০ মিনিট লিঙ্গ চালিয়ে ও জুলির কুমারী যোনিতে বীর্য ঢেলে দিল। আর আমিও বহুক্ষন ঠিক ভাবে নি:শ্বাস নিতে না পেরে আমার মুখের উপরে চটি পরা পায়ে দাঁড়িয়ে থাকা প্রভু বিভুর পা টিপতে টিপতেই অজ্ঞান হয়ে গেলাম।
জ্ঞান ফিরল মুখের উপরে হালকা গরম কোন তরল পদার্থ পরায়। চোখ খুলে দেখি সবার চোখের সামনে আমার মুখের উপরে প্রস্রাব করছে প্রভু বিভু। আমাকে চোখ খুলতে দেখে আমার মুখের উপরে লাথি মেরে প্রভু বলল, " আমার পেচ্ছাপ চেটে চেটে ঘরের মেঝে পরিস্কার কর আগে। তারপর তোকে লাথি মারতে মারতে মেরে ফেলব আমি। বেশি সময় নেই কুত্তা। ১ ঘন্টার মধ্যে তোর লাশ ফেলে দুই বোনকে ভোগ করতে বিছানায় যাব। তাই তাড়াতাড়ি কর।" এই বলে প্রভু আবার আমার মুখে লাথি মারল।
আমি জিভ দিয়ে মেঝে চেটে প্রভুর পেচ্ছাপ সাফ করতে লাগলাম। তখন অনু কাকিমা ওর মেয়ে জুলিকে জিজ্ঞাসা করল প্রথম সেক্স করে কেমন লাগল?"
" amazing মা " বলে খুব উতসাহী হয়ে জুলি রিভিউ দিল। এরপরে অনু কাকিমা বলল, " বিভু তুই চাইলে অবশ্যই লাথি মারতে মারতে কুত্তাটাকে মেরে ফেলতে পারিস। সে অধিকার তোর আছে। ও তোর স্লেভ, তোর প্রপার্টি। কিন্তু আমার মনে হয় ও তোকে অনেক বড় কিছু দিতে মন স্থির করেছে বলেই কিছু আনেনি। একবার শুনে দেখলে ভাল করবি।"
বিভু তাই শুনে আমার মুখে লাথি মেরে বলল, " কি রে কুত্তা? পিসি যা বলছে ঠিক হলে বলতে পারিস।"
আমার পেচ্ছাপ চাটা শেষ হয়ে গিয়েছিল। আমি বললাম " হ্যাঁ প্রভু। আসলে তুমি তো ভগবান। পৃথিবীর যত সুখ সব তোমার জুতোর তলায় বিছিয়ে দেওয়া উচিত। আর এই বয়সে সবচেয়ে বেশি সুখ হয় মেয়েদের দেহ ভোগে। তাই প্রতি রাতে তোমার বিছানায় একাধিক মেয়ে নিয়ে শুতে পারা উচিত। কিন্তু বাড়িতে তুমি সেই সুযোগ পাও না। তাই আমি ভাবছিলাম তোমার বাবা আর মাকে বলে বুঝিয়ে সেই ব্যাবস্থা করব। যাতে তুমি এখানে থেকে রোজ রাতে মিলি আর জুলিকে যত ইচ্ছা ভোগ করতে পার। আর আমাদের এত গুলো স্লেভকেও টর্চার করে আনন্দ পাও।"
এই কথা শুনে বিভু একটু ভাবল। তারপর বলল, " সে তো বুঝলাম। কিন্তু আমার স্কুল এখান থেকে প্রায় ৭-৮ কিমি দূর হবে। সপ্তাহে ৩-৪ দিন স্কুলে যাই, সেটার কি হবে?"
আমি বললাম " সেটাই আমার গিফট হবে প্রভু। তোমাকে একটা দামী গাড়ি গিফট করতে চাই। তোমার কি মডেল ভাল লাগে জেনে নিয়েই আমি বুকিং করে দেব প্রভু। আর আমিই হবে তোমার ড্রাইভার কাম স্লেভ।"
" বিভু হেসে বলল, " তোর আমার প্রতি ভক্তি সত্যি অসাধারন। নিজে এই ২৫ বছর বয়সেও ভার্জিন, অথচ ১৪ বছরের আমি যাতে রোজ রাতে মেয়েদের দেহ ভোগ করতে পারি তার জন্য কত কি করছিস তুই!"
আমি প্রভুর পায়ে মাথা ঠেকিয়ে বললাম, " কারন তুমি প্রভু, আমি দাস। তুমি ভগবান, আমি ভক্ত। তোমার সুখেই আমার সুখ প্রভু। "
অনু কাকিমা বলল , " এই জন্যই তোকে শুনতে বলছিলাম বিভু। তুই ওর কাছে সত্যিই ভগবান। আর সত্যিই আমাদেরও এটা ভাবা উচিত ছিল। এই বয়সে তোর রোজ রাতেই মেয়েদের ভোগ করতে পাওয়া উচিত। নে, এখন থেকে রোজ রাতে ২ বোনের দেহ যত খুশি ভোগ কর। দুই বোনের দেহই এখন রেডি ফর ফুল সেক্স। ওদের বাবা মেডিসিন শপ থেকে রেগুলার পিল এনে খাওয়াবে ওদের। তোর যত ইচ্ছা যেমন ইচ্ছা ভোগ করিস ওদের। "
বিভু হেসে বলল, " সত্যি দারুন হল। আর সেক্স করলে তো মিলি জুলিও দারুন প্লেজার পাবে। যেমন আমার বাবা করলে তুমি পেতে পিসি। আর এই দারুন উদ্যোগ নেওয়ার জন্য কুত্তাকে আমি একদিন পাবলিকলি হিউমিলিয়েট করে ওকে দিয়ে জুতো চাটাব।"
আমি প্রভুর প্রস্তাবে প্রভুর পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করলাম। প্রভু ততক্ষনে মিলিকে কোলে বসিয়ে তার ব্রেস্ট টিপছে নিজের পেনিস ওর যোনিতে ঢুকিয়ে। আর সদ্য জীবনে প্রথম সেক্স করে ওঠা জুলি নিজের বাবার মুখের উপরে চটি পরা পা রেখে বসে বাবাকে দিয়ে নিজের পা টেপাচ্ছে! আর জুলির বাবা নিজের মুখের উপরে রাখা নিজের মেয়ের চটি পরা পা দুটো ভক্তিভরে টিপতে টিপতে তার চটির তলা চাটছে!
আমি উঠে মুখ ধুতে গেলাম। আমার বাবা আর ঠাকুমা প্রভু বিভুর পায়ের কাছে শুতে প্রভু নিজের চটি পরা একটা করে পা আমার বাবা আর ঠাম্মার মুখের উপরে তুলে দিল। মিলির যোনি শিশ্ন দিয়ে ভোগ করতে করতে আমার বাবা আর ঠাম্মার মুখে লাথি মারতে লাগল প্রভু বিভু।
আমি ফিরে এসে প্রভুর আদেশে ওদের বেড রেডি করলাম। প্রভু তার দুই বোনকে নিয়ে খাটে শুয়ে তাদের দেহ ভোগ করতে লাগল। আমি প্রভুর খাটের নিচে শুয়ে দাসের মত অপেক্ষা করতে লাগলাম প্রভু কোন আদেশ দিলে সাথে সাথে পালন করব বলে।
Comments
Post a Comment