কাকোল্ডের জীবন দর্শন...

 আমি আর বেশি  গল্প লিখছি না। লিখলেও ফেমডমের চেয়ে বিডিএসএম আর কাকোল্ড বেশি লিখি। আমার আগের অর্ধেক লেখা গল্প গুলো অসমাপ্ত অবস্থা পরে আছে।

অনেকেই আমাকে ইনবক্সে বা কমেন্টে বলেন লিখতে। কিন্তু জীবনের ব্যস্ততার কারনে লেখা হয়ে ওঠে না। আজ আমি আমার অদ্ভুত জীবনের কথা শেয়ার করতে যাচ্ছি। যেটাতে কিছুটা ফেমডম থাকলেও পুরোটা নয়। বরং আমাকে এখন কাকোল্ড পুরুষই বলা যায়। যাদের ইচ্ছা পড়ে দেখুন।

আমার জন্ম মেদিনীপুর জেলার গ্রামে। আমি গ্রামে থাকতাম মায়ের সাথে। বাবা কাকু ও ঠাকুরদার সাথে ব্যাবসা করত তখন। ঠাকুরদার মৃত্যুর পরে বাবা গ্রামে ফিরে আসে। কাকু কাকিমা ও তাদের মেয়ে রিচা থেকে যায়।

কাকিমা তখন থেকেই সচেষ্ট পারিবারিক ব্যবসার সম্পত্তি থেকে আমাদের বঞ্চিত করতে। আমাকে খুব খারাপ ভাবে ট্রিট করত সেই কারনে। আমার চেয়ে চার বছরের ছোট বোন রিচাও মায়ের দেখে তাই করত। আমাকে এবিউজ করে মজা পেত। আমার নিজেকে খুব ছোট মনে হত। ক্রমে নিজেকে লুজার ভেবে আনন্দ পাওয়া শুরু করি। বাড়ির কাজ ( বাজার থেকে ঘর পরিস্কার)   করা থেকে রিচা বা কাকিমার কাপড় কাচা, জুতো পালিশ করে দেওয়া থেকে পা টিপে দেওয়া সবই করতাম। রিচা আমার গায়ে হাতও তুলত। কাকিমা উলটে ওকে উতসাহ দিয়ে বলত আমি এরই যোগ্য। রিচা চড়ই মারুক আর লাথি আমার খুব ভাল লাগত। ক্রমে ও আমার কল্পনার দুনিয়ার রাজকন্যা বা ভগবান হয়ে যায়।

কিন্তু বাস্তবে কিছুই কল্পনার মত যায় না। কাকিমার দাদার দুই ছেলে মেয়ে ছিল, রাজা আর রাই, যথাক্রমে আমার চেয়ে ২ ও ৫ বছরের ছোট । ওরা আমাকে রিচার দেখাদেখি খুব খারাপ ভাবে ট্রিট করত এলে। রাইয়ের ব্যাবহার আমার ভালই লাগত ফেমডম কল্পনার কারনে। রাজার ব্যাবহার কিছুটা ভাল লাগলেও অনেকটা মানতে পারতাম না। অথচ ও আমাকে রিচার চেয়েও বেশি অপমান করত এলে। প্রতি বছরে ১৫-২০ দিন ওরা এসে থাকত কাকুর বাড়ি। ওরা ৩ ভাই বোন একসাথে আমাকে এবিউজ করে যেত। আমার অনুভুতি হত ভাল ও খারাপ এর মিশ্রন। আমি কাঁদতাম আবার মাস্টারবেট করতাম ওই ভেবে। খারাপ লাগত, আবার খুশিও হতাম।

রাজা ছিল রিচা আর রাইয়ের মতই খুব ফর্শা ও সুন্দর চেহারার। কালো গায়ের রঙ এর জন্য ও আমাকে কালু নাম দিয়েছিল। আমার এই অপমান ভাল লাগত।  আবার লজ্জাও হত।

ক্রমে বুঝতে পারি রাজার সাথে রিচা আর রাইয়ের অন্য রকম সম্পর্ক আছে। আমাকে যথেস্ট পরিমান সাবমিসিভ করে তোলার পরে ওরা আমার উপস্থিতি নিয়ে মাথাও ঘামাত না। আমার সামনেই রাজা রিচা আর রাইকে যৌনভাবে ভোগ করতে শুরু করত।

বাস্তব নিজে নিয়ন্ত্রন করা গেলে আমি তখন রাজাকে বাস্তব থেকে বাদ দিতাম। রিচা আর রাইয়ের প্রতি সাবমিসিভ হয়ে থাকতাম। কিন্তু সাবমিসিভের জীবনের উপর তার কোনই নিয়ন্ত্রন থাকে না। ১৬-১৭ বছর বয়স থেকেই দেখতাম আমার চোখের সামনে রাজা ওর দুই বোনকে ভোগ করছে। আর আমি শুধু তাকিয়ে দেখতে বাধ্য তাই নয়, ওদের ফুর্তি করার পরে ওদের সেবা করার দায়িত্বও নিতে হত। ওদের অর্ডার করা খাবার আনা থেকে পা টিপে দেওয়া সবই করতে হত। ওরা সেক্স করে ক্লান্ত বলে কথা!

এরকম চলত বছরে ১৫-২০ বা ২৫ দিন। যখন রাজা আর রাই আসত। বাকি বছর যদিও আমি মূলত রিচা আর কাকিমার টুকটাক সেবা করা আর রিচার এবিউজ আর মার সহ্য করেই থাকতাম।

এইভাবে দিন যেতে থাকে। আমার কল্পনায় আমি রাজা আর রাইকে বাদ দিয়ে নিজের জীবনকে ভাবতাম তখন,  রিচার স্লেভ হিসাবে।

কিন্তু বড় হতে হতে রিচা আমাকে ডমিনেট করা কমাতে থাকে। আমাকে এবিউজ করাও কমায়। এমনকি ও কাকিমার সাথে ঝগড়াও করে কেন আমার প্রাপ্য ন্যায্য পারিবারিক সম্পত্তি থেকে ওর মা আমাকে বঞ্চিত করতে চাইছে। আমার এসব ভাল লাগত না! কারন আমার এতদিনের কল্পনার জগত ভেঙে পরত এর ফলে যেখানে রিচা স্বার্থপর ও নিষ্ঠুর প্রভু!

যদিও রাজা আর রাইয়ের সাথে সেক্সের রিলেশান ও বন্ধ করেনি। এর মধ্যে ও খারাপ কিছু দেখত না। যদিও ও ডমিনেশান কমানোর পরে আমার চোখের সামনে এসব হলে আমার ভীষণই কষ্ট হত। যদিও এই দিকটা ও কখনো বোঝেনি।

বিটেক পাশ করার পরে ও ব্যাঙ্গালোরে চাকরি নিয়ে চলে যায়। পরে ওখানেই বিয়ে করে। আমিও তখন চাকরি করি। ও চলে যাওয়ার পরে আমিও কাকুর বাড়ি থেকে বেরিয়ে চলে আসি নিজের ফ্লাটে।

এই অবস্থায় হঠাত স্বল্পদিনের পরিচয়ে আমি বিয়ে করে ফেলি সোনাকে। আমার চেয়ে প্রায় ১০ বছরের ছোট ও। সুন্দরী কিন্তু গরীব। এক বন্ধুর পরিচিত ও। ওর বয়ফ্রেন্ড আছে, একাধিক অন্য রিলেশান। কিন্তু পরিবারের আর্থিক অবস্থার জন্য বিয়ে করতেই হত ১৯ বছর বয়সেই। আমি সব মেনে নিয়ে বিয়ে করি। তার আরেক কারন ওর ছোট বোন ডোনা, যে বেশ ডমিনেটিং।

আসলে ডমিনেটেড হওয়াটা আমার কাছে নেশার মত হয়ে গিয়েছিল। ওটা ছাড়া আমি বাঁচতে পারতাম না। কিন্তু আমি যেরকম ফেমডম চাইতাম ঠিক সেরকমে বাস্তবে সোনা বা ডোনার বা অন্য কোন মেয়েরই আকর্ষণ নেই। ওরা চায় আমাদের ব্যাবহার করতে।  সেটাই হল।

আমার মাইনের টাকা ওরা দুই বোন বেশ ওড়াত। দুজনেরই একাধিক সয্যাসঙ্গী ছিল। ১৯ এর সোনা আর ১৬ এর ডোনা দুজনেরই। তাদের কেউ বয়ফ্রেন্ড, কেউ জাস্ট ফ্রেন্ড,  কেউ বেস্ট ফ্রেন্ড! ওদের দুই কাকুর ছেলের সাথেও সেক্স রিলেশান ছিল। কমোন সেক্স পার্টনার! ৪ ভাই বোন একসাথে সেক্স করত। আর আমাকে ওদের জন্য রান্না করতে হত। ওদের জামা কেচে রাখতে হত। জুতো পালিশ করে রাখতে হত। আমি টুকটাক প্রতিবাদ কিছু করলেই ডোনা মারত। ৪ জনই আমাকে এবিউজ করত।  আমি কাঁদতাম। আবার বুঝতাম এ ছাড়া আমার গতি নেই। ডমিনেটেড নাহলে আমি থাকতে পারব না।

ক্রমে আমার মধ্যে কাকোল্ড ফ্যান্টাসি বাড়তে শুরু করে। বাস্তবের সত্যকে আমি এঞ্জয় করতে শিখি ধীরে ধীরে। আমার চোখের সামনে বউ আর শালী পরপুরুষের সাথে সেক্স করত। আর আমি তাই দেখে মহা সুখে মাস্টারবেট করতাম। ওদের সব কাজ করে দিতাম। ওরা আমার টাকা ওড়াত যেমন ইচ্ছা। ফলে সংসার চালাতে আমাকে চাকরির বাইরেও রোজগারের জন্য ঘুরতে হত। ঘুমানোরও যথেস্ট সময় পেতাম না। কষ্ট হত।বুঝতাম কিভাবে ব্যবহৃত হচ্ছি। আবার সেটাই এক তীব্র ভাল লাগা দিত।

ক্রমে নিজের বউয়ের সাথে এক খাটে শোওয়া আমার অতীত হয়ে যায়। আমি স্রেফ চাকরের মত থাকতে লাগি নিজের বাড়িতে। ক্রমে বউয়ের পেটে বাচ্চা আসে। প্রথমে ছেলে, তারপরে মেয়ে। কে ওদের আসল বাবা আমি জানি না। কিন্তু ওদের দেখে আমার মনে হয় যা হচ্ছে ভাল হচ্ছে।

 আমি বাবা হলে ওদের গায়ের রঙ হয়ত আমার মত কালো হত। কিন্তু ওরা হয়েছে সাহেবদের মত ফর্শা!

লোকে দেখে বোঝে যে ওরা আমার বাচ্চা নয়। অনেকে ঘুরিয়ে টিটকিরিও করে। কিন্তু আমি কিছু মনে করি না। বরং অনেক যত্ন নিয়ে ওদের বড় করার চেষ্টা করি। ওদের মা আর মাসি যখন পরপুরুষের সাথে ফুর্তিতে ব্যাস্ত তখন আমিই ওদের কেয়ার নিই।

এটাই আসল ফেমডম কিনা জানি না। তবে আজকালকার বেশিরভাগ মেয়ে এরকমই জীবন চায়। যত ইচ্ছা ফুর্তি, আনলিমিটেড শপিং থেকে সেক্স! পারিবারিক জীবনে প্রায় কোন দায়িত্ব না থাকা। আমার বউ আর শালী আমার কল্যানে এখন সেই জীবন কাটাচ্ছে।

আমার বউদের দুই কাজিন দাদা বেশিরভাগ সময়ে আমার এখানেই থাকে। চোখের সামনে রোজ দেখি ওদের সেক্স। এমন ভাবে বিষয়টাকে নিই এখন যেন এটা খুব স্বাভাবিক। ওদের বাকি সব কাজ করে দিই যাতে ওরা নিশ্চিন্তে সেক্স আর জীবনকে ভোগ করতে পারে। সব দায়িত্ব,  কষ্ট আমার।

 একা থাকলে আমি এই ভেবে মাস্টারবেটও করি। রাজা রিচা আর রাইয়ের সাথে আগে যা করত সেটাও ভাবি। ভাল লাগে শুধু। এমনকি ওদের সবার আমাকে করা সব অপমানও ভাল লাগে।
হয়ত বাস্তবে শুধু ইনোসেন্ট ফেমডম হলেই ভাল হত।

 কিন্তু বাস্তব তো আর আমার কল্পনা মত চলে না। মেয়েরা আমাকে লাথি মারার চেয়ে সুন্দর ছেলের সাথে সেক্স করা বা পার্টি করা প্রেফার করে এটাই সত্যি। আমাদের চড় লাথি মেরে বা এবিউজ করে কন্ট্রোল করে আমাদের টাকায় সেই লাইফ স্টাইল কিনে নেওয়াটাই ওদের টার্গেট। এটা মেনে নেওয়া ছাড়া উপায় নেই। আর আমার এখন এই নিয়ে কোন অভিযোগও নেই। একজন রিয়াল কাকোল্ডের মত আমি এইসবই এখন এঞ্জয় করি।
শুধু মাঝে মাঝে টোটাল কাজ টু মাচ মনে হয়। চাকরি সাথে কিছু ব্যাবসা সামলানো। বাড়ির কাজ। বউ শালী ও তার সঙ্গীদের ফাই ফরমাশ খাটা। ছেলে মেয়ের দেখভাল।

 এসব সামলে ঘুমানোর সময় পাই না। গল্প কখন লিখব? আর গল্প লিখতে বসলেও হয়ত ব্যাকগ্রাউন্ডে ভেসে আসে বউ শালী আর তার কাজিনদের সেক্স করার শব্দ, তাকালে দেখি সেই দৃশ্য। একজন হয়ত ডোনার সাথে সেক্স করছে অন্য জন সোনার থেকে ব্লো জব নিচ্ছে। কখনো ওরা ইচ্ছা মত টিপছে ওদের ব্রেস্ট। ফলে লেখাও আর আগের কল্পনার মত ইনোসেন্ট হতে চায় না।

এত কষ্টের পরেও আমি বলব যা হচ্ছে তাতে আমি খুশি। আমি সাবমিসিভ, আর এরকম জীবন কাটাতে পেরে আমি কৃতজ্ঞ। বর্তমান জীবন নিয়ে আমার কোন আফশোষ নেই।

 বরঙ কম বয়সে রাজার ওর দুই বোনের সাথে সেক্স করা আর আমাকে ডমিনেট করা খুশি মনে পুরো মেনে নিতে না পারা নিয়ে আফশোষ হয়। আর আফশোষ হয় আমার কাজিন বোন রিচার  আমার প্রতি মানবিক হয়ে ওঠা নিয়ে।

ও সেরকম না হয়ে আমার প্রতি নিষ্ঠুর থেকে গেলেই আমার ভাল লাগত। আমার বউ শালী বা তার কাজিনেরা যে আমাকে মানুষের চোখে না দেখে শুধু ইউজ করে যাচ্ছে এই নিয়ে তাই আমার কোন অভিযোগ নেই।

 আমার ভাল লাগে ওদের ওপেন সেক্স দেখতে। সেক্স করার পরে ওদের খাবার সার্ভ করে ওদের পা টিপে সেবা করতে। শুধু প্রশ্ন জাগে আমার ছেলে মেয়ে আরেকটু বড় হয়ে চোখের সামনে এসব দেখলে কি ভাববে?

ওরাও কি ফ্রি সেক্সে জড়িয়ে পরবে এরকম ক্যাজুয়ালি? জড়ালে ভালই হবে হয়ত। আমার মনে এই নিয়ে কোন ট্যাবু নেই। যেমন বিয়ের পরে হাজবেন্ডকেই বউয়ের সাথে সেক্স করতে হবে এরকম ট্যাবুও নেই আমার। অন্যদের সেক্স করতে দেখে আমি নিজে সেক্স করার চেয়েও বেশি প্লেজার পাই একজন সাবমিসিভ রিয়াল কাকোল্ডের মত।

Comments

Popular posts from this blog

কালু, তার মা-বোন আর ৩ প্রভু

লুজারের জীবন দর্শন ৫.....

mini stories 3 & 4