লিজা ও লুজার ৪...
লিজা ও লুজার ৪... ( অল্টারনেট ভার্শান)
( original F/m story from banglafemdoms.blogspot.in)
রান্না বসিয়ে রান্নাঘরেই টুলের উপরে বসে অগোছালো ভাবে নিজের এই ভাল লাগা নিয়ে ভাবতে লাগলাম। জিয়া অতি সুন্দরী বলেই কি তার হাতে অপমানিত হয়ে আমি এত সহজে সারেন্ডার করেছিলাম? বোন সুন্দরী হলেও লিজার মত ডানাকাটা পরি টাইপের নয়। তাই কি বোনের কথায় ওর জুতো পালিশ করতে লজ্জা লাগত? নাকি ও নিজের আপন বোন বলে? নাকি ওর কথায় করলে সেটা বোন আর মা জানবে আর সেটা নিয়ে কি রিএকশান দেবে ও এর পরে কি হবে সেই আশংকায়? অনেক ভেবেও কূল কিনারা করতে পারলাম না।
তবে এটুকু বুঝেছি বোন নিজে এইভাবে এক্সট্রিম ডমিনেট করা শুরুর পর থেকে আমি ওর প্রতিই সবচেয়ে বেশি সাবমিসিভ। এখন আমার নিজে বাছার সুযোগ হলেও জিয়ার বদলে বোন লিজার জুতোই চাটব, ওর সেবাই বেশি করব। আর লিজা হুকুম করলে দুনিয়ার সবচেয়ে অপমানজনক কাজও করতে রাজি আমি। বোন আদেশ করলে ওদের ৩ জনের জুটির ৩ জনেরই পায়ে পরা জুতো আমি জিভ দিয়ে চেটে পালিশ করে দিতে পারি মুখে ওদের লাথি খেয়ে ওদের হাতে অপমানিত হতে হতে। আবার বোন চাইলে ওদের সামনে কনফিডেন্ট পুরুষের মতও আচরন করতে পারি কোন সাবমিসিভ আচরন ছাড়া। আমার সব খুশি কোনভাবে বোনকে খুশি করা ও খুশি দেখার সাথে কানেক্টেড হয়ে গেছে গত চার দিনে।
স্কুলে শতানিকদের হাতে অপমানিত হওয়ার বিষয়টাও জটিল। হ্যাঁ, ওরা ছেলে। ওদের হাতে পাবলিকলি ডমিনেটেড হতে আমার কিছুটা লজ্জাও লাগে। আবার বেশ ভালও লাগে অস্বীকার করতে পারি না। যতই ওরা ছেলে হোক, আমার দৃষ্টিতে ছেলেদের মধ্যে ওদের স্থান সবার উপরে। তাই লিজা বা জিয়ার মত সুন্দরী মেয়েরা ওদের বন্ধুত্ব ভীষণভাবে crave করে। যে ফিজিকাল জোক্স টা কোন এভারেজ লুকের ছেলে করলে মেয়েরা অফেন্ডেড হয় সেটাই ওদের মত টপ কেউ করলে মেয়েদের মজা লাগে, ভালবাসা তৈরি হয়। আবার যেই অপমানটা আমার মত খারাপ লুকের কাউকে এভারেজ লুকের কোন ছেলে করলে শুধুই খারাপ লাগা আর রাগ কাজ করত, সেটাই শতানিকের মত সুন্দর কারও ক্ষেত্রে তেমন হয় না। বিশেষ করে যদি সেটা কম বয়সে শুরু হয়।
আমার বয়স যখন ১০-১১-১২, তখন ওরা ক্লাসে সবার সামনে আমাকে বিচ্ছিরি ভাবে অপমান করে মজা নিলেও ওদের সুপিরিওর ভেবে আমার তাতে আনন্দ হয়েছে কিছুটা, সেটা আমি অস্বীকার করতে পারি না। এমনকি ক্লাস ৭ এ মিথ্যা চুরির অভিযোগে আমার গায়ে ওরা হাত তোলার পরেও আমার ওদের উপরে রাগ হয়নি, কিছুটা সাবমিসিভ ফিল ছাড়া। তারপরেও এখন ব্যাপারটা আমার মানতে লজ্জা হয়, কোন মেয়েকে সুপিরিওর ভাবার মত সহজে মানতে পারি না আর।
আসলে ব্যাপারটা খুবই জটিল। ক্লাস ৭ এ যখন শতানিক আমার উপরে মিথ্যা চুরির অভিযোগ তুলে ক্লাসে সবার সামনে কান ধরে নিল ডাউন করে রাখল আমার তখন সবচেয়ে বেশি লেগেছিল লজ্জা আর ভয়। নিজেকে ভীষণ অক্ষম বলে মনে হচ্ছিল। ইচ্ছা করছিল যদি শামুকের মত আমার কোন শক্ত খোলস থাকত তাহলে তার মধ্যে ঢুকে গিয়ে আমি নিরাপদ বোধ করতাম।
শতানিক আর ওর দুই বন্ধু অপর দুই ক্লাস মনিটর সত্রাজিত আর অয়ন আমার গালে একের পর এক থাপ্পর মারছিল আমাকে চুরির দায়ে অভিযুক্ত করে। আমি ভয়ে কাঁপছিলাম। মাঝে মাঝেই ওরা জুতো পরা পায়ে লাথি মারছিল আমার পেটে আর বুকে। একটু পরে আমি কান্নায় ভেঙে পরলাম। কিন্তু ওরা তাতেও থামল না। আমি শেষে প্রথমে শতানিকের জুতো পরা পায়ের উপরে নিজের মাথাটা নামিয়ে দিলাম। ওর জুতোর উপরে একের পর এক চুম্বন করতে করতে ওর কাছে ক্ষমা চাইতে লাগলাম "আমি চুরি করিনি, প্লিজ বিশ্বাস কর " বলতে বলতে।
আমি ছিলাম খুব চুপচাপ শান্ত অন্তর্মুখী ছেলে। ক্লাসে আমার প্রায় কোন বন্ধু ছিল না। আমাকে বাঁচাতে তাই কেউ এগিয়ে আসেনি। প্রায় সবাই আমার অপমান উপভোগ করছিল। আমি একের পর এক ৩ ক্লাস মনিটরের পা জড়িয়ে ধরে ওদের কাছে ক্ষমা চাইছিলাম আর ওরা ৩ জন জবাবে আমার মাথার উপরে লাথি মেরে আমাকে চুরির কথা স্বীকার করে চুরির ঘড়ি ফেরত দিতে বলছিল।
তখনই ক্লাসে এক স্যার চলে আসে। সব দেখে ও শুনে স্যার আমাকে সম্ভাব্য চোর সাব্যস্ত করে নিল ডাউন করে রাখে পরের দিন গার্জিয়ান কল করে। স্যার ৩ ক্লাস মনিটরকে কিছুই বলেনি আমাকে ওইভাবে লাথি মারার জন্য। আমার ভিতরে ওই ঘটনা গভীর দাগের সৃষ্টি করেছিল। নিজেকে অনেক ইনফিরিয়ার ভাবা আর তার থেকে সৃষ্টি হওয়া মানসিক চাপ কাটাতে শতানিকের মত কাউকে অনেক সুপিরিয়ার ভেবে আনন্দ পাওয়ার সেই শুরু।
পরের দিন আমার মা স্কুলে গিয়ে সেই স্যারের সাথে কথা বলে। ঠিক কি কথা হয় আমি জানি না। তবে মা যে অপরাধ মেনে নিয়ে চুরির ঘড়ির দাম দিয়ে দিয়েছিল এটা জানি। আমাকে স্যার ৩ ক্লাস মনিটরের পায়ে মাথা রেখে ক্ষমা চাওয়ায় সারা ক্লাসের সামনে আর বলে এরকম আর করলে স্কুল থেকে তাড়িয়ে দেবে। বিনা অপরাধে ওই বয়সে এরকম অপমান আর শাস্তিতে আমার মাটিতে মিশে যেতে ইচ্ছা করছিল তখন। আবার এইভাবে ফর্শা অসাধারন সুন্দর চেহারার ৩ ক্লাস মনিটরের জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ক্ষমা চাওয়ার মধ্যে কি এক অদ্ভুত আনন্দ পাচ্ছিলাম সেটা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব না।
সেই শুরু। এরপরে ক্লাস ৭ এর পরের ৬-৭ মাস আমাকে ক্লাসের সবার সামনে অত্যাধিক অপমান করা ৩ ক্লাস মনিটরের অভ্যাসে পরিনত হল। আমাকে ওরা ডাকত কালুচোর বলে। কথায় কথায় নিল ডাউন করিয়ে রাখত। ক্লাসে অন্য কেউ চিৎকার করছে। শাস্তি হিসাবে আমাকে নিল ডাউন করাত। ঘরে কেউ বিস্কুটের প্যাকেট ফেলেছে বা কেউ বেঞ্চ পারিয়েছে। শাস্তি হিসাবে আমাকে থাপ্পর মেরে বলত পরিস্কার করতে। রোজ ৩ মনিটর স্কুলে ঢোকার পরেই আমাকে ওদের জুতো পরা পায়ে মাথা ঠেকিয়ে ক্ষমা চেয়ে বলতে হত " আমি আর কখনো চুরি করব না।" ওরা ক্লাসের সবার সামনে আমার মাথার উপরে জুতো পরা পা রেখে বলত " যা, এবারের মত ক্ষমা করে দিলাম। এরপরে চুরি করলে পিছনে লাথি মেরে স্কুল থেকে বার করে দেব।"
স্কুল ছুটির পরে আমার কাজ ছিল ওদের ৩ মনিটরের জুতো একে একে পালিশ করে দেওয়া। আমি যখন ওদের পায়ের কাছে হাটুগেড়ে বসে ওদের জুতো পালিশ করতাম তখন হাই বেঞ্চে বসা ওরা ইচ্ছামত আমার বুকে পেটে বা মুখে লাথি মারত জুতো পরা পায়ে। আর যতবার ওরা আমাকে লাথি মারত ততবার আমাকে ওদের জুতোয় চুমু খেয়ে ক্ষমা চাইতে হত। এইভাবে লাথি খেতে খেতে জুতো পালিশ করতে অনেক সময় লেগে যেত। আর ১০ মিনিটের মধ্যে ৩ জনের জুতো সম্পুর্ন পালিশ না হলে শাস্তি স্বরুপ আমাকে বাকি জুতো পালিশের কাজটা জিভ দিয়ে চেটেই সারতে হত। ক্লাসের বহু জনের চোখের সামনে ১২ বছর বয়সী আমি ৩ জন ক্লাস মেটের জুতো জিভ দিয়ে চেটে পালিশ করতাম আর ওরা আমার মুখে লাথি মারত জুতো পরা পায়ে।
বহু ক্লাসে ওরা আমাকে মেঝেতে ওদের পায়ের নিচে শুইয়ে আমার মুখ, বুক আর পেটে ওদের জুতো পরা পা রেখে বসে আমাকে দিয়ে পা টেপাত। ক্লাস মনিটরদের লিডার ছিল শতানিক। তাই ওর জুতো পরা পা বেশিরভাগ সময় আমার মুখের উপরে থাকত। আমি ওর জুতোর তলা চাটতে চাটতে ওর পা টিপে দিতাম। আর যত এরকম ভাবে ওদের সেবা করতাম তত নিজেকে আরো ছোট মনে হত আর ওদের মনে হত আমার প্রভু, ভগবান। আমার সাথে ওরা যা করছে তা আর খারাপ না লেগে খুব ভাল লাগত। নিজেকে ভাগ্যবান বলে মনে হত এইভাবে ওদের সেবা করতে পেরে।
আমার মা জানত চুরির অভিযোগের পরের দিন আমি ক্লাসের মনিটরদের জুতো পরা পায়ে মাথা রেখে ক্ষমা চেয়েছিলাম। কিন্তু মা বা বোন কি জানত তার পরে শাস্তিস্বরুপ আমাকে আর কি কি করতে হয়েছে? আমি জানি না। তবে আমি স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পরে আমার মুখে ওদের জুতোর তলার ময়লা বা ছাপ বহুদিনই স্পষ্ট বোঝা যেত।
কিন্তু আশ্চর্য জনক ভাবে এই অধ্যায় শেষ হয়ে যায় আমি ক্লাস ৮ এ ওঠার পরে। সেটা কি শতানিকেরা আমাকে টর্চার করায় আর তেমন মজা পেত না বলে নাকি আমার বোনের সাথে ওর বন্ধুত্ব গাঢ় হওয়ার পরে বোনের অনুরোধে সেটা আমি জানি না।
এটা সত্যি যে ক্লাস ৮ এ ওরা আমাকে সবার সামনে ওইভাবে টর্চার করা প্রায় বন্ধ করে দেওয়াতে আমার যতটা ভাল লেগেছিল তার চেয়ে বহুগুন বেশি কষ্ট পেয়েছিলাম। আমার ইচ্ছা করত ওদের পায়ে পরে ওদের জুতো গুলো চুম্বনে চুম্বনে ভরিয়ে দিতে। ইচ্ছা করত ওদের পা জড়িয়ে ধরে বলতে আমি কি অপরাধ করেছি প্রভু যে আর তোমাদের সেবা করার সুযোগ দিচ্ছ না? আমি লুকিয়ে ওদের জুতোর ছাপের উপরে চুম্বন করতাম। কিন্তু সরাসরি ওদের কাছে আত্মসমর্পনের সাহস আর হয়নি। এরপরে ওরা আমাকে নিয়ে ভার্বালি মজা করলেও গায়ে হাত তোলা প্রায় বন্ধ করে দেয়। ক্লাস ৭ এর ওই ৬-৭ মাস আমার কাছে যতটা আশংকা, ভয় ও লজ্জার ছিল তার চেয়ে বেশি যে আমি ওই সময়টা উপভোগ করতাম সেটা অস্বীকার করার কোন উপায় নেই।
ক্লাস ১১ এ স্কুল শুরুর পরে যদি ওরা আবার সবার সামনে আমাকে ওইভাবে ইউজ করতে চায় ক্লাস ৭ এর মত তাহলে আমার কেমন লাগবে? ভাল,, খুব ভাল। না, এতে আমার কোন সন্দেহ নেই। ওরা ছেলে হলেও ছেলেদের মধ্যে সবচেয়ে সুপিরিওর। আমার মত লোয়ার লেভেলের কোন ছেলের পক্ষে প্রকাশ্যে ওদের হাতে এবিউজ হওয়া গর্বের এতে কোন সন্দেহ নেই।
তবে আমি এইভাবে ট্রিটেড হলে তার প্রভাব আমার বোনের উপরেও পরতে পারে। সেই জন্যই বোন এত বার আমাকে হুমকি দিয়েছে বাইরের কারো সামনে জুতো চাটতে গিয়ে ধরা পরলে আমাকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেবে। বাড়িতে নিজের বোনের জুতো চাটা এক জিনিস। কিন্তু প্রকাশ্যে ওইভাবে স্কুলে টর্চারড হলে সেটা শুধু নিজের না, বাড়ির প্রত্যেকেরই মান সম্মান ধুলোয় মিশিয়ে দেবে। আমি চাই না আমার জন্য আমার মা বাবা বা বোনের সম্মান নিয়ে টানাটানি হোক। ৩ ক্লাস মনিটরের কাছে সাবমিট করতে আমার যতই ভাল লাগুক, আমি তা করতে চাই না আর এই কারনে।
রাতে খেতে বসে মাকে বলব ভেবেছিলাম কথা গুলো। কিন্তু অভিমামা চলে এসেছে তার আগেই। মা আর মামা রেস্টুরেন্ট থেকে খাবার আনিয়ে খেল। আমি নিজের করা সিদ্ধভাত খেলাম। খাওয়া শেষ হতে মা বলল - " আমি আর তোর মামা এই খাবার ঘরেই শুচ্ছি রাতে। তুই নিজের ঘরে শুয়ে পরিস। আর লিজা ফোন করল একটু আগে। ওরা রাতেই ফিরবে ৩ জন। জিয়ার বাড়িতে এসি নেই, গরম লাগছে ওদের, তাই বোধহয়।"
লিজারা বাড়ি ফিরল রাত প্রায় ১১.৩০ টায়। জিয়ার বাড়ি থেকে মাত্র ৩-৪ মিনিট লাগে হেঁটে আসতে, তাই এটা কোন ব্যাপার না। কিন্তু ওদের ঘরে ঢোকার সময়ে হাঁটা দেখেই বুঝলাম ওরা সবাই প্রচুর ড্রিংক করেছে।
ওরা ৩ জনেই ঘরে ঢুকে সোজা লিজার এসি রুমে চলে গেল। ৩ জনে পাশাপাশি বসল নরম সোফায়। আমি ঘরে ঢুকতেই বোন লিজা আমাকে ডাকল। আমি কাছে যেতেই লিজা আমার বাঁ গালে বেশ জোরে একটা থাপ্পর মেরে বলল - " আমাদের ৩ জনের ঘরে পরার চটি নিয়ে আয়। আর এসে আমাদের পা থেকে জুতো খুলে পায়ে চটি পরিয়ে দে। দেরী করলে আবার থাপ্পর খাবি মনে রাখিস লুজার।"
আমি " ওকে ম্যাডাম" বলে সাথে সাথে ঘর থেকে বেরিয়ে এলাম। বোন চড়টা যে নেশার ঘোরে মেরেছে সন্দেহ নেই। সবে ১৪ বছর বয়স, আগে কখনো মদ খায়নি বোধহয় ও। আর আজ একটু বেশিই নেশা করে ফেলেছে। ফলে কন্ট্রোল নেই।
গত কয়েকদিন ও আমাকে বার বার বলেছে আমার সাবমিসিভনেস যেন বাইরের কারো কাছে প্রকাশ না পায়। কারন আমি ওর দাদা। এতে ওরও সম্মান নষ্ট হতে পারে। যেমন ক্লাস ৭ এ শতানিকদের কাছে আমার স্পাইনলেস সারেন্ডারের জন্য হতে যাচ্ছিল। এও বলেছে বাইরের কারো সামনে জুতো চাটলে লাথি মেরে বার করে দেবে। আর আজ ও নিজেই নেশার ঘোরে সবার সামনে ৩ জনের পা থেকে জুতো খোলাচ্ছে। মদের নেশায় ও বেশি কিছু করতে বললে কি করা উচিত?
আমি এখন লিজাকে ভগবানের চোখে দেখি এ বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। ও নেশা না করে থাকলে ও আদেশ করলে আমি একবারও না ভেবে ১০ তলার ছাদ থেকে ঝাঁপ মারতে রাজি। কিন্তু এখন নেশাগ্রস্ত প্রভু বোনের সব আদেশ কি মানা উচিত? হয়ত উচিত, হয়ত না। সবার সামনে খুব বেশি কিছু করতে বললে নেশা কেটে গেলে ও নিজেই পরে সেটা নিয়ে আফশোষ করবে না তো?
আমি ৩ জোড়া চটি নিয়ে বোনের ঘরে ফিরে গেলাম। আজ দেখি বোন শতানিকের কোলে মাথা রেখে শুয়ে। আমি যেতে ও উঠল, কিন্তু উঠে বসল ঠিক শতানিকের কোলেই। আর আমাকে ওর্ডার করল ওদের পা থেকে জুতো খুলে পায়ে ঘরের চটি পরিয়ে দিতে।
আমি তাই করতে গেলাম। ৩ জনের পায়েই মোজা আর স্নিকার পরা। আমি প্রথমে জিয়ার জুতো মোজা খুলে ওর পায়ে ঘরের চটি পরিয়ে দিলাম। কিন্তু ততক্ষনে শতানিকের কোলে আমার বোন লিজা একদম ঘনিষ্ঠ হয়ে বসেছে।
মদের নেশায় ওদের সবারই যাবতীয় ইনহিবিশান আর কাজ করছে না। আমার সামনেই শতানিক আমার ছোট বোন লিজার ব্রেস্ট দুটো দুই হাতে ধরে চটকাচ্ছে। কখনো জামার উপর দিয়ে। কখনো জামার ভিতরে হাত ঢুকিয়ে। আমার দেখতে যে খুব ভাল লাগছিল আমি অস্বীকার করতে পারব না।
লিজার ব্রেস্ট টিপতে টিপতেই শতানিক হঠাত জুতো পরা ডান পা তুলে বেশ জোরে একটা লাথি মারল আমার মুখে, আমার মুখের বাঁ দিকে। যেমনটা আগে ও স্কুলে বহুবার করেছে বছর ৩ আগে। কিন্তু আজ এতদিন পরে আমার বোনকে কোলে বসিয়ে তার দেহ ভোগ করতে করতে মারা এই লাথির এফেক্ট অনেকটাই আলাদা।
আমি উলটে পরে গেলাম হঠাত মারা লাথির ফলে। আমার নিজের বোন, যে আজ সকালেও আমাকে অন্য কারো সামনে সাবমিট করতে বারন করেছে সে মদের নেশাতেই হয়ত শব্দ করে হেসে উঠল নিজের দাদাকে নিজের যৌনসঙ্গীর হাতে এবিউজড হতে দেখে।
আমি আবার উঠে বসলাম। আর সাথে সাথে শতানিক আবার লাথি মারল আমার মুখে। এবার ওর জুতো পরা বাঁ পায়ের লাথি পরল ঠিক আমার নাকের উপরে।
। তারপর ওর কোলে বসা বোন ওর চটি পরা ডান পা দিয়ে আমার মুখে লাথি মারল ৩ জনের সামনেই। " সকালে উঠে ব্রেকফাস্ট বানিয়ে রাখবি আমাদের ৩ জনের। তারপর ৩০ মিনিট পর পর দরজা ঠেলে দেখবি আমরা উঠেছি কিনা। উঠলে এসে সার্ভ করে যাবি। কিন্তু দরজা নক করবি না ওঠার আগে। করলে এরকম লাথি কাল সকালেও তোর মুখে আবার পরবে।" - এই বলে বোন এবার চটি পরা বাঁ পায়ে আরেকটা লাথি মারল আমার মুখে।
" এই ঘরের মেঝেতেই শুয়ে পরিস বরং তুই। তোকে তাহলে দরকার মত অর্ডার করা যাবে রাতে তাহলে। এখন আমার পায়ের তলায় শুয়ে আমার পা টিপে দে। যেরকম স্কুলে সবার সামনে টিপতিস আগে।" শতানিক আদেশ করল।
আমি বিনা প্রতিবাদে আমার পুরনো প্রভুর আদেশ পালন করলাম। আমার মুখের উপরে নিজের জুতো পরা পা দুটো তুলে দিল শতানিক। আমি ভক্তিভরে আমার মুখের উপরে রাখা শতানিকের জুতো পরা পা দুটো ভক্তিভরে টিপতে লাগলাম। আর সাথে জিভ বার করে চাটতে লাগলাম ওর জুতোর তলা। বোন বিনা প্রতিবাদে সব মেনে নিয়ে শতানিকের হাতে স্তন টেপা খেতে লাগল। মদের নেশায় ও বেশ জোরেই যৌন সুখ সুচক শব্দ করতে লাগল শতানিকের হাতে স্তন টেপা খেতে খেতে।
" বাপ রে, তোর বাড়াটার কি সাইজ হয়েছে রে শতাদা লিজার মাই টিপে। আজই ওকে লাগাবি নাকি তুই?"- জিয়া বলল।
" হ্যাঁ, এত কাছে পেয়ে ছেড়ে দিতে ভাল লাগে নাকি? কি রে লিজা, সেক্স করবি তো?"
" হ্যাঁ... তোর যা খুশি কর আমার সাথে.... খুউউউউব ভাল লাগছে রে শতাদা!" লিজার মুখে এরকম কামার্ত কথা শুনে আমার ভীষণ ভাল লাগল। হাজার হোক, যার হাতে আমার সুন্দরী বোনের ভার্জিনিটি নষ্ট হবে সে দেবতার মত সুন্দর। সে বিনা কারনে আমাকে স্কুলে সবার সামনে হাসির পাত্র বা নর্দমার কীটের চেয়েও লো স্ট্যাটাসের করে তোলা আমার প্রভু শতানিক।
শতানিক হঠাত আমার মুখে খুব জোরে একটা লাথি মেরে বলল, " কি রে কুত্তা, তোর বোনকে লাগাব নাকি ছেড়ে দেব?"
আমি লজ্জায় কোন উত্তর দিতে পারলাম না। ফলে আবার একটা খুব জোরে লাথি আছড়ে পরল আমার মুখে।
আমার বোন কতটা মদ খেয়েছে জানি না, কিন্তু এত কম বয়সে প্রথম বার খাওয়ার ফলে ওর মধ্যে আর কোন ইনহিবিশান নেই। ও আমাকে বলল " এই লুজার, শতাদা যা বলছে তাই বল। আমার আজ সেক্স চাইই।"
ফলে এবার আমি শতানিকের জুতোর তলায় একের পরে এক চুম্বন করতে করতে বলতে লাগলাম " হ্যাঁ প্রভু। তোমার যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে সেক্স কর আমার বোন লিজার সাথে। তোমার যা ইচ্ছা তাই কর ওর দেহ নিয়ে। ওর যোনির ভিতরে তোমার বীর্য ফেল। প্লিজ প্লিজ।"
প্রায় ২ মিনিট আমার মুখের উপরে শতার জুতোর চাপ বাড়ল। তারপরে আমার মুখ ঘেসে একটা কাপড়ের জিনিস মেঝেতে পরল। সম্ভবত আমার বোনের প্যান্টি। তারপরেই লিজার মুখে " ওহ ইয়ায়া" শুনে বুঝলাম আমার বোন আর ভার্জিন নেই। শতানিকের পেনিস এখন আমার বোনের যোনির ভিতরে।
" শতাদা প্লিজ, আরো জোরে কর। চুদে চুদে আমাকে ছিবড়ে করে দে। ওহ ইয়ায়া" - বোনের আচরনে আমি বুঝতে পারছিলাম মদের সাথে মিশিয়ে ওরা অন্য কোন মাদক খেয়েছে। তার ফলেই ওদের যাবতীয় ইনহিবিশান চলে গেছে। ওরা সব লাজ লজ্জা ভুলে আদিম মানুষ বা বন্য পশুর মত ওপেন সেক্স করছে।
প্রভু শতানিককে এই প্রবল সুখ পেতে দেখে আমার যে কি ভাল লাগছিল আমি বলে বোঝাতে পারব না। আবার কত দিন পরে আমার আরাধ্য দেবতার জুতো পরা পা আমার মুখের উপরে রাখা। সে যত খুশি লাথি মারছে আমার মুখে। আর আমি ভক্তিভরে তার জুতোর তলা চাটতে চাটতে তার পা টিপে চলেছি। আর সবচেয়ে বড় কথা সে আমার বোনকে কোলে বসিয়ে যেমন খুশি ভোগ করছে তার দেহ, দুই হাতে চটকাচ্ছে তার দুই স্তন, নিজের শিশ্ন দিয়ে যেমন ইচ্ছা ভোগ করছে আমার বোনের যোনী। উফ, ভাবতেই কি আনন্দ!
প্রায় ৩০ মিনিট এইভাবে আমি শতানিকের পা টিপে আর জুতোর তলা চেটে সেবা করলাম। আর শতানিক আমার মুখে লাথি মারতে মারতে ভোগ করল আমার বোনের দেহ।
আমার বোনকে ভোগ করা শেষ হতে শতানিক বলল, " হেব্বি সুখ পেলাম রে লিজা। এবার থেকে জিয়ার মত রেগুলার তোর সাথেও সেক্স করব আমি।"
"তোর যখন ইচ্ছা যত ইচ্ছা করিস শতাদা। কি যে আরাম তোর সাথে সেক্স করে বলে বোঝাতে পারব না।''
আমি এখনকার মত সব সময় তোর ভ্যাজাইনার ভিতরেই সিমেন ফেলব কিন্তু। জিয়ার মত তুইও পিল খাওয়া শুরু করিস।"
" হ্যাঁ, করব। আর কাল একটা এমারজেন্সি পিল আনিয়ে নেব লুজারকে দিয়ে।"
শতানিক এবার আমার মুখে একটা লাথি মেরে বলল আমাদের জুতো খুলে দে এবার।"
আমি উঠলাম। আমার মাথার ঠিক পাশে পরে আছে লিজার কালো প্যান্টিটা। শতানিকের কোলে যেভাবে আমার বোন বসে আছে তাতে পরিস্কার বোঝা যাচ্ছে লিজার স্কার্টের তলায় শতানিকের পেনিস এখনো লিজার যোনির ভিতরেই ঢোকানো আছে, যদিও বাইরে থেকে সরাসরি দেখা যাচ্ছে না।
আমি উঠে বসে শতানিক আর লিজার পা থেকে জুতো মোজা খুলে ওদের পায়ে ঘরে পরার চটি পরিয়ে দিলাম।
শতানিক বোনকে কোলে নিয়ে খাটের উপরে শুয়ে পরল। জিয়া অলরেডি খাটে শুয়ে আছে। জিয়া আর লিজার মাঝে শুয়ে শতানিক বলল আজ রাতে আমি আমার দুই ডার্লিংএর সাথে একসাথে ফুলসজ্জা করব। তুই মেঝেতে শুয়ে পর নেড়িকুত্তা। যাতে কিছু লাগলে তোকে অর্ডার করতে পারি।"
" ঠিক আছে স্যার" এই বলে আমি ওদের ৩ জনের পায়েই মাথা ঠেকিয়ে প্রনাম করে আমি ৩ জনের জুতো হাতে বেরিয়ে নিচে রেখে এসে ওদের ঘরের মেঝেতে শুলাম।
রাত হওয়া স্বত্ত্বেও মেঝেতে শুয়ে আমার ঘুম আসতে চাইছিল না। শতানিক একসাথে আমার বোন আর জিয়াকে ভোগ করে চলেছিল। ওদের ৩ জনের মুখ থেকেই টানা বেরিয়ে আসছিল বিভিন্ন যৌন সুখ সুচক শব্দ। আর আমি শতানিকের ঘরে পরার চটি জোড়ার তলা চাটতে চাটতে শতানিককে নিজের প্রভু বলে কল্পনা করে ওর সুখ আর আমার ওকে সেবা করার কথা ভাবতে ভাবতে শক্ত মেঝেতে নিজের পেনিসটা ঘসতে লাগলাম।
কি যে সুখ হচ্ছিল বলে বোঝাতে পারব না। শতানিক এখন থেকে আমার সামনেই জিয়া আর লিজাকে ইচ্ছামত ভোগ করবে আর আমাকে সবার সামনে ক্রীতদাসের মত ব্যাবহার করবে ভাবতেই কি এক অসাধারন আনন্দ হচ্ছিল। প্রায় ১ ঘন্টা মেঝেতে পেনিস ঘসে আমি বীর্য ফেলে টয়লেটে গিয়ে ক্লিন করে ঘুমাতে গেলাম।
ঘুম আসার আগে আবার ভাবতে লাগলাম বিভিন্ন কথা। মাথাটা একটু ঠান্ডা হয়েছে সিমেন ফেলার পরে। শতানিক পাবলিকলি আমাকে এইভাবে ট্রিট করেছে বা লিজাকে ভোগ করছে বলে আমার একটুও খারাপ লাগছিল না। বরং খুবই ভাল লাগছিল। কিন্তু বোন যে নিজেই সুস্থ অবস্থায় আমাকে বারন করেছিল বাইরের কারও সামনে সাবমিসিভ হতে? কাল সকালে নেশা কাটলে ও এই নিয়ে রেগে যাবে না তো?
তাছাড়া বোন যেভাবে ক্যাজুয়ালি শতানিকের সাথে সেক্স করছে সেটাও কি স্বাভাবিক? আমি যেরকম ভাবছিলাম, যে জিয়া হয়ত শতানিকের GF, সেটা হলে কি জিয়ার সামনে বোন শতানিকের সাথে সেক্স করত? মদ ও সাথে অন্য বড় কোন নেশার ঘোরে conscious plan এর বাইরে বোন কিছু করে পরে খারাপ ফিল করবে না তো? আমার কি ওকে সাবধান করা উচিত ছিল ? কিছু বলা উচিত ছিল? বা মা কে ডাকা উচিত ছিল একবার? তার বদলে আমি যা করলাম এতে পরে কোন বড় সমস্যা হবে না তো?
আমার মাথায় একবার এই ধরনের চিন্তা আসতে লাগল। পরক্ষনেই মাথায় ঘুরতে লাগল কিভাবে আমাকে দিয়ে জুতো চাটাতে চাটাতে আমার বোনকে ভোগ করল শতানিক। হয়ত আবার স্কুলে সবার সামনে আমাকে স্লেভের মত ট্রিট করবে ও আর ওর দুই বন্ধু! উফ, ভাবতেই কি সুখ!
তবে লক্ষ্য করলাম, বোন সেক্স করছে এই নিয়ে আমার মধ্যে কোন খারাপ ফিল হচ্ছে না। শুধু নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ও আজ কোন বিষয়েই কিছু করে যেন পরে রিগ্রেট না করে সেদিকেই আমার খেয়াল যাচ্ছে। আমি মাকে whats app e একটা text করলাম, " জেগে আছ মা?"
মা ১০ মিনিট পরে "হ্যাঁ" রিপ্লাই করতে আমি বললাম, " একবার রুমের বাইরে আসবে? একটা জরুরি কথা ছিল।"
মা " যাচ্ছি" রিপ্লাই দিতে আমি মায়ের রুমের দরজার বাইরে দাঁড়ালাম। মা আসতে আমি মাকে যা হয়েছে ও হচ্ছে বললাম।
" মা সরাসরি আমাকে জিজ্ঞাসা করল " তুই কি ভয় পাচ্ছিস বোন unplanned sex করেছে মদের নেশায়, আর পরে গিলটি ফিল করবে?"
" হ্যাঁ মা", আমি বললাম।
মা কয়েক সেকেন্ড ভাবল। তারপরে হেসে বলল, " শতা ওর বহুদিনের বন্ধু। ভয়ের কিছু নেই। বরং আজ শতা আর ওদের সেক্স এঞ্জয় করতে দে। সমস্যা কিছু হলে আমি সামলে দেব। তোকে যেভাবে ডমিনেট করেছে শতানিক সেটায় তোর খারাপ লাগে নি তো?"
" না মা, বরং খুব ভাল লেগেছে।"
মা হেসে বলল " আমি জানি তাই লাগবে। স্কুলে তোর সাথে ওরা কি করত সেটাও আমি জানি। পরে লিজার খারাপ লাগার কারনে ওরা সেটা বন্ধ করে। আজ যা হল তা সবার জন্যই ভাল হল। তোকে আবার স্কুলে শতারা স্লেভের র মত ট্রিট করলে তোর কেমন লাগবে এখন?"
খুব ভাল লাগবে মা,,খুব ভাল লাগবে" - আমি এক নি:শ্বাসে বললাম।
সেটা যাতে হয় আর শতানিক যাতে নিশ্চিন্তে এখন থেকে লিজাকে যেমন খুশি ভোগ করতে পারে সেটা আমি নিশ্চিত করব কালই। তুই এখন নিশ্চিন্তে ঘুমা যা।"
আমি "থ্যাংক ইউ মা" বলে চলে এলাম।
কাল সকালে ওঠার পরে আমার কাজ সহজ। বোনের নেশা কমে যাবে ততক্ষনে। তারপর বোন যদি পুরো বদলে আগের মত হয়ে যায় তাহলে হয়ত ভেবে দেখতেও পারি। নাহলে আমি আমার পুরনো প্রভু শতানিকের জুতোর তলায় নিজেকে পুরো পুরি বিলিয়ে দেব। নিজেকে ওর গর্বিত স্লেভ করে তুলব আমি।
আমি ওর কথায় উঠব, ওর কথায় বসব। ওদের ওঠার আগে আমার কাজ হল ব্রেকফাস্ট রেডি করে ফেলা। যেহেতু আজ রাতে ওরা পার্টি করেছে তাই কাল টোস্ট, ওমলেট আর কফি দিয়ে হেলদি ব্রেকফাস্ট বানানোই বেটার ওদের ৩ জনের জন্য।
ভোর রাতে শতানিক একবার উঠে মেঝেতে শোওয়া আমার মুখ আর বুক চটি পরা পায়ের তলায় মাড়িয়ে টয়লেটে গেল আবার একই কায়দায় ফিরে এল।
সকালে আমি ৭ টার মধ্যে উঠে পরলাম। উঠে রেডি হয়ে প্রথমেই সবার জন্য ব্রেকফাস্ট বানাতে লেগে পরলাম। ব্রেকফাস্ট প্রায় রেডি যখন, তখন মা রান্না ঘরে ঢুকল। আমাকে বলল, " কফি আমি করছি। তুই সবাইকে ব্রেকফাস্টটা দিয়ে আয় রুমে।"
আমি অভি মামাকে ব্রেকফাস্ট দিয়ে লিজাদের রুমে গিয়ে দেখি দরজা স্বাভাবিকভাবেই বন্ধ। নেশা করে ঘুমালে কেউ সকাল ৯ টার আগে ওঠে না। আমার কাজ হল ৩০ মিনিট পর পর এসে চেক করে যাওয়া।
আপাতত আমার কোন কাজ নেই। কি করা যায় ভাবতে ভাবতে মনে হল ওদের ৩ জনের জুতো পালিশ করে রাখলে কেমন হয়? কাল আমিই যখন ওদের ৩ জনের পা থেকে জুতো খুলে দিয়েছি আর শতানিকের জুতোর তলা সবার সামনেই জিভ দিয়ে চেটে পালিশ করেছি তখন এটা আর কোন ব্যাপারই না।
আমি পরের ৩০ মিনিটে ওদের ৩ জনের স্নিকারই জিভ দিয়ে চেটে নতুনের মত চকচকে করে পালিশ করে রাখলাম। জুতোর উপর, তলা সব। কাজ শেষ হতে উপরে গিয়ে দেখি ওরা তখনো ঘুমাচ্ছে। আমি নিজের রুমে ফিরে এলাম।
প্রায় সকাল ৯ টায় আমি ওদের রুমে গেলাম আবার। গিয়ে দেখি শতানিক আমার বোনের উপরে উঠে ওকে লিপ কিস করছে আর জিয়া সেই অবস্থাতেই এক হাত দিয়ে ওর পেনিস আস্তে আস্তে নাড়াচ্ছে। আমাকে দেখেও লিজা আর শতা লিপ কিস থামাল না। তবে জিয়া হুকুম করল "আমাদের ব্রেকফাস্ট নিয়ে আয় যা লুজার।"
আমি " ওকে ম্যাডাম" বলে নিচে গিয়ে টিফিন এনে ওদের খাটের পাশের টেবিলে সাজিয়ে রাখলাম।
শতানিক আমাকে অবাক করে দিয়ে হুকুম করল " খাটের সামনে নিল ডাউন হয়ে হাঁ কর কুত্তা।"
আমি আদেশ পালন করতে শতানিক ওর ফর্শা সুন্দর পেনিসটা আমার মুখের সামনে ধরে বলল " কাল এটা দিয়ে তোর বোন আর জিয়াকে মোট চার বার চুদেছি। এবার তুই এটাকে কিস করে ধন্যবাদ দে তোর বোনকে ভোগ করার জন্য।"
লিজা কিছু বলছে না। চুপ করে দেখছে। আমি শতানিকের কথা মেনে ওর সুন্দর পেনিসে চুম্বন করে বললাম " ধন্যবাদ এ অপূর্ব সুন্দর পেনিস, আমার বোনকে ভোগ করে ওর ভিতরে সিমেন ফেলার জন্য।"
" এবারে বড় করে হাঁ কর। তোর মুখের ভিতরে পেচ্ছাপ করে তোর বোনের থেকে আরেকটা ব্লো জব নেব।"
" প্লিজ শতাদা, এতটা করিস না। ওর শরীর খারাপ করবে।"
" আরে, কুল ইয়ার। ও একটা লুজার। ওকে নিয়ে এত চিন্তা কিসের তোর?" - জিয়া বলল।
" হ্যাঁ, ও এটাই ডিজার্ভ করে আমার কাছে।" এই বলে আমার চুলের মুঠি ধরে আমার মুখের ভিতরে পেচ্ছাপ করতে শুরু করল শতানিক। প্রায় ৩০০ ml নোনতা গরম পেচ্ছাপ আমার মুখের ভিতরে ঢেলে ও আমার গালে থাপ্পর মেরে বলল " এবারে ভাল করে চুষে দে আমার পেনিস। এরপরে তোর বোন ব্লো জব দেবে মনে রাখিস।"
আমি খুব ভক্তি নিয়ে চুষে শতানিকের পেনিস পরিস্কার করে দিলাম।
এবারে শতানিক আমার বোনের চুলের মুঠি আলতো করে ধরে ওকে দিয়ে নিজের পেনিস চোষাতে লাগল। বোন বিনা বাধায় চোখ বন্ধ করে শতানিকের সুন্দর ফর্শা পেনিসটা চুষে ওকে সুখ দিতে লাগল।
Comments
Post a Comment