জয়ন্ত
story category : F+/m...
( সতর্কীকরন: femdom sex story. গল্পে সরাসরি যৌনতা আছে। সম্পুর্ন ১৮+. প্লিজ অপ্রাপ্তবয়স্ক বা এই ধরনের গল্প পাঠে অনিচ্ছুকেরা পড়বেন না।)
জয়ন্ত: ( লেখক : লাড্ডু/ উজ্জ্বল).
" এই ছেলে, শোন। কালকে আমরা আবার পিকনিকে যাব বাগান বাড়িতে। তুই ড্রাইভ করে নিয়ে যাবি আমাদের, বুঝলি?" শ্রেয়া বলল আমাকে। তারপর শ্রেয়া ও শ্রেয়ার বান্ধবী স্মৃতি, প্রিয়া আর ইশা উত্তরের অপেক্ষায় আমার দিকে তাকাল। আমার মনে পরে গেল ওদের নিয়ে পিকনিকে যাওয়ার প্রথম অভিজ্ঞতারর কথা। মাত্র দুই সপ্তাহ আগের ঘটনা, এরপরেও ওরা আমাকে আবার ডাকবে সেটা আমি ভাবতেও পারিনি। আমি ভেবেছিলাম ওরা যা করেছিল মুহুর্তের উত্তেজনায় করে ফেলেছিল। কিন্তু তাই বলে আবার ডাকছে?
আমি কলেজে তৃতীয় বর্ষে পড়ি, ফিজিক্সে অনার্স । গরীব ঘরের ছেলে, টাকার প্রয়োজনে তাই ড্রাইভিং শিখে একটা সংস্থায় নাম লিখিয়েছি। যাদের গাড়ি আছে তারা প্রয়োজনে ফোন করে ডাকে, ঘন্টা পিছু টাকা পাই। কলেজে জয়া আমার ক্লাসমেট। খুব কাছের বন্ধু না হলেও একসাথে ক্লাস করার সুবাদে কথা হয়। হঠাত দুই সপ্তাহ আগে জয়া ক্লাসে বলল, " তুই তো ভাড়ায় ড্রাইভিং করিস। আমার বোনেরা চার বন্ধু পিকনিকে যাবে। ওদের নিয়ে যাবি?"
কথাটা শুনেই কিরকম একটা ভাল লেগেছিল। জয়াকে দেখতে খুবই সুন্দরী, ওকে যেদিন প্রথম দেখি সেদিন থেকেই ও আমাকে ডমিনেট করছে, হুকুম করছে, মারছে, এরকম স্বপ্ন যে কতবার দেখেছে আমার সাবমিসিভ মন তার ইয়ত্তা নেই। কিন্তু ও আসলে তেমন ডমিনেটিং না। কিন্তু শ্রেয়া দেখতে প্রায় দিদির মত হলেও বেশ ডমিনেটিং। এই বছর ওকে কলেজে প্রথম দেখার পর থেকেই দেখছি বিশেষ করে ক্লাসমেট ছেলেদের উপরে ভিশন কতৃত্ব ফলায় ও। দুই একবার ছেলেদের থাপ্পর মারতেও দেখেছি ওকে। আর দেখার পর অবশ্যই ওর হাতে একইভাবে থাপ্পর খাওয়ার স্বপ্নে আমার মন ডুবে গিয়েছিল রাতে!
সেটা ছিল একটা রবিবার। বড়লোকের আদুরে ছোট মেয়ে শ্রেয়া আর ওর তিন বান্ধবীকে নিয়ে আমি ওদের বাগানবাড়িতে নিয়ে গেলাম সকালবেলা। পৌঁছানোর পর রান্নার দায়িত্বটাও আমার উপরে চাপিয়ে দিল শ্রেয়া ও ওর তিন বান্ধবী। এমনকি মাঝে মাঝে টুকটাক হুকুমও করছিল ওরা। জুনিয়ার তিন সুন্দরী মেয়ের কাছে ভার্বাল ডমিনেশান দারুন লাগছিল আমার।
দুপুর ১২ টার পরই ওরা আমাকে অবাক করে হুইস্কির বোতল খুলে বসল। যদিও শুনেছি উচ্চবিত্ত পরিবারের মেয়েরাও অনেকেই ড্রিংক করে, তবু যেন বিশ্বাস হতে চাইছিল না আমার। ওরা সবাই দুই-তিন পেগ চড়ানোর পর আমাকে হুকুম করাও বেড়ে গেল ওদের। হয়ত নেশার প্রভাব।
আমি এসেছিলাম শুধু ওদের ড্রাইভার হিসাবে, রান্না আমার করারই কথা না। তবু ওরা শুধু সেই দায়িত্ব আমার উপর চাপিয়েই ক্ষান্ত হল না। দুপুর দেড়টার মধ্যে অতগুলো আইটেম রান্না শেষ করতে না পারায় শ্রেয়া এসে পরপর দুটো থাপ্পর মারল আমার গালে। হয়ত নেশার প্রভাব, কিন্তু আমার যে কি ভাল লাগছিল আমি বলে বোঝাতে পারব না। আজন্ম সাবমিসিভ আমার সেটাই যে কোন মেয়ের হাতে ডমিনেটেড হওয়ার প্রথম অভিজ্ঞতা! যদিও তখনো জানিনা, এই ডমিনেশান সেদিন ওরা কোন পর্যায়ে নিয়ে যাবে!
আমি শ্রেয়ার হাতে অকারনে থাপ্পর খেয়ে উলটে ওকেই সরি বলে তাড়াতাড়ি রান্না শেষ করলাম
তারপর ওদের চার জনকে খাবার সার্ভ করতে লাগলাম। ওদের খাওয়া শেষ হবার পরে শ্রেয়া আবার একটা থাপ্পর মারল আমার গালে। রান্না নাকি ভাল হয়নি, তাই!
এরপর আমি খাওয়া শেষ করতে না করতেই আবার ডাক পরল আমার। ওদের ড্রিংক আর চাট সার্ভ করার জন্য। সত্যি বলতে, চারজন সুন্দরী জুনিয়ার মেয়ের হাতে এই ডমিনেশান আমি ভয়ানক ভাবে এঞ্জয় করতে শুরু করেছিলাম। ওদের মত আমি ড্রিংক না করলেও ডমিনেটেড হওয়ার অদ্ভুত নেশা আমাকে যেন আচ্ছন্ন করে তুলেছিল। ওরা স্লোলি ড্রিংক করতে করতে গল্প করতে লাগল বাগানে চেয়ারে বসে। আমি ওদের পায়ের কাছে মাটিতে বসে রইলাম আর ওদের অর্ডার ফলো করতে লাগলাম।
আরো দুই-তিন পেগ খাওয়ার পর শ্রেয়ার মেজাজ আবার চড়ে গেল। এবার কোন অজুহাত ছাড়াই আমার গালে থাপ্পর মেরে বলল, " এবার একটু পা টিপে দে তো। যা পাওয়ার কথা তার উপরে ভাল বকশিশ দেব!
আমি বেশ অবাকই হয়ে গিয়েছিলাম শ্রেয়ার এতটা ডমিনেটিং এটিচিউডে। যাই হোক, আমি ওর কলেজের সিনিয়ার, ওর দিদির বন্ধু। শুধু গরিব ঘরের ছেলে হওয়ার সুযোগ নিয়ে ও এই ভাবে আমাকে ব্যবহার করতে পারে? তবে যত ওর দ্বারা আমি ব্যবহৃত হচ্ছিলাম আমার তত বেশি ভাল লাগছিল। সাদা টপ, নীল জ্যাকেট আর জিন্স আর পায়ে সাদা মোজা আর সাদা স্নিকার পরা শ্রেয়ার পায়ের কাছে বসে ওর পা দুটো কোলে নিয়ে টিপতে শুরু করলাম আমি। এবং বুঝতে পারলাম ইচ্ছা করেই যেন শ্রেয়া ওর একটা জুতো পরা পা প্যান্টের উপর দিয়ে আমার নুনুর উপরে তুলে দিয়ে আমার নুনুটা ওর জুতোর তলায় ঘসতে লাগল। এক অসাধারন সুখে কাটলো আমার প্রায় ১৫-২০ মিনিট।
এরপর ওর তিন বান্ধবীও পালা করে আমাকে দিয়ে পা টেপাল। প্রথমে স্মৃতি, তারপরে ইশা ও শেষে প্রিয়া। প্রিয়া অতটা উতসাহী ছিল না। কিন্তু বাকি তিন বান্ধবীর উতসাহে ও শেষে রাজি হল পা টেপাতে। পা টেপাতে টেপাতে পরপর আরো কয়েক পেগ ড্রিংক করে গেল ওরা।
ওদের ড্রিংক করা আর আমাকে দিয়ে পা টেপানো শেষ করতে সন্ধ্যা প্রায় ৬ টা বেজে গেল। ডিসেম্বার মাস হওয়ায় আকাশে আলোর শেষ আভাও মিলাতে বসেছে তখন। প্রিয়া বলল, চল এবার আসতে আসতে রেডি হই, ফিরতে হবে।
শ্রেয়া বলল, " ঠিক আছে।" তারপর আমাকে অর্ডার করল ঘরে ঢুকে সব গোছগাছ সেরে সব জিনিস গাড়িতে তুলতে।
আমি ঘরে ঢুকে এক এক করে সব জিনিস গাড়িতে তুলতে লাগলাম বেশ খুশি মনে। শ্রেয়া বা ওর বান্ধবীদের ডমিনেশান আমি তখনো শুধু এঞ্জয় করছি। তখন তো জানতাম না এরপর কি হতে চলেছে!
বাকি সব গাড়িতে তোলার পর তখন শুধু থালা বাসনগুলো তোলা বাকি। গাড়ি থেকে ঘরে ঢুকে দেখি শ্রেয়া ওর তিন বান্ধবীকে নিয়ে ঘরে উপস্থিত। ওদের দেখেই আমি বলে ফেললাম, " ম্যাম, বাকি সব তোলা হয়ে গেছে। শুধু থালাগুলো তোলা বাকি। এক্ষুনি হয়ে যাবে।" নিজের কলেজের তিন জুনিয়ার মেয়েকে ম্যাম বলে সম্বোধন করছি বলে নিজেরই কিছুটা অবাক লাগতে লাগল।
বাসনগুলো সবে একটা ব্যাগে ভরেছি হঠাত জুতো পরা পায়ে পাশ থেকে বেশ জোরে আমার গালের উপরে লাথি মারল শ্রেয়া। আমি ভাবতেও পারিনি। ঘটনার আকস্মিকতায় উলটে পরে গিয়ে আমি অবাক চোখে শ্রেয়ার দিকে তাকাতে গেলাম। কিন্তু তার কোন সুযোগ দিল না শ্রেয়া। মেঝেতে শোয়া আমার মুখের উপরে জুতো পরা ডান পা টা তুলে দিল ও। আমার ঠোঁটের উপরে ওর নোংরা স্নিকারের তলাটা ঘসতে লাগল ও। সেই সাথে আমাকে আরো অবাক করে দিয়ে আমার দুই হাতের উপরে ঝাঁপিয়ে পরল স্মৃতি আর ইশা। আমি কিছু বুঝে ওঠার আগেই আমার হাতদুটো নাইলনের দঁড়ি দিয়ে শক্ত করে বেঁধে দিল ঘরে থাকা একমাত্র খাটটার পায়ার সাথে।
আমি বুঝতেই পারছি না কি হচ্ছে আমার সাথে! আমার মুখের উপরে তখনো নিজের জুতো পরা ডান পায়ের তলা ঘসে চলেছে শ্রেয়া। আর আমার হাত বেঁধে ফেলার পর ইশা এসে আমার চোখের উপরে কালো কাপড়ের ফেট্টি বাঁধতে লাগল যাতে আমি কিছু দেখতে না পাই। স্মৃতি ততক্ষনে আমার প্যান্টের বেল্ট আর বোতাম খুলে আমার জাঙিয়ার ফাঁক থেকে আমার যৌনাঙ্গকে বাইরে বার করে ফেলেছে।
শুধু প্রিয়া সরাসরি এতে অংশ নেয় নি তখনো। বরং ওকে বলতে শুনলাম," কি করছিস তোরা? সত্যিই কি জয়ন্তদাকে রেপ করবি তোরা? প্লিজ, এতটা বাড়াবাড়ি করিস না। "
ওর গলায় অতিরিক্ত উচ্ছাস বা বাধা দেওয়ার চেষ্টার কোনটাই নেই। বরং ওর গলায় শুধু এক অতি দূর্লভ ঘটনা প্রত্যক্ষ করার উত্তেজনাটাই বেশি।
আমার হাতদুটো তখন অত্যন্ত শক্ত করে বাঁধা খাটের পায়ার সাথে, খুব চেষ্টা করেও আমি হাতদুটো নাড়তে পারছি না একটুও। আমার চোখও ততক্ষনে কালো কাপড় দিয়ে বাঁধা হয়ে গেছে, ফলে আমার সাথে ওরা কি করছে তা দেখতেও পাচ্ছি না। শুধু ওদের কথা শুনে ও স্পর্শের মাধ্যমে বুঝতে পারছি আমার সাথে কি হচ্ছে ও কি হতে চলেছে! সত্যিই কি আমি কলেজের ৩-৪ জন জুনিয়ার মেয়ের দ্বারা রেপ হতে যাচ্ছি। ছেলে হয়ে বয়সে ছোট মেয়েদের হাতে গনধর্ষিত! এরকম বাস্তবে হওয়া সত্যিই সম্ভব?
আমার ঠোঁটের উপরে তখনো জুতোর তলার স্পর্শ পাচ্ছি, সম্ভবত শ্রেয়াই তখনো আমার ঠোটের উপরে ওর সাদা স্নিকারের তলা ঘসে চলেছে। আমার মুখের ভিতরে ঢুকে যাচ্ছে শ্রেয়ার জুতোর তলার ময়লা। এই ভয়ানক বিস্ময়েও আমার অন্তত শ্রেয়ার এই আচরন খারাপ লাগছিল না। আমি চেষ্টা করছিলাম শ্রেয়ার জুতোর তলায় চুম্বন করতে, সেই সাথে ওর নোংরা সাদা স্নিকারের তলায় জিভ বুলিয়ে ওর জুতোর তলা পরিস্কার করে দিতে। এত ভয়ানক অত্যাচার ও অপমান সত্ত্বেও আমার উপর অত্যাচারকারী প্রধান মেয়েটিকে জবাবে শুধুই শ্রদ্ধা ফিরিয়ে দেওয়ার ইচ্ছাটা মনে ভয়ানকভাবে জেগে উঠেছিল। আর এই চিন্তা আমার উন্মুক্ত নুনুতে ফুটিয়ে তুলছিল তীব্র উত্তেজনা। চোখ বাধা হলেও আমি টের পাচ্ছিলাম আমার নুনু বিষাক্ত সাপের মত শক্ত ও দৃঢ় হয়ে ফনা তুলছে!
শ্রেয়ায় বোধহয় এবার খাটে বসে পরে ওর জুতো পরা দুটো পাই আমার মুখের উপরে তুলে দিল। ওদিকে টের পেলাম আমার দৃঢ় পুরুষাঙ্গকে অন্য কেউ একজন তার হাতের মুঠোয় নিয়ে ঘসছে, যেন সে খেলা করছে আমার নুনু নিয়ে। প্রিয়া হয়ত হবে না, কিন্তু সে স্মৃতি না ইশা, সেটা তখনই বুঝতে পারলাম না।
:
:
:
:গরিব ঘরের কলেজ পড়ুয়া ছেলে জয়ন্ত তার ক্লাসমেট জয়ার ছোট বোন শ্রেয়া ও তার বান্ধবীদের সাথে পিকনিকে এক ফাঁকা বাগানবাড়িতে যাবে ওদের ড্রাইভার হিসাবে। ৪ জন মেয়ে মদ্যপ হয়ে প্রথমে শারীরিক অত্যাচার করবে জয়ন্তকে, এরপর পালা করে রেপ করবে। অসহ্য কষ্ট পেলেও দুই সপ্তাহ পর যখন ওরা আবার পিকনিকে যেতে বলবে জয়ন্ত বাধা দেবে না। আবার একইভাবে তার উপরে অসহ্য শারীরিক অত্যাচার করবে শ্রেয়া ও তার ৩ বান্ধবী। প্রথমে জয়ন্তকে দিয়ে পা টেপাতে টেপাতে ওর মুখে লাথি মারবে ওরা ৪ জন, শেষে এক এক করে গনধর্ষন করবে জয়ন্তকে।
ক্রমে জয়ন্তর শরীরকে ভোগ করা রেগুলার রুটিনে পরিনত করবে ওরা ৪ জন,,বিশেষ করে শ্রেয়া। প্রায় রোজই জয়ন্তকে শ্রেয়া বাধ্য করবে তাদের বাড়ির বিশাল গ্যারেজে ঢুকে তার শরীর ভোগ করতে দিতে। কিন্তু দূর থেকে এই ঘটনা দেখে শ্রেয়ার দিদি, জয়ন্তর ক্লাসমেট জয়ার ভূল ধারনা হবে। সে ভাববে তাদের তুলনায় অনেক গরীব ঘরের নিচু জাত ও ক্লাসের ছেলে জয়ন্ত ভুল ভুজিয়ে শ্রেয়াকে প্রেমের জালে ফাঁসিয়ে তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তুলেছে। এর শোধ নিতে সেও শুরু করবে ক্লাসমেট জয়ন্তর উপরে অত্যাচার করা। অকথ্য অত্যাচার এবারও মুখ বুজে মেনে নিতে থাকবে জয়ন্ত। কিন্তু শেষে জয়া বুঝতে পারবে আসলে জয়ন্তই ব্যবহৃত হচ্ছিল শ্রেয়ার হাতে। সে জয়ন্তর কাছে ক্ষমা চাইতে গেলে তাকে অবাক করে দিয়ে জয়ন্ত বলবে শ্রেয়া বা জয়া ইচ্ছা হলেই তার মত ছেলেকে নিজেদের ইচ্ছামত ব্যবহার করতে পারে। তাই ক্ষমা চাওয়ার কিছু নেই যা হয়েছে তার জন্য। জয়া, শ্রেয়া সহ ওদের বান্ধবীরা যদি ওকে নিজেদের প্রয়োজনে ব্যবহার করা চালিয়ে যায়, তার উপর ইচ্ছামত শারীরিক অত্যাচার চালিয়ে যায় তাহলেই সে খুশি হবে। দৈহিক সম্পর্ক বন্ধ করুক শ্রেয়া, কিন্তু তার উপরে শারীরিক অত্যাচার করা যেন ওরা প্লিজ চালিয়ে যায়। এই কথা বলতে বলতে জয়ার জুতো পরা পা জড়িয়ে ধরবে জয়ন্ত। জয়া অবাক হয়ে যাবে ওর উত্তরে, কিছুক্ষন ভাববে, তারপর জুতো পরা ডান পা টা জয়ন্তর মাথায় রেখে বলবে, - ঠিক আছে, তাই হবে।এতে আমাদের তো লাভই। আর তুই যখন তাই চাস তো আমরাই বা মজা করার সুযোগ ছাড়ব কেন? এখন থেকে তুই আমাদের ৫ জনেরই কুত্তা। বিশেষ করে আমাদের দুই বোনের। জয়া মজা দেখার জন্য ফোন করে শ্রেয়াকে ডাকবে। শ্রেয়া এসে অবাক হয়ে দেখবে পোষা কুত্তার মত তার দিদির জুতোর উপরে চুম্বন করছে জয়ন্ত। শ্রেয়াকে দেখেই জয়ন্ত একইরকম ভক্তিভরে শ্রেয়ার জুতোর উপরে চুম্বন করতে থাকবে। দিদির কাছে সব শুনে শ্রেয়ার মুখে হাসি ফুটে উঠবে। সে জয়ন্তকে আদেশ করবে জিভ বার করে চিত হয়ে শুতে। তারপর দিদির সামনেই তার কলেজের দুই বছরের সিনিয়ার দিদির ক্লাসমেট জয়ন্তর বার করা জিভের উপরে নিজের সাদা স্নিকারের তলা মুছতে থাকবে ১৮ বছর বয়সী পরমা সুন্দরী শ্রেয়া।
Comments
Post a Comment